বৈষম্যহীন দুর্নীতিমুক্ত দেশ গঠনই জুলাই বিপ্লবের লক্ষ্য
১১ ডিসেম্বর ২০২৫ ১২:০৭
॥ একেএম রফিকুন্নবী ॥
জুলাই ২০২৪ বিপ্লবের প্রায় দেড় বছর চলে গেল। ফ্যাসিস্ট হাসিনার দুঃশাসন থেকে দেশকে মুক্ত করার জন্য প্রায় ২ হাজার ছাত্র-জনতা তাজা রক্ত দিল। প্রায় ৩০ হাজার লোক আহত হলো, পঙ্গু হলো, হাত, পা, চোখ হারালো। এ সময়ে আমরা কী পেলাম? দেশ কী পেল?
আমি মনে করি, গত ৫৪ বছরের আগাছা পরিষ্কার করার জন্য দরকার ছিল বিপ্লবী সরকার। কিন্তু তা হয়নি। আমাদের দেশে ভালো লোকের অভাব নেই, কিন্তু আমরা যাদের এ পর্যন্ত ক্ষমতায় দেখেছি, সব দলই নিজেরা স্বাধীন চিন্তা করতে ব্যর্থ হয়েছে। কে কত প্রতিবেশী দেশের প্রতি আনুগত্য করে চলবে, সেই চিন্তায় দেশ চালাতে ব্যস্ত ছিল।
নিজের, দলের এবং আত্মীয়-স্বজনের স্বার্থ দেখেই দেশ চালাতে গিয়ে জনগণের স্বার্থ দেখতে তাদের সময় হয়নি। দেশের টাকা লুট করা থেকে শুরু করে ব্যাংকগুলোকে খালি করে বিদেশে বেগমপাড়া থেকে শুরু করে শত শত ফ্ল্যাট কেনা, দেশে দেশে বাড়িঘর করা সবই শেখ হাসিনা, তার আত্মীয়-স্বজন, অনুগত ব্যবসায়ী, আমলা সবাই দেশের টাকা চুরি করে দেশকে খালি করে ফেলেছিল। সবাই জানে ফ্যাসিস্ট হাসিনার পিয়নেরই ৪০০ কোটি টাকার খবর। সে আবার হেলিকপ্টারে চলাফেরা করত। লেডি হিটলার হাসিনা নিজেই গর্বের সাথে প্রকাশ্যে বলে বেড়িয়েছে। হাসিনা ছাত্র-জনতার আন্দোলনে দেশ থেকে পালিয়ে তার দাদার দেশে পরবাসীনী হিসেবে বসবাস করছে এবং মাঝেমধ্যে হুঙ্কার দিয়ে বেড়াচ্ছে এই আসছি যেকোনো দিন! এভাবে দেশে থাকা তার দলের লোকদের আরো বিপদে ফেলার জন্য মিছিল করে জেলে যাবার ব্যবস্থা করছে।
এদেশের মানুষ, ছাত্র-জনতা ফ্যাসিস্ট দুঃশাসনের ভোগান্তি সহ্য করে আর পারছিল না। তাই তো ২০২৪ সালে জুলাই বিপ্লব ঘটানো হয়েছে। মহান আল্লাহ তায়ালা ৯২ শতাংশ মুসলমানের দেশে ফ্যাসিস্ট হাসিনার কার্যকলাপ দেখে আবাবিল সদৃশ শক্তি পাঠিয়ে ছাত্র-জনতাকে হাসিনার গণভবনের দিকে পাঠিয়েছিল। ফলে হাসিনা ভয়ে জীবন নিয়ে ভারতে আশ্রয় নিয়েছে। আমরা ভারতে তার আশ্রয়-প্রশ্রয়ের প্রতিবাদ জানাই। তাকে বাংলাদেশের জনতার কাছে এসে তার ভুলের মাশুল দেয়ার আহ্বান জানাই।
বিগত শাসকরা দুর্নীতির সাগরে ভেসে গিয়ে নিজেরা দেশের পরিবেশ দুর্নীতির আখড়া বানিয়েছিল। পানের দোকান থেকে শুরু করে ব্যবসা-বাণিজ্য, কল-কারখানা, দেশি-বিদেশি সব খাতে দুর্নীতি আর দুর্নীতি করতে করতে ভঙ্গুর করেছে। সৎভাবে চলার কথা মানুষকে ভুলিয়েই দিয়েছিল। খাদ্যদ্রব্য থেকে শুরু করে ওষুধপত্র সবখানেই ভেজাল আর ভেজালে ভরপুর। মানুষ দুর্নীতিমুক্ত কোনো জায়গার খোঁজ পাচ্ছিল না।
এক্ষেত্রে জনগণকে সাথে নিয়ে বিপ্লব-উত্তর দুর্নীতিমুক্ত সমাজ গঠনের কাজ শুরু করেছে জামায়াতে ইসলামী ও ইসলামী ছাত্রশিবির। বিপ্লবের বড় অর্জন বিশ্ববিদ্যালয়গুলোয় ছাত্র সংসদ নির্বাচন। দুর্নীতিবাজদের বুঝে ওঠার আগেই ছাত্র সংসদ নির্বাচনে প্রমাণ হয়েছে যে, দেশের ছাত্র-জনতা সৎ, যোগ্য, দুর্নীতি-চাঁদাবাজহীন ছাত্র-জনতাকে নির্বাচিত প্রতিনিধি দেখতে চায়। ডান-বামরা বুঝতেই পারেনি ছাত্রশিবিরের লোকেরা তাদের বুদ্ধির জোরে মহান আল্লাহর সাহায্যে জুলাই বিপ্লবের সবচেয়ে বড় পাওয়া দেশের ছাত্র-ছাত্রীরা আর ধোঁকাবাজ-অসৎ নেতৃত্ব চায় না। জামায়াতে ইসলামী ও ইসলামী ছাত্রশিবির দীর্ঘদিন যাবত বাংলাদেশকে দুর্নীতিমুক্ত সমাজ গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ দিয়ে লোক তৈরি করেছে।
প্রায় ৪০ শতাংশ ছাত্রী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্র সংসদ নির্বাচনে বিপুল ভোটে তাদের প্রতিনিধি বানিয়ে প্রমাণ রেখেছে আর চাঁদাবাজ-অসৎ নেতৃত্ব ছাত্র-জনতা চায় না। ছাত্রীরা শিবিরের কাছেই নিরাপদ।
জুলাই বিপ্লবের পর ড. মুহাম্মদ ইউনূস সরকার বিভিন্ন সংস্কারের কাজে হাত দিয়েছে। বিভিন্ন কমিটি গঠন করেছে। বিশেষ করে সংস্কার কমিটি করে বিপ্লবের সনদের কাজ কয়েক মাসে দেশের দলগুলোর সাথে আলাপ-আলোচনা করে জুলাই সনদের চূড়ান্ত কপি প্রধান উপদেষ্টার কাছে জমা দিয়েছে, যা দেশে ১০০ বছরের জন্য কাজে লাগবে বলে প্রধান উপদেষ্টা মন্তব্য করেছেন। তাই আমরা জুলাই সনদের ওপর গণভোট করে জনতার মত নেয়ার জন্য জোর দাবি করছি। জাতীয় নির্বাচন যদি কোনো কারণে বিলম্ব হয়, তবে জুলাই সনদের ওপর গণভোট এ মাসের মধ্যেই করে ফেলা ভালো।
ড. মুহাম্মদ ইউনূসের বড় ঘটনা বিডিআর হত্যার বিচারের জন্য কমিশন গঠন। মে. জে. ফজলুর রহমানের নেতৃত্বে কমিশন ইতোমধ্যেই একটি সুচিন্তিত রিপোর্ট দিয়েছে। সেখানে ঘটনার আদি-অন্ত প্রকাশ পেয়েছে।
রিপোর্টে ফুটে উঠেছে দেশের শত্রুরা কীভাবে দিনে-দুপুরে লেডি হিটলারের তত্ত্বাবধানে তাদের লোক এবং প্রতিবেশী লোকদের প্রত্যক্ষ সহযোগিতায় দেশের ৫৭ চৌকস সেনা অফিসারকে হত্যা করেছিল। সবার প্রত্যক্ষ সাক্ষী হাজির করে দেশের বড় উপকার করেছে তদন্ত কমিশন। কমিশনকে আমরা জনণের পক্ষ থেকে ধন্যবাদ জানাই।
পুলিশ কমিশন গঠন করে আরো একটি দৃষ্টান্তমূলক কাজ হয়েছে। টিআইবিসহ বিভিন্ন জাতীয় ও আন্তর্জাতিক সংস্থার মতে, আমাদের দেশের দুর্নীতিগ্রস্ত প্রতিষ্ঠানগুলোর অন্যতম হলো পুলিশ। কিছুসংখ্যক ছাড়া সাধারণ পুলিশ থেকে শুরু করে ওপরের অফিসারদের জনগণ বন্ধু ভাবতে পারছে না। পুলিশ বিভাগকে আমূল পরিবর্তন করতে হবে। যারা পতিত সরকারের দোসর হিসেবে কাজ করেছে, তাদের সবাইকে বাদ দিয়ে জনদরদি সৎ লোককে চাকরি দিতে হবে এবং তাদের অসততা, দুর্নীতি, চাঁদাবাজ থেকে মুক্ত থাকার প্রশিক্ষণ দিতে হবে। তারা যাতে জনগণের বন্ধু হিসেবে কাজ করে তার ব্যবস্থা করতে হবে।
দেশের সম্পদ চুরির পথ কিছুটা হলেও বন্ধ হয়েছে। চুরি করা টাকা ফেরত আনার সর্বাত্মক চেষ্টা করতে হবে। কাউকে ছাড় দেয়া যাবে না। যে সমস্ত চোর-বাটপার আমলা, ব্যবসায়ী জেলে আছে এবং দেশ থেকে পালিয়েছে, তাদের সম্পদ বাজেয়াপ্ত করে দেশের মানুষের সম্পদ ফিরিয়ে দিতে হবে।
সুখের খবরÑ দেশের মানুষ ভালো ও মন্দের বিচার করতে শিখেছে। চোর-বাটপার, চাঁদাবাজ রাজনীতিকদের আর জনগণ ভোট দেবে না। এদেশের মানুষ ঠকতে ঠকতে শিখেছে। অন্যদিকে জামায়াতে ইসলামীসহ ৮ দল জনগণের পাশে এসে দাঁড়িয়েছে। বিভাগীয় জনসভাগুলোয় জনতার ঢল প্রমাণ করেÑ জনগণ জামায়াতের সাথে আছে, ৮ দলের সাথে আছে।
জামায়াতের আমীর ডা. শফিকুর রহমান দৃপ্তকণ্ঠে জনসভাগুলোয় ঘোষণা দিয়েছেন, আমরা ফ্যাসিবাদ তাড়িয়েছি। এবার দুর্নীতিমুক্ত দেশ গড়ব। জনগণের ভাষায়ই আমীরে জামায়াত কথা বলেছেন। টিআইবিও গত ৭ ডিসেম্বর রোববার বলেছে দুর্নীতি, চাঁদাবাজি কমেনি। আমাদের অভিজ্ঞতা বলে, চাঁদাবাজ ও দুর্নীতির হাতবদল হয়েছে। প্রত্যক্ষদর্শীদের মত হলো, চাঁদাবাজির পরিমাণ আগের তুলনায় আরো বেড়েছে। সাংবাদিক মাহমুদুর রহমান সম্প্রতি তার এক স্ট্যাটাসে নির্বাচন কমিশনকে বলেছেন নির্বাচনের প্রার্থীদের গত ১৫ মাসের ব্যাংক হিসাব তলব করতে। আমরাও মনে করি, জুলাই বিপ্লবের পর স্বচ্ছতা সর্বক্ষেত্রেই দরকার। এত শহীদ ও আহতদের ত্যাগের বিনিময়ে দেশ দুর্নীতিমুক্ত করতে হবে। ব্যক্তি, দল বা সমাজে দুর্নীতিবাজদের খুঁজে পেতে দুরবিন লাগাতে হবে না। চাঁদাবাজ, দুর্নীতিবাজরা প্রকাশ্যে হাট-বাজার-ঘাট, রিকশাস্ট্যান্ড বালু তোলা থেকে শুরু করে এমন কোনো খাত নেই যে, তারা পূর্বের ফ্যাসিবাদীদেরই অনুসরণ করছে না।
আপনারা দেখেছেন, প্রকাশ্যে কথিত বড় দল এ পর্যন্ত হাজার হাজার কর্মী-নেতা বহিষ্কার করেছে চাঁদাবাজি, দুর্নীতির কারণে। তাই বলার অপেক্ষা রাখে না, কারা দুর্নীতি, চাঁদাবাজি করছে। আমরা চাঁদাবাজি ও দুর্নীতির মূলোৎপাটন করেই সমাজ গড়ার কাজ করব। কাউকেই ছাড় দেয়া হবে না। আমাদের জন্মভূমি বাংলাদেশ। দেশের সাধারণ মানুষ চাঁদাবাজি ও দুর্নীতির সাথে জড়িত নয়। তথাকথিত নেতারাই এ কাজে তৎপর। সাধারণ মানুষ রিকশা চালিয়ে, পিঠা বিক্রয় করে, ঠেলা গাড়িতে নিত্যপণ্য, কলা, ডাব, তরিতরকারি বিক্রয় করে হালাল পথে আয় করে। তারা সুখে-শান্তিতে বসবাস করে জীবন অতিবাহিত করছে।
আমার কয়েকজন ফেরি করে পান বিক্রয় ও চা বিক্রয়কারী এবং রিশাওয়ালার সাথে আলাপ হয়েছে। তারাও চাঁদাবাজি, দুর্নীতিবাজদের নেতা দেখতে চায় না। তাদের কথা হলো, সব দল দেখেছি। এবার জামায়াতকে দেখব। তারা আমাদেরই সমাজে বাস করে, কিন্তু তাদের বিরুদ্ধে কোনো চাঁদাবাজি বা দুর্নীতির অভিযোগ নেই। তারা জনগণের সাথে হাসিমুখে কথা বলে, কিরশা ভাড়া নিয়ে ঝগড়া করে না। ফাও খাওয়ার নজির নেই। তাই তো শিবির-সমর্থিত প্যানেলে শিক্ষিত ছাত্র-ছাত্রীরা ভোট দিয়ে ডাকসু, জাকসু, চাকসু ও রাকসুতে বিপুল ভোটে জিতিয়ে দিয়েছে। শিবির প্যানেলের ছাত্র-ছাত্রীরা ভোটে জিতেই বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনার পরিবেশ, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা, আবাসিক সমস্যা, চিকিৎসা ব্যবস্থার আমূল পরিবর্তন এনেছে, এ দুই মাসের মধ্যেই। অনেকে তো বলা শুরু করেছে, এরা বছরের কাজ ৬ মাসেই সম্পন্ন করতে পারবে এবং ভবিষ্যতে তাদেরই ক্ষমতায় আনতে হবে।
কথিত বড় দলের নেতারা আওয়ামী ও ভারতের বয়ান বলে বেড়াচ্ছে। আওয়ামী লীগ ও ভারতের বয়ান যে মানুষ প্রত্যাখ্যান করেছে, তাদের হিসাবে আসছে না। কারণ জামায়াত-সমর্থিত ৮ দলের লোকদের চারিত্রিক মাধুর্য মানুষ দেখে এবং তাদের দ্বারা পরিচিতি ব্যাংক, ব্যবসা, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, স্বাস্থ্য কেন্দ্র থেকে শুরু করে গ্রাম থেকে শহরে ভালোভাবে চলছে এবং জনগণ উপকৃত হচ্ছে।
তাই আমরা প্রধান উপদেষ্টার ঘোষণামতো স্বচ্ছ ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন চাই। কোনো আওয়ামী দোসরদের যাতে নির্বাচনের কাজে লাগানো না হয়। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে সঠিকভাবে নিয়োগ দিতে হবে। ভোটকেন্দ্র যাতে কেউ দখল করতে না পারে, তার পূর্বপ্রস্তুতি নিতে হবে। প্রয়োজনে এলাকার ভালো লোকদের সমন্বয়ে নিরাপত্তার চাদর গড়ে তুলতে হবে। মনে রাখতে হবেÑ ৫৪ বছর পর মানুষ তাদের দুর্নীতিমুক্ত নেতা বানানোর সুযোগ পাচ্ছে। প্রায় এক-তৃতীয়াংশ ভোটার নতুন ভোটার। প্রথম ভোট দেবে, ভালো মানুষকে তাদের নেতা বানানোর জন্য।
কোনো টালবাহানায় নির্বাচন বিলম্বিত করা যাবে না। স্বচ্ছ ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনই দিতে পারে দেশ গঠনের দিকনির্দেশনা। আমরা আশা করব, জামায়াতের নেতৃত্বে ৮ দল ও সহযোগীরা প্রতি সংসদ এলাকায় সৎ, যোগ্য, দুর্নীতিমুক্ত লোককে নমিনেশন দেবেন। আমরা সৎ লোকের শাসন চাই, আল্লাহর আইন চাই। ভালো মানুষের নেতৃত্বে সরকার গঠন করে সমাজ, রাষ্ট্র; এমনকি আন্তর্জাতিক ময়দানেও দৃষ্টান্ত স্থাপন করতে চাই।
আবার বলতে চাই, আমরা আল্লাহর ওপর ভরসা করে সামনে এগোলে জুলাই বিপ্লব যেমন সংঘটিত হয়েছে, তেমনিভাবে ১৮ কোটি মানুষের বাংলাদেশকে তিনিই পথ দেখাবেন এবং দুর্নীতিমুক্ত সমাজ-রাষ্ট্র গঠন করে দুনিয়ায় একটি দৃষ্টান্ত স্থাপনের ব্যবস্থা করে দেবেন। মহান আল্লাহর বাণী, ‘আর তোমরা দুর্বল হয়ো না এবং দুঃখিত (হতাশ) হয়ো না, আর তোমরাই বিজয়ী হবে, যদি মুমিন হয়ে থাক।’ (সূরা আলে ইমরান : ১৩৯)। তাই দুর্নীতিমুক্ত দেশ এখন সময়ের ব্যাপার। সময়মতো নির্বাচনের পরই জামায়াতের নেতৃত্বে বাংলাদেশ জুলাই বিপ্লবের আকাক্সক্ষা অনুযায়ী দুর্নীতিমুক্ত দেশে পরিণত হবে, ইনশাআল্লাহ।
লেখক : সাবেক সিনেট সদস্য, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।
ই-মেইল : [email protected]