জুলাই অভ্যুত্থানে মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে ১৭ নভেম্বর শেখ হাসিনাসহ তিন আসামির বিরুদ্ধে রায় দেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। রায়ে শেখ হাসিনা ও তার সময়কার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালকে মৃত্যুদণ্ড দেয়া হয়। আর রাজসাক্ষী হওয়া পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজিপি) চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুনের কারাদণ্ড হয় পাঁচ বছরের। শেখ হাসিনা ও কামাল ৫ আগস্টের পর থেকে ভারতে অবস্থান করছেন।
একই পরিকল্পনার কথা তিনি শোনান রায়ের তিনদিন পরও। বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, ‘মানবতাবিরোধী অপরাধের জন্য মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আওয়ামী লীগ নেত্রী শেখ হাসিনা এবং সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল—ওনাদের প্রত্যর্পণের জন্য আমরা চিঠি দিচ্ছি।
‘পাশাপাশি ওনাদের প্রত্যর্পণ করার জন্য, যেহেতু ওনারা এখন দোষী সাব্যস্ত, মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত, কাজেই আমরা মনে করি ভারতের এখন বাড়তি দায়িত্ব রয়েছে তাদের ফেরত দেয়ার।’
আইন উপদেষ্টার এ বক্তব্যের পরের দিনই চিঠি পাঠানো হয় বলে জানালেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা।
হাসিনাকে ফেরাতে এর আগে ভারতকে অন্তর্বর্তী সরকার চিঠি পাঠায় গত ডিসেম্বরে; ট্রাইব্যুনালে শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে মামলার বিচারকাজের শুরুতে।
এর মধ্যে বিচারকাজ শেষে রায় হয়ে গেলেও চিঠির কোনো জবাব দেয়নি ভারত সরকার।
ঢাকার পাঠানো চিঠির বিষয়ে গত মাসে এক প্রশ্নে ভারতের পররাষ্ট্র সচিব বিক্রম মিশ্রি বলেছিলেন, ‘আইনি বিষয়গুলো দিল্লি পর্যালোচনা করে দেখছে।’