অন্য জমির ফসল

আজকের পত্রিকা:কী চমক দেখাবেন অর্থমন্ত্রী

সোনার বাংলা অনলাইন
২ জুন ২০২৬ ১০:২৩

পত্রিকা

আজ ২ জুন ২০২৬ মঙ্গলবার।

আসন্ন বাজেট নিয়ে দেশ রূপান্তরের শিরোনাম – কী চমক দেখাবেন অর্থমন্ত্রী। খবরে বলা হচ্ছে, ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য প্রায় ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার বড় বাজেট প্রণয়ন করা হয়েছে, যা আগামী ১১ জুন সংসদে উপস্থাপন করা হবে।

বাজেটটি সরকারের নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়ন ও অর্থনীতি পুনরুদ্ধারের কৌশল হিসেবে দেখা হচ্ছে।

তবে অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা ফিরতে অন্তত দুই বছর লাগতে পারে বলে অর্থনৈতিক মহল ধারণা দিচ্ছে, ফলে এই বাজেট বাস্তবায়ন নিয়ে অনিশ্চয়তা রয়েছে।

বিশ্লেষকরা বলছেন, বিদ্যমান অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় কার্যকর ও টেকসই পরিকল্পনা না থাকলে বাজেটের লক্ষ্য পূরণ কঠিন হবে।

তারা ব্যয় ব্যবস্থাপনার দক্ষতা বৃদ্ধি, বাস্তবসম্মত রাজস্ব লক্ষ্য নির্ধারণ এবং প্রকল্প বাস্তবায়ন সক্ষমতা বাড়ানোর ওপর জোর দিয়েছেন, যাতে অর্থনীতি পুনরুদ্ধার ও নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন সম্ভব হয়।

টাইমস অফ বাংলাদেশের আজকের প্রধান খবর- Power feud triggers Dewan exit অর্থাৎ ক্ষমতার দ্বন্দ্বে মন্ত্রীর পদ থেকে দেওয়ানের প্রস্থান।

পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ে ক্ষমতার দ্বন্দ্ব ও অভ্যন্তরীণ বিরোধের কারণে মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান পদত্যাগ করেছেন বলে জানা গেছে।

যদিও তিনি অসুস্থতার কথা উল্লেখ করে পদত্যাগপত্র দিয়েছেন, তবে বিএনপির একাধিক সূত্র বলছে, মূল কারণ ছিল মন্ত্রণালয়ের নিয়ন্ত্রণ ও ক্ষমতা হারানো।

সূত্র অনুযায়ী, প্রতিমন্ত্রী মির মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রম ও পার্বত্য জেলা পরিষদ গঠনে ক্রমেই বেশি প্রভাব বিস্তার করছিলেন, যা নিয়ে মন্ত্রীর সঙ্গে তার বিরোধ তৈরি হয়।

দায়িত্ব নেওয়ার কয়েক মাসের মধ্যেই এই দ্বন্দ্ব তীব্র হয়ে ওঠে এবং প্রশাসনিক ফাইল ব্যবস্থাপনাসহ বিভিন্ন বিষয়ে টানাপোড়েন দেখা দেয়।

পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছায় যে, মন্ত্রণালয়ের ভেতরে সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও দাপ্তরিক নিয়ন্ত্রণ নিয়ে কার্যত সংকট তৈরি হয়।

শেষ পর্যন্ত সেই ক্ষমতার সংঘাতই মন্ত্রীর পদত্যাগের পেছনে মূল কারণ হিসেবে দেখা হচ্ছে বলে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা চলছে। একই বিষয়ে প্রথম আলোর খবর- মন্ত্রীর আকস্মিক পদত্যাগ, নেপথ্যে নানা আলোচনা। এতে বলা হয়েছে, ঈদের ছুটির পর প্রথম কর্মদিবসে পদত্যাগ করলেন পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান। তিনি গতকাল সোমবার সকালে সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে পদত্যাগপত্র জমা দেন এবং তা গৃহীত হয়।

সরকার গঠনের সাড়ে তিন মাসের মাথায় তাঁর পদত্যাগ নিয়ে নানা আলোচনা চলছে। এর মধ্যে মন্ত্রণালয় পরিচালনা, পার্বত্য জেলা পরিষদ পুনর্গঠন ও রাঙামাটি বিএনপির অভ্যন্তরীণ রাজনীতি অন্যতম।

মন্ত্রণালয় পরিচালনায় কর্তৃত্ব, রাঙামাটি জেলা বিএনপির রাজনীতির নিয়ন্ত্রণ এবং পার্বত্য চট্টগ্রামের জেলা পরিষদে প্রশাসক নিয়োগ ঘিরে দীপেন দেওয়ান পদত্যাগ করে থাকতে পারেন, গতকাল দিনভর এমন আলোচনা বেশি ছিল।

তবে সরকার-সংশ্লিষ্ট কোনো সূত্র থেকে নিশ্চিত করে পদত্যাগের কারণ জানা যায়নি।

পদত্যাগপত্রে দীপেন দেওয়ান শারীরিক অসুস্থতার কারণ দেখিয়েছেন, তবে তার সমর্থকেরা সেটি মানতে নারাজ।

দীপেন দেওয়ানের পদত্যাগপত্র প্রত্যাহার এবং পুনর্বহালের দাবিতে গতকাল তার অনুসারী-সমর্থকেরা রাঙামাটি শহরে সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেছেন।

আজকের পত্রিকার প্রধান খবর- ক্যামেরার আতঙ্কে সড়কে শৃঙ্খলা। এ খবরে বলা হয়েছে, ঢাকার ব্যস্ত সড়কগুলোতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ক্যামেরা বসানোর পর ট্রাফিক ব্যবস্থায় দৃশ্যমান পরিবর্তন এসেছে।

ফার্মগেট, বাংলামোটর, শাহবাগসহ বিভিন্ন মোড়ে এখন যানবাহনগুলো নির্ধারিত সিগন্যাল ও জেব্রা ক্রসিং মেনে থামছে।

ট্রাফিক সিগন্যাল অমান্য বা নির্ধারিত সীমানা অতিক্রম করলেই ক্যামেরা স্বয়ংক্রিয়ভাবে ছবি ও ভিডিও সংগ্রহ করে মামলা দিচ্ছে, ফলে চালকদের মধ্যে সতর্কতা বেড়েছে।

ঢাকা মহানগর পুলিশ ২৯ এপ্রিল এআইভিত্তিক এই ব্যবস্থা চালু করে এবং ইতোমধ্যে শতাধিক ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে।

ট্রাফিক আইন ভঙ্গের হাজারো ফুটেজ বিশ্লেষণ করে প্রায় দুই হাজার মামলা করা হয়েছে।

আগে যেখানে ট্রাফিক পুলিশের উপস্থিতিতে অজুহাত দেখিয়ে বা ফাঁকফোকর দিয়ে আইন ভাঙা যেত, এখন ক্যামেরার নজরদারিতে সেই সুযোগ কমে গেছে।

চালকরা বলছেন, এখন সিগন্যাল পড়ার আগেই থেমে যেতে হচ্ছে, না হলে জরিমানার ঝুঁকি থাকে। এতে কিছুটা ভয় বা “ক্যামেরার আতঙ্ক” তৈরি হলেও সড়কে শৃঙ্খলা বেড়েছে এবং যান চলাচল তুলনামূলকভাবে নিয়মিত হয়েছে।

দ্য ডেইলি স্টার পত্রিকার খবর- Islami Bank plunges into fresh chaos অর্থাৎ ইসলামী ব্যাংকে নতুন চেয়ারম্যান নিয়োগকে কেন্দ্র করে চরম অস্থিরতা দেখা দিয়েছে।

গতকাল মতিঝিলে “কনশাস কাস্টমার্স ফোরাম” ব্যানারে শত শত গ্রাহক ও সমর্থক বিক্ষোভ করেন।

তারা কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সিদ্ধান্ত বাতিল করে নতুন চেয়ারম্যান মো. খুরশীদ আলমের নিয়োগ প্রত্যাহার এবং সাবেক এমডি ওমর ফারুক খানকে পুনর্বহালের দাবি জানান।

বিক্ষোভ চলাকালে পুলিশ সাউন্ড গ্রেনেড ও জলকামান ব্যবহার করলে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।

আন্দোলনকারীদের অভিযোগ, এতে শতাধিক মানুষ আহত হয়েছেন। দিনের পুরো সময়জুড়েই বিক্ষোভ চলতে থাকে এবং এক পর্যায়ে ব্যাংকের ভেতরেও অচলাবস্থা তৈরি হয়, ফলে ঈদের ছুটির পর প্রথম কার্যদিবসে গ্রাহক লেনদেন ব্যাহত হয়।

নতুন চেয়ারম্যান নিয়োগ ও ব্যবস্থাপনা পরিবর্তনকে ঘিরে চলমান উত্তেজনার কারণে ব্যাংকের নির্ধারিত বোর্ড সভাও বাধাগ্রস্ত হয়।

নিউ এইজ পত্রিকার খবর- AL activists blend in BNP factional clash অর্থাৎ বিএনপির কোন্দলে আওয়ামী লীগ কর্মীদের সংশ্লিষ্টতা।

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়া উপজেলায় বিএনপির দুই পক্ষের আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষের ঘটনায় অন্তত তিনজন আহত হয়েছেন। এ সময় একটি স্থানীয় বিএনপি কার্যালয় ও অন্তত ১০টি বাড়িঘর ভাঙচুর করা হয়েছে।

অভিযোগ উঠেছে, আওয়ামী লীগের সহযোগী সংগঠন যুবলীগের কিছু কর্মী বিএনপির একটি পক্ষের হয়ে এই হামলায় অংশ নিয়েছেন।

স্থানীয় সূত্র জানায়, জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর থেকেই দুই বিএনপি সমর্থক গ্রুপের মধ্যে বিরোধ চলছিল।

সোমবার বিকেলে একটি বাগ্‌বিতণ্ডাকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ শুরু হলে উভয় পক্ষের মধ্যে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া ও হামলার ঘটনা ঘটে। পরে কয়েকটি বাড়ি ও বিএনপির কার্যালয়ে ভাঙচুর চালানো হয়।

অন্যদিকে চট্টগ্রাম ও মৌলভীবাজারে নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা সংগঠনের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে করা মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে মিছিল করেছে।

পুলিশ জানিয়েছে, গজারিয়ার সংঘর্ষের ঘটনায় তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

যুগান্তর পত্রিকার আজকের খবর- সংবিধান সংশোধনে বিশেষ কমিটি বাজেট অধিবেশনেই। খবরে বলা হচ্ছে, সংবিধান সংশোধন না সংস্কার, এ বিতর্কের মধ্যেই আগামী বাজেট অধিবেশনে সংবিধান সংশোধনের জন্য বিশেষ কমিটি গঠনের উদ্যোগ নিতে চায় সরকার।

এর আগে সংসদে ১৭ সদস্যের একটি বিশেষ কমিটি গঠনের প্রস্তাব দেওয়া হলেও বিরোধী দল সদস্যদের নাম না দেওয়ায় তা বাস্তবায়ন হয়নি। এখন সরকার দ্রুত এ প্রক্রিয়া এগিয়ে নিতে আগ্রহী।

সরকারি দলের মতে, বর্তমান সংবিধানকে ভিত্তি ধরে প্রয়োজনীয় সংশোধনী আনা দরকার এবং এ লক্ষ্যে সব দলের প্রতিনিধিদের নিয়ে একটি কমিটি গঠন করা হবে।

অন্যদিকে বিরোধী দল বলছে, তারা শুধু সংশোধন নয়, আরও বিস্তৃত সাংবিধানিক সংস্কার চায়। এ বিষয়ে দুই পক্ষের মধ্যে মতপার্থক্য এখনও রয়ে গেছে।

রাশিয়ায় নির্মাণকাজের চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে ৩০ জন বাংলাদেশী শ্রমিককে ইউক্রেন সীমান্তের যুদ্ধকবলিত এলাকায় নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে।

ভুক্তভোগী পরিবারগুলোর দাবি, একটি দালাল চক্র তাদের কৌশলে সেখানে পাঠিয়ে রুশ সেনাবাহিনীর কাছে হস্তান্তর করেছে।

বর্তমানে এসব কর্মী চরম ঝুঁকির মধ্যে রয়েছেন এবং তাদের সঙ্গে পরিবারের যোগাযোগও প্রায় বিচ্ছিন্ন।

পরিবারের সদস্যরা জানান, কয়েকজন কর্মী যে খুদেবার্তা পাঠাতে পেরেছেন, তাতে তাদের ভয়াবহ পরিস্থিতির কথা উঠে এসেছে।

স্বজনরা এখন তাদের দ্রুত ও নিরাপদে দেশে ফিরিয়ে আনার দাবি জানাচ্ছেন এবং এ বিষয়ে রাশিয়ান দূতাবাসের সামনে মানববন্ধনের প্রস্তুতি নিচ্ছেন।

এদিকে কর্মীদের পাঠানো রিক্রুটিং এজেন্সি জানিয়েছে, রাশিয়ার একটি নির্মাণ প্রতিষ্ঠানের চাহিদার ভিত্তিতে কর্মীদের পাঠানো হয়েছিল।

ঘটনার পর দূতাবাস ও প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের কাছে সহায়তা চেয়ে আবেদন করা হয়েছে। তবে এখন পর্যন্ত উদ্ধার কার্যক্রমে দৃশ্যমান অগ্রগতির খবর পাওয়া যায়নি।

কালের কণ্ঠ পত্রিকার শীর্ষ খবর- মন্দায় আক্রান্ত শিল্প। খবরে বলা হয়েছে, দেশের বেসরকারি খাত বর্তমানে গভীর সংকটের মধ্যে রয়েছে।

উচ্চ সুদহার, জ্বালানি সংকট, খেলাপি ঋণ, ডলারের ঘাটতি এবং বিনিয়োগবান্ধব নয় এমন করনীতির কারণে শিল্প ও বিনিয়োগ কার্যক্রম স্থবির হয়ে পড়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, মার্চ শেষে বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি নেমে এসেছে মাত্র ৪.৭২ শতাংশে, যা দুই দশকেরও বেশি সময়ের মধ্যে সর্বনিম্ন। ফলে উৎপাদন, কর্মসংস্থান এবং নতুন বিনিয়োগে বড় ধরনের ধীরগতি দেখা দিয়েছে।

বিশেষজ্ঞ ও ব্যবসায়ী নেতারা বলছেন, দীর্ঘদিনের অর্থনৈতিক চাপ, কাঁচামাল আমদানির জটিলতা এবং গ্যাস ও বিদ্যুতের সংকটে অনেক শিল্প প্রতিষ্ঠান উৎপাদন কমিয়ে দিতে বাধ্য হয়েছে।

মূলধনী যন্ত্রপাতি আমদানিও উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে, যা নতুন শিল্প স্থাপন ও সম্প্রসারণে নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে।

তাদের মতে, এই পরিস্থিতি শুধু অর্থনৈতিক নয়, সামাজিকভাবেও উদ্বেগজনক, কারণ কর্মসংস্থান কমে গেলে বেকারত্ব ও অস্থিরতা বাড়তে পারে।

চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রথম তিন প্রান্তিকে (জুলাই-মার্চ) সরকারের মোট ব্যয়ের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে চার লাখ আট হাজার ৪২৬ কোটি টাকায়।

এ ব্যয়ের বেশির ভাগই হয়েছে রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থাপনার দৈনন্দিন কাজে।

প্রাপ্ত তথ্যমতে, মোট ব্যয়ের প্রায় ৮৪ শতাংশই হয়েছে পরিচালন খাতে; যার একটি বড় অংশ খরচ হয়েছে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন-ভাতা, পেনশন এবং বিভিন্ন খাতে ভর্তুকি ও ঋণের সুদ পরিশোধে।

অর্থ বিভাগের বাজেট বাস্তবায়ন-সংক্রান্ত প্রান্তিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, চলতি অর্থবছরের জন্য নির্ধারিত সাত লাখ ৯০ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ের লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে প্রথম নয় মাসে অর্জিত হয়েছে ৫২ শতাংশ।

এতে অর্থবছরের শেষ তিন মাসে বাজেটের লক্ষ্যমাত্রা পূরণে সরকারের ওপর তিন লাখ ৮১ হাজার ৫৭৪ কোটি টাকা ব্যয়ের বিশাল চাপ তৈরি হয়েছে।

আজকের পত্রিকা:

সম্পর্কিত খবর