প্রত্যাশিত পরিবর্তনের ভোট
১১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ০৯:২৭
লড়াই হবে জামায়াতে ইসলামী ও বিএনপির : ২৯৯ আসনে নির্বাচন
জামায়াত জোট প্রার্থী ২৯৮, বিএনপি জোট ২৯৯ ॥ রাষ্ট্র সংস্কারের পক্ষে ‘হ্যাঁ’ ভোট
॥ ফেরদৌস আহমদ ভূইয়া ॥
পুরাতন বন্দোবস্ত বাদ দিয়ে নতুন বন্দোবস্ত প্রতিষ্ঠার তথা পরিবর্তনের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হচ্ছে ১২ ফেব্রুয়ারি বৃহস্পতিবার। প্রায় এক মাসের নির্বাচনী প্রচার ও নির্বাচন কমিশনের ব্যাপক প্রস্তুতির পর আসছে সাধারণ জনগণের ভোট প্রদানের পালা। প্রায় ১২ কোটি ৭৭ লাখ ভোটার বৃহস্পতিবার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন। বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৭টা থেকে ভোটগ্রহণ শুরু হয়ে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত চলবে। এবারের নির্বাচনে একই দিনে একজন ভোটারকে একসাথে দুটি ভোট দিতে হবে। একটি ভোট দিতে হবে জাতীয় সংসদ সদস্য নির্বাচনের জন্য আর একটি জুলাই সনদ তথা রাষ্ট্র ও সংবিধান সংস্কারের পক্ষে হ্যাঁ বা না ভোট।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ২৯৯ আসনে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হচ্ছে ১২ ফেব্রুয়ারি বৃহস্পতিবার। জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বে ১১ দলীয় জোট ও বিএনপির নেতৃত্বে ১০ দলীয় জোট এবং ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, জাতীয় পার্টি ও কমিউনিস্ট পার্টিসহ ৩০টি রাজনৈতিক দল ও দুই জোটের ৫১টি দল নির্বাচন করছে। জোট, দল ও স্বতন্ত্রসহ মোট ১৯৮১ জন প্রার্থী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণ করছেন। শেরপুর-৩ আসনে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল ইন্তেকাল করায় এই আসনটি স্থগিত করা হয়েছে।
জামায়াত জোট ২৯৮, জামায়াত ২২৪
এবারের নির্বাচনে মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা হচ্ছে জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বে ১১ দলীয় নির্বাচনী জোট ও বিএনপির নেতৃত্বে ১০ দলীয় জোটের মধ্যে। জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন জোট ২৯৮ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে। তন্মধ্যে জামায়াতে ইসলামী দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ২২৪ আসনে এবং জোটের শরিকরা ৭২ আসনে নিজ নিজ প্রতীকে নির্বাচন করছেন, উন্মুক্ত আসন ২টি। জামায়াত জোটের শরিক দল ন্যাশনাল সিটিজেন পার্টি (এনসিপি) ২৯ আসনে, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস ২৩, খেলাফত মজলিস ১০, লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি ৪, আমার বাংলাদেশ পার্টি (এবি পার্টি) ৩, বাংলাদেশ ডেমোক্রেটিক পার্টি ২, নেজামে ইসলাম ১ এবং উন্মক্ত ২টি। তবে জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন তিন শরিক দল খেলাফত আন্দোলন, জাগপা ও লেবার পার্টি নির্বাচনে কোনো প্রার্থী দেয়নি। বরিশালের একটি আসনে জামায়াতে ইসলামী চরমোনাইর পীরের দল বাংলাদেশ ইসলামী আন্দোলনকে সমর্থন দিয়েছে।
বিএনপি জোট ২৯৯, বিএনপি ২৯০
বিএনপি নেতৃত্বাধীন ১০ দলীয় জোট ২৯৯টি নির্বাচনী আসনেই প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে, তন্মধ্যে বিএনপি ধানের শীষ প্রতীকে ২৯০টি আসনে প্রার্থী দিয়েছে। বাকি ৯টি আসন জোটের শরিক দল ও মিত্রদের দিয়েছে। বিএনপি তার নির্বাচনী মিত্র জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের জন্য ৪টি আসন, বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি (বিজেপি) ১টি, গণঅধিকার পরিষদ ১টি, বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি ১টি, গণসংহতি আন্দোলন ১টি ও ন্যাশনালিস্ট ডেমোক্র্যাটিক মুভমেন্ট (এনডিএম) ১টি।
দুই জোটের বাইরে ৩০টি রাজনৈতিক দল নির্বাচনে প্রার্থী দিয়েছে এবং তাদের প্রার্থীরা প্রচারে অংশগ্রহণ করেছে। জোটের বাইরের দলগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে চরমোনাই পীরের নেতৃত্বে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের সহযোগী জিএম কাদেরের নেতৃত্বে জাতীয় পার্টি, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি, মাহমুদুর রহমান মান্নার নেতৃত্বে নাগরিক ঐক্য, বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল ইত্যাদি। নির্বাচনে ২৭৫ জন স্বতন্ত্র প্রার্থী বিভিন্ন প্রতীকে অংশগ্রহণ করেছেন। বাংলাদেশের সাম্যবাদী দল, কৃষক শ্রমিক জনতা লীগ, বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি, ওয়ার্কার্স পার্টি, বিকল্পধারা বাংলাদেশ, বাংলাদেশ তরীকত ফেডারেশন, তৃণমূল বিএনপি এবং বাংলাদেশ ন্যাশনালিস্ট মুভমেন্ট নির্বাচনে কোনো প্রার্থী মনোনয়ন দেয়নি। ফ্যাসিস্ট ভূমিকার কারণে সরকার কর্তৃক নিষিদ্ধ হওয়ায় আওয়ামী লীগ এবারের জাতীয় নির্বাচনের অংশগ্রহণের সুযোগ পাচ্ছে না। এই প্রথম বিগত ৭০ বছরের মধ্যে পাকিস্তান ও বাংলাদেশ আমলে আওয়ামী লীগ নির্বাচনের অংশগ্রহণ করতে পারল না।
বিভিন্ন জরিপ সমীক্ষায় জানা গেছে, এবারের নির্বাচনে জামায়াতে ইসলামী ও বিএনপির মধ্যে মূল লড়াইটা হবে। তবে যেসব আসনে বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী রয়েছে সেসব আসনে ত্রিমুখী লড়াই হতে পারে। জাতীয় ও আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলোর বিশ্লেষণ হচ্ছে, জামায়াতে ইসলামী ও তার নেতৃত্বাধীন জোট ইতিহাসের সেরা নির্বাচনী ফল পেতে যাচ্ছে।
এদিকে ইন্টারন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব ল অ্যান্ড ডিপ্লোম্যাসির (আইআইএলডি) প্রাক-নির্বাচনী জনমত জরিপের ফলাফলে ১০৫টি সংসদীয় আসনে জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন জোট এগিয়ে রয়েছে। অন্যদিকে বিএনপি নেতৃত্বাধীন জোট এগিয়ে আছে ১০১টি আসনে। এতে ভোটের আসন অনুযায়ী ব্যবধান মাত্র চার আসন। এছাড়া ৭৫টি আসনে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের আভাস মিলেছে।
গত ৯ ফেব্রুয়ারি সোমবার রাজধানীর পুরানা পল্টনের ফারস হোটেলে আয়োজিত অনুষ্ঠানে জরিপের ফলাফল প্রকাশ করা হয়। দেশের ৩০০ আসনে পরিচালিত এই জরিপে অংশ নেন ৬৩ হাজার ৬১৫ জন ভোটার। যেসব আসনে ভোটের ব্যবধান ১০ শতাংশের বেশি, সেগুলোকে নিশ্চিত বিজয় হিসেবে ধরা হয়েছে।
২০২৪ সালের ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে গঠিত অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের অধীনে এ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। সংসদ নির্বাচনের পাশাপাশি একই দিনে ‘জুলাই সনদ’ বা রাষ্ট্র ও সংবিধান সংস্কারের ওপর একটি দেশব্যাপী গণভোট অনুষ্ঠিত হবে। ১২ ফেব্রুয়ারি সকাল ৭:৩০টা থেকে বিকেল ৪:৩০টা পর্যন্ত ভোট গ্রহণ করা হবে এবং ভোটাররা তাদের ভোট দিতে পারবেন। গত ১০ ফেব্রুয়ারি মঙ্গলবার সকাল ৭:৩০টা পর্যন্ত প্রার্থীরা তাদের প্রচার শেষ করেছেন। সংসদ নির্বাচনের জন্য সাদা ব্যালট এবং গণভোটের জন্য গোলাপি ব্যালট ব্যবহার করা হবে। এ নির্বাচনে প্রথমবারের মতো ডাকযোগে ভোট (Postal Ballot) এবং ‘না ভোট’ অপশন পুনরায় চালু করা হয়েছে ।
নির্বাচন কমিশন এবার ভোটারদের সুবিধার জন্য এবং একই সাথে দুটি ভোট (সংসদ নির্বাচন ও গণভোট) প্রদানের চাপের কথা বিবেচনা করে ভোটগ্রহণের সময় স্বাভাবিকের চেয়ে ১ ঘণ্টা বৃদ্ধি করেছে। সংসদ নির্বাচনের জন্য সাদা ব্যালট এবং গণভোটের জন্য গোলাপি রঙের ব্যালট ব্যবহার করা হচ্ছে। এবারের নির্বাচনে গণভোটের একটি ব্যালট থাকায় ভোটগণনার জন্য সময় বেশি লাগতে পারে। তবে বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন (ইসি) জানিয়েছে যে, ১৩ ফেব্রুয়ারি শুক্রবার সকালের মধ্যে নির্বাচনের ফলাফল আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হতে পারে।
৬ শতাধিক বিদেশি সাংবাদিক ও পর্যবেক্ষক
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট পর্যবেক্ষণের জন্য ৬ শতাধিক বিদেশি পর্যবেক্ষক ও সাংবাদিক এসেছেন। প্রায় ৪০০ বিদেশি পর্যবেক্ষক এই নির্বাচন পর্যবেক্ষণ করবেন বলে নিশ্চিত করেছে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং এবং নির্বাচন কমিশন। ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশগুলো থেকে প্রায় দুইশত পর্যবেক্ষক এসেছেন। অন্তত ১৬টি দেশ এবং ওআইসি, কমনওয়েলথ ও এনফ্রেল (ANFREL)-এর মতো আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলো তাদের পর্যবেক্ষক দল পাঠিয়েছে। ভারত পাকিস্তানসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের দেড় শতাধিক সাংবাদিক ভোট কভার করার জন্য এসেছেন। নির্বাচন কমিশনের তথ্যমতে, এই সংখ্যা গত কয়েকটি নির্বাচনের তুলনায় অনেক বেশি। বিদেশি পর্যবেক্ষকদের সুবিধার্থে বিমানবন্দরে হেল্প ডেস্ক এবং হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে মিডিয়া সেল স্থাপন করা হয়েছে।
১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের জন্য নির্বাচন কমিশন এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে। সারা দেশে মোট ৪২,৭৭৯টি ভোটকেন্দ্র এবং প্রায় ২,৬০,০০০টি পোলিং বুথ (ভোট কক্ষ) স্থাপন করা হয়েছে। নির্বাচন পরিচালনার জন্য মোট ৭ লাখ ৮৫ হাজার ২২৫ জন কর্মকর্তা দায়িত্ব পালন করবেন। তন্মধ্যে প্রিসাইডিং অফিসার ৪২ হাজার ৭৭৯ জন, সহকারী প্রিসাইডিং অফিসার ২ লাখ ৪৭ হাজার ৪৮২ জন, পোলিং অফিসার ৪ লাখ ৯৫ হাজার ৭৬৪ জন। নির্বাচনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিভিন্ন বাহিনীর প্রায় ৯ লাখ ৪৩ হাজার ৫০ জন সদস্য গত ৮ ফেব্রুয়ারি থেকে মাঠে রয়েছে এবং ১৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত মাঠে থাকবেন। তাদের মধ্যে সেনাবাহিনীর সদস্য এক লাখ, পুলিশ ১ লাখ ৮৭ হাজার ৬০৩, আনসার ও ভিডিপি ৫ লাখ ৬০ হাজার, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ৩৭ লাখ ৪৫৩ জন। এছাড়া র্যাব, কোস্ট গার্ড, নৌবাহিনী এবং বিমানবাহিনীর সদস্যরাও নিয়োজিত থাকবেন।
নির্বাচন কমিশনে আইনশৃঙ্খলা সমন্বয় সেল স্থাপন
গণভোট ও আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনে আইনশৃঙ্খলা সমন্বয় সেল স্থাপন করা হয়েছে। সমন্বয় সেলে যোগাযোগের টেলিফোন নম্বরসমূহ হচ্ছে: ০২৫৫০০৭৪৭০, ০২৫৫০০৭৪৭১, ০২৫৫০০৭৪৭২, ০২৫৫০০৭৪৭৪ এবং ০২৫৫০০৭৫০৬। এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে একথা জানানো হয়েছে। এতে আরো বলা হয়েছে, উল্লিখিত টেলিফোন নম্বরসমূহে দেশের যে-কোনো নাগরিক নির্বাচনি আচরণবিধি লঙ্ঘন, অনিয়ম এবং অপপ্রচার-সংক্রান্ত অভিযোগ বা তথ্য আইনশৃঙ্খলা সমন্বয় সেলে জানাতে পারবেন। আগামী ১৩ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত আইনশৃঙ্খলা সমন্বয় সেল চালু থাকবে।
পরিবর্তনের পক্ষে দাড়িপাল্লায় ভোট
রাজনীতি, রাষ্ট্রক্ষমতা, প্রেসিডেন্ট, সরকার, প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রী ও এমপি এসব নিয়ে একসময় আলোচনা ছিল ওপরের মহলের কাজ। কিন্তু যুগ বদলেছে, এখন ছাত্র-জনতা থেকে শুরু করে কৃষক শ্রমিক, মুটেমুজুর, ঠেলাওয়ালা, ফেরিওয়ালা সবাই রাষ্ট্র ও সরকার নিয়ে চিন্তাভাবনা করছেন। রাষ্ট্র ও সরকার পরিচালনা কারা করবে তা নিয়ে চিন্তার বিকাশ ব্যাপৃত হয়েছে। আধুনিক গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় এ সুযোগ তৈরি করেছে নির্বাচন ও ভোট। এখন সাধারণ মানুষ তাদের মতামত ব্যক্ত করতে পারে কে দেশের রাষ্ট্রপতি হবেন, কে হবেন সরকারের প্রধানমন্ত্রী, কারা হবেন সরকারের মন্ত্রী ও আইনপ্রণেতা।
তাই বাংলাদেশের সাধারণ মানুষের ভাবনা পরিবর্তনের, পুরনো বন্দোবস্ত বাতিল করে নতুন বন্দোবস্ত প্রতিষ্ঠা। তাই তারা পাঁচ দশকের চিন্তার বেড়াজাল ছিন্ন করে নতুন প্রতীকে ভোট দেয়ার সিদ্ধান্ত নিচ্ছে। জনগণ মনে করছে প্রত্যাশিত পরিবর্তন আনতে হলে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকেই ভোট দিতে হবে। বিশেষ করে সাধারণ মানুষের সমর্থন দাঁড়িপাল্লার দিকেই। পত্রপত্রিকার রিপোর্টেও জানা গেছে, ভোটারদের মধ্যে একটা অংশ প্রকাশ্যে জামায়াতের পক্ষে কথা বলতে না পারলেও দাঁড়িপাল্লাকে ভোট দিতে বদ্ধপরিকর। তাই প্রত্যাশিত পরিবর্তন আসবে এটাই সাধারণ জনগণের প্রত্যাশা। প্রত্যাশিত পরিবর্তনের জন্যই জনগণ তাদের প্রিয় প্রতীক দাঁড়িপাল্লায় ভোট দেবে।