আজকের পত্রিকা:খালেদা জিয়াকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় সংসদ ভবন পর্যন্ত নেওয়া হবে’
৩১ ডিসেম্বর ২০২৫ ১১:১৮
সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মৃত্যুর খবর নিয়ে মলাট স্টোরি করেছে ঢাকা থেকে প্রকাশিত সব কটি পত্রিকা। এছাড়াও আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার খবরও রয়েছে পত্রিকাগুলোতে।
কালের কণ্ঠের শিরোনাম ‘খালেদা জিয়াকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় সংসদ ভবন পর্যন্ত নেওয়া হবে’।
খবরে বলা হচ্ছে, সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মরদেহ রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় এভারকেয়ার হাসপাতাল থেকে গাড়িতে করে জাতীয় সংসদ ভবন এলাকায় নেওয়া হবে।
সেখানে মানিক মিয়া এভিনিউয়ের পশ্চিম প্রান্তে কফিন রাখা হবে বলে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং থেকে জানানো হয়েছে। জানাজা-দাফন ঘিরে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর ১০ হাজারের বেশি সদস্য মোতায়েন থাকবেন।
গতকাল খালেদা জিয়ার জানাজা ও দাফন সংক্রান্ত প্রস্তুতির বিষয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আইন-শৃঙ্খলা বিষয়ক বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম। খালেদা জিয়াকে তাঁর স্বামী শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের কবরের পাশে সমাহিত করা হবে। গতকাল বিকেলে ঢাকায় জিয়া উদ্যানে সেই কবরের স্থান পরিদর্শন করেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা।
মানবজমিনের শিরোনাম ‘লড়াকু এক যোদ্ধার বিদায়’।
খবরে বলা হচ্ছে, না ফেরার দেশে গণতন্ত্রকামী মানুষের আশার বাতিঘর বেগম খালেদা জিয়া। থেমে গেল দীর্ঘ ৪৩ বছরের আপসহীন, সংগ্রামী, লড়াকু এক রাজনৈতিক জীবন। জাতি হারালো রাজনীতির এক নির্ভরযোগ্য অভিভাবক।
মানুষ আর গণতন্ত্রের জন্য নিজের জীবন উৎসর্গ করে বেগম খালেদা জিয়া হয়ে উঠেছিলেন গণমানুষের এক বিশ্বস্ত ঠিকানা। হয়ে উঠেছিলেন গণমুখী রাজনীতির উজ্জ্বল এক নক্ষত্র, গণতন্ত্র ও অধিকার রক্ষায় এক লড়াকু সৈনিক।
লাজুক গৃহবধূ থেকে রাজনীতির ময়দানে পা রাখা বেগম খালেদা জিয়া গণতন্ত্রের প্রশ্নে জীবনে একদিনের জন্যও আপস করেননি। ফ্যাসিবাদ, স্বৈরশাসনের সামনে এক মুহূর্তের জন্য হার মানেননি।
প্রতিটি গণতান্ত্রিক লড়াইয়ে তিনি ছিলেন সামনের সারির লড়াকু এক যোদ্ধা। নির্বাচনী লড়াইয়ে যার কোনো পরাজয় নেই।
প্রতিপক্ষের হিংসা, নির্যাতন, রাজনৈতিক আঘাতের জবাব তিনি দিয়েছেন শালীন ও রাজনীতির ভাষায়। হিংসার জবাব দিয়েছেন শান্তির বলিষ্ঠ বার্তায়।
বণিক বার্তার শিরোনাম ‘বৈশ্বিক ভূরাজনীতির ঘূর্ণিপাকে ছিল খালেদা জিয়ার ২০০১-০৬ শাসনামল’।
খবরে বলা হচ্ছে, ২০০১ সালের ১১ সেপ্টেম্বর নিউইয়র্কের টুইন টাওয়ার লক্ষ্য করে ছিনতাই করা চারটি যাত্রীবাহী বিমানের আঘাত বিশ্বরাজনীতির গতিপথ বদলে দেয়।
এর আগের পুরো দশকেই আফগানিস্তানে তালেবানদের উত্থান, তাদের শাসনের ছায়ায় আল-কায়েদার অবস্থান এবং আন্তর্জাতিক বিভিন্ন গোষ্ঠীর নেটওয়ার্ক গড়ে ওঠা নিয়ে বিভিন্ন স্তরে সতর্কবার্তা ছিল।
কিন্তু টুইন টাওয়ার ও পেন্টাগনে হামলার পর সে সতর্কবার্তা রূপ নেয় সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার পাওয়া নিরাপত্তা সংকটে। ওয়াশিংটন সঙ্গে সঙ্গে ‘ওয়ার অন টেরর’ ঘোষণা করে। যাতে যোগ দেয় তার পশ্চিমা মিত্ররা।
আফগানিস্তানে তালেবানবিরোধী সামরিক অভিযান শুরু হয় ২০০১ সালের অক্টোবরে। এখান থেকেই শুরু হয় এক নতুন বৈশ্বিক নিরাপত্তা ও ভূরাজনীতির যুগ। যার ঢেউ এসে লাগে দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর রাজনীতি ও কূটনীতিতেও।
এ বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটেই ২০০১ সালের অক্টোবরে ক্ষমতায় আসে বিএনপি নেতৃত্বাধীন চারদলীয় জোট সরকার। সেখান থেকেই খালেদা জিয়ার শাসনামল (২০০১-০৬) প্রবেশ করে বৈশ্বিক ভূরাজনীতির অস্থির ও জটিল ঘূর্ণিপাকে।
প্রথম আলোর শিরোনাম ‘খালেদা জিয়ার প্রয়াণ: গৌরবময় বিদায়’। খালেদা জিয়ার একটিমন্তব্য দিয়ে প্রতিবেদনটি শুরু হয়েছে।
এতে বলা হয় জীবদ্দশায় তিনি বলেছিলেন, ‘বাংলাদেশের বাইরে আমার কোনো ঠিকানা নেই, …এই দেশ, এই দেশের মাটি, এই দেশের মানুষই আমার সবকিছু।’ দেশ-মাটি ও মানুষের সঙ্গে গড়ে ওঠা নিবিড় বন্ধন ছিন্ন করে চিরবিদায় নিলেন বিএনপির চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।
দীর্ঘদিন ধরে গুরুতর অসুস্থতায় ভোগা এই আপসহীন নেত্রী গতকাল মঙ্গলবার সকাল ছয়টায় রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে শেষনিশ্বাস ত্যাগ করেন। তাঁর বয়স হয়েছিল ৭৯ বছর।
২৩ নভেম্বর শেষ দফায় হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পর থেকেই কার্যত খালেদা জিয়া জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে ছিলেন।
এক মাসের বেশি সময় ধরে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। দেশি-বিদেশি চিকিৎসকেরা তাঁর চিকিৎসায় যুক্ত ছিলেন। সব চেষ্টা ব্যর্থ করে গতকাল সকালে চিরবিদায় নেন খালেদা জিয়া।
‘দরপত্র ছাড়াই নির্বাচনী প্রচারের ঠিকাদার নিয়োগ হচ্ছে’ সমকালের শিরোনাম। খবরে বলা হচ্ছে, আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে উৎসবমুখর পরিবেশ সৃষ্টি করতে প্রচার-প্রচারণায় শেষ পর্যন্ত দরপত্র ছাড়াই ঠিকাদার নিয়োগ দিচ্ছে সরকার।
গতকাল মঙ্গলবার সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত অর্থনৈতিক বিষয়ক- সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটির সভায় এ-সংক্রান্ত প্রস্তাবের নীতিগত অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
গত ১৮ নভেম্বর একই কমিটির বৈঠকে উন্মুক্ত দরপত্রের মাধ্যমে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান নিয়োগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছিল।
ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে গতকালের সভায় সভাপতিত্ব করেন অর্থ উপদেষ্টা সালেহউদ্দিন আহমেদ। সভা শেষে অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো এক বিবৃতিতে জানানো হয়, সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে জাতীয় সংসদ নির্বাচন উৎসবমুখর পরিবেশে আয়োজনের লক্ষেন জনগণের মধ্যে সচেতনতামূলক প্রচারের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
সমকালের প্রথম পাতার আরেকটি খবর ‘রুমিন ফারহানা, নিরব, মামুনসহ বিএনপির ৯ নেতাকে বহিষ্কার’।
এই খবরে বলা হচ্ছে, দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করে সাংগঠনিক কর্মকাণ্ড পরিচালনার জন্য বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহআন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক রুমিন ফারহানা, ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক সাইফুল আলম নিরব, কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য হাসান মামুনসহ ৯ জনকে বহিষ্কার করেছে বিএনপি।
গতকাল মঙ্গলবার বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। এতে বলা হয়, এই নেতাদের বিএনপির প্রাথমিক সদস্যপদসহ সব পর্যায়ের পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
‘বিএনপির ৩৩১ জামায়াত ২৭৬, এনসিপি ৪৪ প্রার্থী’ যুগান্তরের একটি শিরোনাম। খবরে বলা হচ্ছে, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রার্থী দিয়েছে ৫১টি নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল।
এ নির্বাচনে অংশ নিয়েছে আওয়ামী লীগের সঙ্গে বিগত নির্বাচনগুলোতে অংশ নেওয়া ঘনিষ্ঠ কয়েকটি দলও।
তবে দলীয় কার্যক্রম স্থগিত থাকায় আওয়ামী লীগ দলীয় কোনো প্রার্থী এ নির্বাচনে অংশ নিতে পারেনি। ৪৭৮ জন স্বতন্ত্র প্রার্থী মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন, যাদের অনেকেই বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী।
মঙ্গলবার রাতে দেওয়া নির্বাচন কমিশনের পরিসংখ্যানে এ তথ্য পাওয়া গেছে।
জানা গেছে, বিএনপি দলীয় ৩৩১ জন নির্বাচনে প্রার্থী হয়েছেন। বেশকিছু আসনে একাধিক প্রার্থী রয়েছে দলটির।
জামায়াতে ইসলামীর ২৭৬ জন মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন। আর ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী হয়েছেন ২৬৮ জন। জাতীয় নাগরিক পার্টি-এনসিপির দলীয় প্রার্থী হয়েছেন ৪৪ জন।
আমার বাংলাদেশ পার্টি (এবি পার্টি) ৫৩ জন প্রার্থী দিয়েছে। জাতীয় পার্টির প্রার্থী হয়েছেন ২২৪ জন। সংসদ নির্বাচনে প্রার্থী দিয়েছে আ.লীগঘনিষ্ঠ কয়েকটি দল।
তবে ১৪ দলীয় জোটে থাকা বাংলাদেশের সাম্যবাদী দল, বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টিসহ ৯টি নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল এ নির্বাচনে প্রার্থী দেয়নি।
ইংরেজি দৈনিক দ্য ডেইলি স্টারের একটি শিরোনাম ‘A year of disruptions for health sector’ অর্থাৎ ‘স্বাস্থ্য খাতের জন্য অস্থিরতার বছর’।
খবরে বলা হচ্ছে, ২০২৫ সালজুড়ে দেশের স্বাস্থ্যসেবা ব্যাহত হয়েছে। ওষুধ, সরঞ্জাম এবং গর্ভনিরোধক ওষুধের ঘাটতির কারণে কয়েক দশক ধরে পরিচালিত একটি কার্যকরী ব্যবস্থা বাতিল হওয়ার পর হাজার হাজার মানুষ প্রয়োজনীয় সেবা থেকে বঞ্চিত হয়েছেন।
জানুয়ারী মাসে ইউএসএআইডির তহবিল হঠাৎ বন্ধ করে দেওয়ার ফলে সমস্যার শুরু হয়। যা প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে স্বাস্থ্য খাতকে প্রভাবিত করেছিল।
আইসিডিডিআরবি’র অ্যালায়েন্স ফর কমব্যাটিং টিউবারকুলোসিস স্থগিত করা একটি তাৎক্ষণিক ধাক্কা ছিল। এই প্রকল্পের লক্ষ্য ছিল যক্ষ্মা রোগ সনাক্তকরণ ব্যবস্থা উন্নত করা।
বছরের শেষের দিকে, সরকারি চিকিৎসা প্রতিষ্ঠানগুলোতে স্বাস্থ্যকর্মীরা বিভিন্ন দাবিতে বিক্ষোভ করেন।
ক্রমবর্ধমান চাপের মধ্যেও, সরকার ৬ হাজারে বেশি চিকি#সককে পদোন্নতি দেয়। যাদের বেশিরভাগই সুপারনিউমারারি পদে।
এছাড়া ডেঙ্গুতে অনেক প্রাণহানি হয়। এতে জনস্বাস্থ্যের অনেক সীমাবদ্ধতা প্রকাশ পায়।
ইংরেজি দৈনিক নিউ এজের খবর ‘Mob violence increases’ অর্থাৎ ‘মব সহিংসতা বাড়ছে’।
খবরে বলা হচ্ছে, অন্তর্বর্তী সরকার এবং আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলোর কার্যকর ব্যবস্থার অভাবের কারণে এ বছর দেশজুড়ে গণপিটুনির ঘটনা আগের বছরের তুলনায় বেড়েছে।
মানবাধিকার সংস্থা আইন ও সালিশ কেন্দ্রের তথ্য অনুসারে, এ বছরের পহেলা জানুয়ারি থেকে ২৩ ডিসেম্বরের মধ্যে গণপিটুনিতে কমপক্ষে ১৯২ জন নিহত হয়েছে। ২০২৪ সালে এই সংখ্যা ছিল ১২৮ জন।
যদিও সরকার এবং বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সদস্যরা সহিংসতার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। তারপরেও অপরাধীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার ক্ষেত্রে কোনো উল্লেখযোগ্য উন্নতি দেখা যায়নি।
গণঅভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচারী শেখ হাসিনার সরকার উৎখাতের পর ৮ আগস্ট অন্তর্বর্তী সরকার ক্ষমতা গ্রহণ করে। ম্যাজিস্ট্রেসি ক্ষমতা দিয়ে সারা দেশে সেনাবাহিনী মোতায়েন করা হয়।
‘খালেদা জিয়ার মৃত্যু সব পোশাক কারখানা বন্ধ থাকবে আজ’ আজকের পত্রিকার শিরোনাম।
খবরে বলা হচ্ছে, সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে শোক জানিয়েছে দেশের ব্যবসায়ী সংগঠনগুলো। শোক পালনের অংশ হিসেবে আজ বুধবার দেশের সব পোশাক কারখানা বন্ধ রাখার অনুরোধ জানিয়ে মালিকদের চিঠি দিয়েছে বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতি (বিজিএমইএ)।
অন্যদিকে খালেদা জিয়ার জানাজার আগপর্যন্ত দেশের বিপণিবিতানগুলো বন্ধ রাখার অনুরোধ জানিয়েছে বাংলাদেশ দোকান মালিক সমিতি ।
এদিকে নিট পোশাকশিল্পের মালিকদের সংগঠন বিকেএমইএ বলেছে , বাংলাদেশের তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রীর প্রতি সম্মান প্রদর্শন করে বিকেএমইএর সদস্যভুক্ত সব পোশাকশিল্প প্রতিষ্ঠানে সব পোশাক কারখানা বুধবার এক দিনের ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে।
‘কারাগারেও আপসহীন ছিলেন খালেদা জিয়া নিতেন না বাড়তি সুবিধা’ নয়াদিগন্তের শিরোনাম। খবরে বলা হচ্ছে, শেখ হাসিনা সরকারের আমলে সাবেক তিনবারের প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া পুরনো ঢাকার নাজিমুদ্দিন রোডের কেন্দ্রীয় কারাগারের নির্জন কক্ষে বেশির ভাগ সময় কেটেছিল মানসিক যন্ত্রণার মধ্যে।
বন্দী জীবনে তাকে থাকার কষ্ট, খাওয়ার কষ্ট দেয়া থেকে শুরু করে সব ধরনের কষ্টই দেয়া হয়েছিল হাসিনা সরকারের নিয়োগপ্রাপ্ত কারা কর্মকর্তাদেরকে দিয়ে।
তারপরও তিনি দমে যাননি। নীরবে সব কিছুই সহ্য করেছিলেন সেদিন।
কারা কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, কারাগারে তিনি যতদিন ছিলেন কখনো কারা কর্তৃপক্ষের দেয়া খাবার গ্রহণ করা ছাড়া বাড়তি কোনো চাহিদা করতেন না। তিনি সবসময়ই আইনের প্রতি ছিলেন শ্রদ্ধাশীল।
খালেদা জিয়াকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় সংসদ ভবন পর্যন্ত নেওয়া হবে'।