৫ সেপ্টেম্বরের ঢাকা-চট্টগ্রাম লংমার্চ সফল করতে জামায়াতের প্রস্তুতি সভা

সোনার বাংলা অনলাইন
২০ আগস্ট ২০২৬ ২০:৫৬

গণভোটের গণরায় বাস্তবায়ন দাবি ও বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে ৫ সেপ্টেম্বরের  ঢাকা-চট্টগ্রাম লংমার্চ সফল করতে প্রস্তুতি সভা করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী।

বৃহস্পতিবার ২০ আগস্ট রাজধানীর মগবাজারস্থ কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে ১১ দলীয় ঐক্যের সমন্বয়ক ও সংগঠনের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল (সাবেক এমপি) ড. এএইচএম হামিদুর রহমান আযাদের সভাপতিত্বে বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়।

এসময় উপস্থিত ছিলেন জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা আবদুল হালিম, কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য এডভোকেট মতিউর রহমান আকন্দ ও ঢাকা মহানগরী উত্তরের সেক্রেটারি ড. রেজাউল করিম, কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের নায়েবে আমীর এডভোকেট হেলাল উদ্দিন এবং ঢাকা মহানগরী উত্তরের সহকারী সেক্রেটারি মাওলানা মাহফুজুর রহমান, সহকারী সেক্রেটারি ডা. ফখরুদ্দিন মানিক, ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের সহকারী সেক্রেটারি মো. কামাল হোসাইন এমপি, জামায়াতের কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য ও ছাত্রশিবিরের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি পরিকল্পনাবিদ সিরাজুল ইসলাম, এফডিইবি’র কেন্দ্রীয় সভাপতি আব্দুস সাত্তার শাহসহ, প্রচার, মিডিয়া, সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক বিভাগের দায়িত্বশীল ও ছাত্রপ্রতিনিধিরা।

বৈঠকে গণভোটের গণরায় বাস্তবায়নের দাবিতে আগামী ৫ সেপ্টেম্বরের ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম পর্যন্ত ১১ দলের লংমার্চ বাস্তবায়নের বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। বিভিন্ন বিভাগের প্রস্তুতির বিষয়েও বিস্তারিত আলোচনা করা হয় এবং দিকনির্দেশনা দেয়া হয়।

আগামী ৫ সেপ্টেম্বর সকাল ৭টায় রাজধানীর শাপলা চত্বরে লক্ষাধিক মানুষের একটি সমাবেশের মাধ্যমে লংমার্চ শুরু হবে। এতে বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষ অংশগ্রহণ করবেন এবং চট্টগ্রাম অভিমুখে লংমার্চে যোগ দেবেন। লংমার্চটি পথে নারায়ণগঞ্জের মদনপুর, কুমিল্লার পদুয়া বাজার বিশ্বরোড, চট্টগ্রামের মিরেরসরাইয়ে পথসভায় মিলিত হবে এবং চট্টগ্রামে গিয়ে শেষ হবে। এছাড়াও পথে বিভিন্ন জায়গায় লংমার্চকে অভিবাদন জানাবে স্থানীয়রা। প্রত্যেক উপজেলা অভিবাদন জানানো শেষে লংমার্চের বহরে যোগ দেবে।

হামিদুর রহমান আযাদ বলেন, গণভোটের গণরায় বাস্তবায়নের লক্ষে আমরা লংমার্চকে জাতীয় সিরিজ কর্মসূচি হিসেবে নিয়েছি। কারণ, আমরা ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের পরদিনই ১১ দলের শীর্ষ বৈঠক করে সংসদে এবং রাজপথে একসাথে জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠায় আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। এজন্য আমরা শুরু থেকেই দায়িত্বশীলতার সাথে আন্দোলন করে আসছি।

তিনি আরও বলেন, বর্তমান সরকারের অবস্থা দেখে আবার জুলাই আন্দোলনের পদধ্বনি শোনা যাচ্ছে। কারণ, সরকার জুলাইকে মুছে দিতে চায়। বিএনপি এভাবে জাতির সাথে বেঈমানি করছে। এজন্য আমরা জুলাইকে মুছে দিতে দেবো না, থামাতে দেবো না। গণঅভ্যুত্থান জনগণ করেছে, এটি কোনো দলের ইস্যু নায়, জনগণের ইস্যু। কৃষকরা সার পাচ্ছে না। সাতটি সার কারাখানার মধ্যে ৬টি বন্ধ। বিদ্যুৎ সংকটের কারখানার উৎপাদনে মারাত্মক প্রভাব পড়েছে, বিভিন্ন কারাখানা বন্ধও হয়েছে। তিনি লংমার্চ কর্মসূচি বাস্তবায়নে সকল শ্রেণি-পেশার মানুষসহ দেশবাসীর কাছে সহযোগিতা কামনা করেন।