ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন : মোট প্রার্থী ১,৯৬৭ বিএনপি ২৯০, জামায়াতে ইসলামী ২১৫

জামায়াত বিএনপি লড়াই


২২ জানুয়ারি ২০২৬ ১০:৩৬

সোনার বাংলা রিপোর্ট : চব্বিশের অভ্যুত্থানের পর অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। ভোটের লড়াইয়ে রাজনৈতিক দলগুলো নানা সমীকরণ কষেছেন, নিয়েছেন জোটগত ও সমঝোতার প্রস্তুতি। এবারের নির্বাচনের স্বাতন্ত্র্য হলো ভোটারদের সংসদ সসদ্য নির্বাচনের পাশাপাশি গণভোটেও অংশগ্রহণ করতে হবে। নির্বাচন কমিশনের জন্য গণভোট একটি বাড়তি চ্যালেঞ্জও তৈরি করেছে। এবারের ভোটযুদ্ধে নামছেন ১৯৬৭ প্রার্থী। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি বৃহস্পতিবার সারা দেশের ভোটাররা ভোট দিয়ে ৩০০ জনকে জাতীয় সংসদ সদস্য নির্বাচিত করবেন। এ নির্বাচনে বিএনপি, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী, জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি), ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, জাতীয় পার্টি, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস, লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি (এলডিপি), খেলাফত মজলিস, আমার বাংলাদেশ পার্টি (এবি পার্টি), নাগরিক ঐক্য, বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম, জাগপা, বাংলাদেশ ডেভেলপ পার্টি, খেলাফত আন্দোলন, গণসংহতি আন্দোলনসহ প্রায় অর্ধশতাধিক রাজনৈতিক দল নির্বাচনে অংশগ্রহণ করছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, এবারের নির্বাচনে মূল লড়াইটা হচ্ছে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন জোটের মধ্যে। বিগত এক বছরে ভোটের বিভিন্ন জরিপেও এমন চিত্রই উঠে এসেছে।
সর্বশেষ তথ্যানুযায়ী, এবারের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে বিএনপির ২৯০ জন ও জামায়াতে ইসলামীর ২১৫ জন। জামায়াতের নেতৃত্বাধীন ১০ দলীয় নির্বাচনী জোটের দলগুলোর মধ্যে বেশকিছু আসনে সমঝোতা হয়েছে। দলীয় সূত্র জানায়, প্রার্থিতা প্রত্যাহার শেষে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী আছে ২১৫টি আসনে। এই ঐক্যে থাকা জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ৪৪ জন মনোনয়নপত্র জমা দিলেও শেষ পর্যন্ত দলটির ৩০ জন প্রার্থী নির্বাচনে লড়ছেন। এছাড়া বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস ২৯টি, খেলাফত মজলিস ১৯টি, লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি (এলডিপি) ৭টি, এবি পার্টি ৫টি, বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টি ৩টি এবং বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টি (বিডিপি) ২টি আসনে এককভাবে নির্বাচন করবে।
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের ২৫৯, জাতীয় পার্টির (জাপা) ১৯৬ এবং গণঅধিকার পরিষদের ৯২ প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন। নির্বাচনে তিন শতাধিক স্বতন্ত্র প্রার্থী রয়েছেন। এর মধ্যে অর্ধশতাধিক প্রার্থী বিএনপির বিদ্রোহী বলে জানা গেছে। কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের বহিষ্কৃত নেতা সাবেক মন্ত্রী আবদুল লতিফ সিদ্দিকীও স্বতন্ত্র হয়ে ভোটযুদ্ধে রয়েছেন।
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সারা দেশে মোট ৩০৫ জন প্রার্থী তাদের প্রার্থিতা প্রত্যাহার করেছেন। ফলে এখন মোট ১ হাজার ৯৬৭ জন প্রার্থী নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন।
ইসির কর্মকর্তারা জানান, ৩০০ আসনে মোট ২ হাজার ৫৮৫টি মনোনয়নপত্র জমা পড়ে। এর মধ্যে ১ হাজার ৮৫৮ জন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয় এবং ৭২৬ জনের মনোনয়নপত্র বাতিল হয়। পরে ৬৩৯ জন প্রার্থী আপিল করেন। আপিলের মাধ্যমে ৪৩১ জন প্রার্থী তাদের প্রার্থিতা ফিরে পান।
ইসির তফসিল অনুযায়ী প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ সময় ছিল ২০ জানুয়ারি বিকেল ৫টা পর্যন্ত।
গত ২১ জানুয়ারি বুধবার প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের মধ্যে নির্বাচনী প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। ২২ জানুয়ারি বৃহস্পতিবার থেকে শুরু হয়েছে নির্বাচনী প্রচার, যা ভোটগ্রহণের ৪৮ ঘণ্টা আগ পর্যন্ত চালানো যাবে।
আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। ব্যালট পেপারের মাধ্যমে স্বচ্ছ ব্যালট বাক্সে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের ভোট গ্রহণ সম্পন্ন হবে।
এর আগে গত ১১ ডিসেম্বর জাতির উদ্দেশে ভাষণ দিয়ে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন।
তফসিল অনুযায়ী রিটার্নিং কর্মকর্তা বা সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ দিন ছিল ২৯ ডিসেম্বর।
জাতীয় সংসদের ৩০০ আসনের বিএনপি ও জামায়াতের প্রার্থীদের তালিকা নাম ও ছবিসহ ছাপা হয়েছে। (৩ ও ৪ পাতায় দেখুন)।

বাংলা সাহিত্যে রোজা
১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১১:০৬

আল মাহমুদের গল্পে প্রেম ও প্রকৃতি
১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১১:০৫

প্রেরণার বাতিঘর : আল মাহমুদ
১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১১:০৪

বাবারা এমনই হয়
১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১১:০৩