স্যালুট আমীরে জামায়াত ডা. শফিকুর রহমান
৭ আগস্ট ২০২৫ ১৩:২৬
॥ জামশেদ মেহদী॥
ডা. শফিকুর রহমান। বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর। তার সাথে আমার চাক্ষুষ পরিচয় নেই। টেলিফোনেও কোনোদিন আলাপ হয়নি। দু-একটি ঘটনা তার সম্পর্কে আরো বেশি করে জানতে আমার আগ্রহ সৃষ্টি করে। খুব বেশি একটা জানার সুযোগ হয়নি। কিন্তু গত ১৯ জুলাই সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে অনুষ্ঠিত জামায়াতের সুবিশাল জাতীয় সমাবেশ এবং পরবর্তীতে তার হার্টের বাইপাস সার্জারির আগে-পরের দু-একটি টুকরো ঘটনায় তার সম্পর্কে আমার শ্রদ্ধাবোধ হিমালয় শিখরের মতো উচ্চতায় উঠেছে। এ সম্পর্কে বিস্তারিত বলার আগে প্রাসঙ্গিক আরো দু-একটি কথা বলে নেওয়া দরকার।
প্রথমেই এটি পরিষ্কারভাবে বলতে চাই যে, আমি কোনোদিন কোনো রাজনৈতিক দলে ছিলাম না এবং আজও নেই। তবে প্রায় ৬০ বছরের সাংবাদিক জীবনে দেশের কিছু কিছু নেতাকর্মীর সাথে কিঞ্চিৎ পরিচয় হওয়ার সৌভাগ্য হয়েছে।
অধ্যাপক গোলাম আযমের সাথে আমার পরিচয় ছিল না। কিন্তু দু-তিনটি সেমিনার-সিম্পোজিয়াম ও আলোচনা সভার বদৌলতে তার সাথে আমার পরিচয় ঘটে। ‘জীবনে যা দেখলাম’ এ শিরোনামে তার ধারাবাহিক অনেকগুলো বই রয়েছে। এর একটিতে তিনি তার সাথে আমার আলাপচারিতার কথা উল্লেখ করেছেন। শহীদ মাওলানা মতিউর রহমান নিজামীকে আমি নিজামী ভাই বলতাম। আমার কনিষ্ঠ কন্যার বিয়েতে তিনিই আমার পক্ষ থেকে কন্যা সম্প্রদান করেন। ড. শফিকুর রহমান সম্পর্কে বিস্তারিত বলার আগে এরকম দু-তিনটি গৌরচন্দ্রিকার প্রয়োজন আছে। পারস্পরিক মতবিনিময়ের জন্য শহীদ আবদুল কাদের মোল্লা এবং শহীদ মুহাম্মদ কামারুজ্জামান মাঝে মাঝেই আমার বাসায় আসতেন। তখন আমি রামপুরার উলনে থাকতাম। কামারুজ্জামানের সাংবাদিক কলোনির ৬ তলা বাসায়ও আমি একাধিকবার গিয়েছি। মকবুল আহমাদকে আমীর হওয়ার আগে দৈনিক সংগ্রাম অফিস ভবনে অনেক কাগজপত্র ও ম্যাগাজিন নিয়ে গবেষণা করতে দেখেছি এবং আমার সাথে দু-চারটি বাক্যবিনিময়ও হয়েছে।
অন্যদের কথা আর বললাম না। ডা. শফিকুর রহমান যেদিন জামায়াতের আমীর নির্বাচিত হন, সেদিন আমার ছোট ভাই (মাহমুদুর রহমান মান্না) আমাকে বলে যে, এবারের জামায়াত আমীর একটি খাঁটি সোনা। অর্থাৎ অত্যন্ত আদর্শনিষ্ঠ হবেন। প্রশ্ন করলাম- কীভাবে তুই বুঝলি? ওর উত্তর হলো, উনি জাসদ করতেন। আমিও জাসদ করতাম। তখন একটি উদাহরণ দিল। বলল, যারা শুধুমাত্র জন্মসূত্রে মুসলমান, তাদের চেয়েও যারা প্রচুর বইপত্র পড়াশোনা করে অন্য ধর্ম থেকে ইসলাম ধর্মে রূপান্তরিত হন, তারা সাচ্চা মুসলমান হন। ডা. শফিকুর রহমান জাসদ ছাত্রলীগের মতো একটি সমাজতান্ত্রিক দল থেকে ইসলামী ছাত্রশিবিরে যোগ দেন। এক মেরু থেকে সম্পূর্ণ বিপরীত মেরুতে যারা আসেন, তারা প্রচুর লেখাপড়া করে আদর্শিক ভিত্তিকে অত্যন্ত মজবুত করেই আসেন। আমি ডা. শফিকুর রহমান সম্পর্কে এটুকুই জানতাম।
দিনকাল সঠিক মনে নেই। তবে করোনার সময় অথবা তার আগে জঙ্গিবাদী সংগঠনে জড়িত হওয়ার অভিযোগে তার চিকিৎসক পুত্রের গ্রেফতার হওয়ার খবর পত্রিকায় পড়েছিলাম। যতদূর মনে পড়ে, গোপনে জঙ্গিবাদে পৃষ্ঠপোষকতার বানোয়াট অভিযোগে শেখ হাসিনা আমীরে জামায়াত ডা. শফিকুর রহমানকেও গ্রেফতার করেছিলেন।
জামায়াত সম্পর্কে খুব বেশি কিছু জানার সুযোগ ছিল না। কারণ বাংলাদেশের প্রায় সমস্ত গণমাধ্যম জামায়াত সম্পর্কে ভিত্তিহীন এলার্জিতে ভুগতো এবং তাদের খবরাখবর ব্ল্যাকআউট করতো। যেটুকু ছাপতো, সেটিও জামায়াত ও শিবিরের ইমেজ টার্নিশ করার জন্য।
গত বছরের ৫ আগস্ট। জুলাই বিপ্লবের সমাপ্তি দিবসে সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান রাজনীতিকদের সাথে ক্যান্টনমেন্টে এক বৈঠকে মিলিত হন। বৈঠকের আগের রাত, অর্থাৎ ৪ আগস্ট দিবাগত রাত ১২টা ২০ মিনিটে তিনি সাবেক মেজর জেনারেল এবং বর্তমানে বিএনপি চেয়ারপারসনের প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা ফজলে এলাহী আকবরকে টেলিফোন করেন। তিনি জেনারেল আকবরকে অনুরোধ করেন যে, আগামীকাল (৫ অগাস্ট) তিনি কয়েকজন সিনিয়র পলিটিক্যাল লিডারের সাথে বসতে চান। এই টেলিফোন কল আভাস দেয় যে, পরদিন যে শেখ হাসিনা গদি ছাড়বেন অথবা ছাড়ানো হবে, সেটি ওয়াকার সাহেব জানতেন অথবা ঘটনা ঘটার অনুঘটক ছিলেন। অবশ্য পরদিন, অর্থাৎ ৫ আগস্ট সকাল ঠিক সাড়ে ১০টায় তাকে ফোন করেন ভারতের সেনাপ্রধান জেনারেল উপেন্দ্রনাথ ত্রিবেদী। ভারতীয় গণমাধ্যম সূত্রে জানা যায় যে, তিনি (জেনারেল ত্রিবেদী) নাকি এ বিষয়টি নিশ্চিত হতে চান যে, শেখ হাসিনার কোনো শারীরিক ক্ষতি যেন না হয়। যাই হোক, এগুলো মূল আলোচনার সাথে প্রাসঙ্গিক নয়। তাই ফিরে যাচ্ছি ডা. শফিকুর রহমানের কথায়।
ক্যান্টনমেন্টের ঐ মিটিং শেষে সাংবাদিকরা জেনারেল ওয়াকারকে প্রশ্ন করেন- কারা তার বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন? তিনি সর্বপ্রথম যার নামটি করেন, তিনি হলেন আমীরে জামায়াত ডা. শফিকুর রহমান। সাংবাদিকদের সাথে আলোচনার সময় তিনি আরেকবার আমীরে জামায়াতের নাম উল্লেখ করেন।
সত্যি কথা বলতে কী, ঐ দিন সারা দেশের কোটি কোটি মানুষের একটি অংশ রাজপথে ছিলেন আর আরেকটি অংশের চোখ টেলিভিশনের পর্দায় নিবদ্ধ ছিল। অনেকে বিস্মিত হয়ে টেলিফোনে একে অন্যের সাথে আলাপচারিতায় জানতে চান- জেনারেল ওয়াকার সর্বাগ্রে জামায়াতে ইসলামী তথা আমীরে জামায়াতের নাম উল্লেখ করলেন কেন? এই ‘কেনর’ উত্তর একমাত্র ওয়াকার সাহেবই দিতে পারেন। তবে আমার সুদীর্ঘ সাংবাদিক জীবনের অভিজ্ঞতা আমাকে বলল যে, জামায়াত এবং তার আমীর ডা. শফিকুর রহমান এবার লাইম লাইটে এলেন।
এরপর এক বছর কেটে গেল। এর মধ্যে তাকে দেখলাম, সাংগঠনিক সফরে দেশের এক প্রান্ত থেকে আরেক প্রান্তে তিনি উল্কার মতো ছুটে বেড়াচ্ছেন। এর পাশাপাশি আরেকটি খবরও পাওয়া গেল যে, বাংলাদেশের অনেক স্থানে বিএনপির নেতাকর্মীরা জলমহাল দখল, হাটবাজার দখল, বাস টার্মিনাল দখল অর্থাৎ ব্যাপক চাঁদাবাজিতে লিপ্ত হয়েছে। আমি ৮টি দৈনিক সংবাদপত্র রাখি। বিগত ১ বছরে জামায়াত বা শিবিরের বিরুদ্ধে এরকম কোনো অভিযোগ আমার চোখে পড়েনি। জামায়াত-শিবির সম্পর্কে সারা দেশের মানুষেরই ছিল গভীর ঔৎসুক্য। অসংখ্য টেলিভিশন চ্যানেল আমীরে জামায়াতের ইন্টারভিউ নেয়। তারা তাকে প্রশ্নবানে জর্জরিত করেন। কিন্তু ডা. শফিকুর রহমানের তাৎক্ষণিক কিন্তু অচঞ্চল জবাবে সাক্ষাৎকার গ্রহণকারীরাই আউটস্মার্টেড হয়ে যান। বিগত ১ বছরে জামায়াতের ইমেজ একটি ক্যাডার বেজড্ সংগঠন থেকে জনভিত্তিক সংগঠনে ধীরে ধীরে রূপান্তরিত হচ্ছে।
ফিরে আসছি গত ১৯ জুলাইয়ের জাতীয় সমাবেশে। এই জাতীয় সমাবেশের বিশালতা সম্পর্কে আমি মাত্র একটি লাইন বলবো। সেটি হলো, ১৯৭১ সালের ৭ মার্চ রেসকোর্স ময়দানের জনসভা আমি দেখেছি। ২০২৫ সালের সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের জনসভা তার চেয়ে কোনো অংশে ছোট নয়, বরং এর চেয়েও বিশাল।
আমীরে জামায়াত বেশিক্ষণ বক্তব্য রাখতে পারেননি। বক্তব্য শুরু করার কয়েক মিনিটের মধ্যেই তিনি পড়ে যান। লাখ লাখ মানুষের মতো আমিও আতঙ্কিত হয়ে পড়ি। তিনি আবার উঠে দাঁড়ান। আবার দু-এক মিনিট পর পড়ে যান। ইতোমধ্যে কর্মীরা এবং চিকিৎসকরা তাকে আর বক্তব্য রাখতে বারণ করেন। কিন্তু তার একটি বক্তব্য আমার স্তম্ভিত চেতনার ওপর এক বিদ্যুৎ প্রহার। তিনি দৃঢ়কণ্ঠে বলেন, “আল্লাহ যার যেখানে যখন মউত লিখে রেখেছেন, তার এক মিনিট আগে বা এক মিনিট পরেও তিনি মরবেন না। ঐ নির্ধারিত সময়ই তিনি মারা যাবেন।
আমি হতভম্ব হয়ে লক্ষ করলাম, তিনি মঞ্চে বসে দুই পা বিছিয়ে দিয়ে বক্তব্য শেষ করলেন এবং শেষ করলেন দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠিন হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে। ঐ দিন সন্ধ্যার পরই তিনি ইবনে সিনা হাসপাতালে ভর্তি হন। ডাক্তাররা তার প্রাথমিক চিকিৎসা করে ছেড়ে দিলে ঐ রাতেই তিনি বাসায় ফেরেন।
এরপর শোনা গেল তার হৃদরোগের কথা। আমি তখন পেছনে ফিরে দেখলাম যে, ১৯ জুলাই মঞ্চে তিনি দুবার পড়ে গেছেন সম্ভবত হৃদরোগের কারণে। কিন্তু আমার ধারণা, সর্বশক্তিমান আল্লাহ তায়ালা তাকে আরো কিছু দিন বাঁচিয়ে রাখতে চান বাংলাদেশের সব মানুষ বিশেষভাবে মুসলিম জনগোষ্ঠীর খেদমত করার জন্য। তারপর আবার তিনি সাংগঠনিক সফরে বের হন।
এবার তার বাইপাস সার্জারি প্রসঙ্গ। ওবায়দুল কাদের থেকে মির্জা ফখরুল এবং শীর্ষ পর্যায় থেকে মধ্যম পর্যায় পর্যন্ত প্রায় সব রাজনৈতিক নেতা- যাদের সামর্থ্য আছে, তারা চিকিৎসার জন্য থাইল্যান্ডের বামরুনগ্রাদ অথবা সিঙ্গাপুরের মাউন্ট এলিজাবেথ হাসপাতালে যান। যখন ডা. শফিকুর রহমানের হৃদযন্ত্রে ৫টি ব্লক ধরা পড়ে, তখন ইউনাইটেড হাসপাতালের কার্ডিয়াক সার্জন বলেন যে, অবিলম্বে তার বাইপাস করতে হবে। তার দল এবং দলের বাইরের শুভানুধ্যায়ীরা সুপারিশ করেন যে, সার্জারির জন্য তাকে বিদেশে নেওয়া হোক।
সকলকে অবাক করে দিয়ে আমীরে জামায়াত ডা. শফিকুর রহমান দৃঢ়কণ্ঠে বলেন যে, তিনি দেশেই অপারেশন করাবেন। কারণ দেশের চিকিৎসক এবং সার্জনদের ওপর তার সম্পূর্ণ আস্থা রয়েছে এবং অবশেষে সেই ইউনাইটেড হাসপাতালের কার্ডিয়াক সার্জন ডা. জাহাঙ্গীর কবিরের নেতৃত্বে গঠিত টিম সফলভাবে তার ৫টি ব্লকের মধ্যে ৪টিরই বাইপাস করেন। ডা. জাহাঙ্গীর কবির বলেন যে, সর্বাধুনিক প্রযুক্তিতে অত্যন্ত সফলভাবে তার সার্জারি হয়েছে। ইনশাআল্লাহ, ৭ দিনের মধ্যেই সুস্থ হয়ে তিনি ঘরে ফিরতে পারবেন।
বিদেশে না গিয়ে দেশেই চিকিৎসা করার এবং দেশীয় চিকিৎসকদের ওপর প্রবল আস্থার যে ঐতিহাসিক এবং বিরল দৃষ্টান্ত আমীরে জামায়াত সৃষ্টি করলেন, সেটি আমাকে মনে করিয়ে দেয় মালয়েশিয়ার কিংবদন্তি সাবেক প্রধানমন্ত্রী মাহাথির মোহাম্মদের কথা। মাহাথির মোহাম্মদের এই কাহিনীটি আমাকে বলেছেন পিজি হাসপাতালের কার্ডিয়াক বিভাগের সাবেক প্রধান এবং বর্তমানে আনোয়ার খান মডার্ন মেডিকেল কলেজের কার্ডিওলজি বিভাগের প্রধান প্রফেসর সিরাজুল হক। কাহিনীটি সংক্ষেপে নিম্নরূপ।
মাহাথির মোহাম্মদের বুকে তীব্র ব্যথা হলে তাকে কুয়ালালামপুর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হলো। পরীক্ষা করে ধরা পড়লো তার ধমনিতে চর্বি জমে ব্লক হয়ে গেছে। এজন্য অ্যাঞ্জিওপ্লাস্টি করতে হবে। কিন্তুঅ্যাঞ্জিওপ্লাস্টি করার সুবিধা মালয়েশিয়ায় তেমন ভালো ছিল না। ডাক্তাররা তাকে পাশের দেশ সিঙ্গাপুরের মাউন্ট এলিজাবেথ হাসপাতালে যাওয়ার পরামর্শ দেন। কিন্তু মাহাথির মোহাম্মদ বেঁকে বসলেন। ডাক্তারদের বললেন, কোনো দেশের রাষ্ট্রপ্রধান যদি অন্য দেশে চিকিৎসা নিতে যান, এর অর্থই হলো তার নিজ দেশের চিকিৎসা ব্যবস্থা একদমই ভালো না। এটা তার ব্যর্থতা। বিদেশে গিয়ে আমি চিকিৎসা করাতে পারলেও আমার জনগণের তো সে সামর্থ্য নেই। আপনারা বলুন, কতদিনের ভেতর উন্নত অ্যাঞ্জিওপ্লাস্টি প্রযুক্তি দেশে আনতে পারবেন? ডাক্তাররা অনেকবার তাকে বোঝালেন। কিন্তু মাহাথির মোহাম্মদ তার সিদ্ধান্তে অটল। উপায়ন্তর না দেখে মালয়েশিয়ার চিকিৎসকরাই করলেন তার হার্ট বাইপাস সার্জারি। সুস্থ হলেন তিনি।
এ ঘটনার ৩ বছর পর ১৯৯২ সালেই মাহাথির মোহাম্মদের চেষ্টায় স্থাপিত হয়েছিল ন্যাশনাল হার্ট ইনস্টিটিউট অব মালয়েশিয়া। আরো দুবার হার্ট অ্যাটাক হয়েছিল তার। প্রতিবারই তিনি চিকিৎসা নিয়েছিলেন তার নিজের প্রতিষ্ঠিত হার্ট ইনস্টিটিউটে।
আমরা কেন পারি না। কেন আমাদের পাশের দেশে দৌড়াতে হয়? কেন আমাদের এত অর্থের অপচয় হয়? এমপি, মন্ত্রী, বিত্তবানরা একটু মাথাব্যথা হলেও দেশের বাইরে আর গরিব সাধারণ আমজনতার চিকিৎসার জন্য উন্নত সাশ্রয়ী কোনো ব্যবস্থা নেই।
এ ব্যাপারে আমার বলার কিছু নেই। শুধু বলব, আমীরে জামায়াত ডা. শফিকুর রহমান দীর্ঘজীবী হোন। হ্যাটস্ অব টু আমীরে জামায়াত ডা. শফিকুর রহমান আপনাকে স্যালুট। আপনার এ ভূমিকায় আপনি হলেন আরো বর্ণিল। দেশবাসীর ভালোবাসায় হলেন আরো সিক্ত।