অন্য জমির ফসল

পাঁচটি জরিপে প্রার্থী তালিকা চূড়ান্ত করেছে বিএনপি

সোনার বাংলা অনলাইন
৫ নভেম্বর ২০২৫ ১০:৪৩

পত্রিকা

৫ নভেম্বর ঢাকা থেকে প্রকাশতি বেশিরভাগ সংবাদপত্রে জাতীয় নির্বাচনের খবর গুরুত্ব সহকারে প্রকাশ করা হয়েছে। এছাড়া গণপ্রতিনিধিত্ব অধ্যাদেশের গেজেট প্রকাশ, জুলাই সনদ নিয়ে তোড়জোড় না থাকা, বিএনপির প্রার্থী তালিকা ঘিরে নানা ঘটনার খবর রয়েছে সংবাদপত্রের পাতায়। বাংলাদেশে বিনিয়োগ কমে যাচ্ছে, এ নিয়েও একটি খবর রয়েছে।
যেভাবে প্রার্থী বাছাই হলো বিএনপি’র, এটি মানবজমিনের শিরোনাম। এই প্রতিবেদনটিতে বলা হচ্ছে, দলীয় প্রার্থীর নাম জানতে সারা দেশের নেতাকর্মীরা মুখিয়ে ছিলেন। ছিল নানা শঙ্কাও। দলের একক প্রার্থীর নাম ঘোষণার পর সম্ভাব্য অন্য প্রার্থীরা কেমন প্রতিক্রিয়া দেখান তা নিয়ে দলের হাইকমান্ডও চিন্তিত ছিলেন। এ কারণে প্রার্থী বাছাইয়ে নেয়া হয় সর্বোচ্চ সতর্কতা।
সময় নিয়ে যাচাই-বাছাই করা হয় প্রার্থীদের তথ্য। পাঁচ স্তরের বাছাইয়ের পর প্রাথমিকভাবে প্রার্থী চূড়ান্ত হয়। এ কারণে প্রার্থী ঘোষণা করার পরও বড় কোনো প্রতিক্রিয়া হয়নি তৃণমূলে। দুই একটা ব্যতিক্রম ছাড়া প্রার্থীদের নিয়ে বড় কোনো প্রশ্ন ওঠেনি।
নেতিবাচক তথ্য পাওয়ায় মাদারীপুর-১ আসনের প্রার্থী স্থগিত করা হয়েছে তাৎক্ষণিকভাবে। চট্টগ্রামে বঞ্চিত এক প্রার্থীর পক্ষে বিক্ষোভ করায় দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে চারজনকে।
ওদিকে দলীয় প্রার্থী ঘোষণার পর বিএনপি’র তৃণমূলে এখন নির্বাচনী আবহ তৈরি হয়েছে। উজ্জীবিত নেতাকর্মীরা। দল ঘোষিত প্রার্থী ও তাদের কর্মী-সমর্থকরা ইতিমধ্যে প্রচার-প্রচারণা শুরু করে দিয়েছে। প্রার্থীরা শুভেচ্ছা বিনিময় করেছেন নিজ নিজ এলাকায়।
দলীয় সূত্র জানায়, পাঁচটি জরিপের মধ্যদিয়ে ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের জন্য দলের প্রাথমিক প্রার্থী তালিকা চূড়ান্ত করা হয়।
বণিক বার্তার শিরোনাম ‘সরকারি সফরের বেশির ভাগ দেশ থেকে বিনিয়োগ কমেছে’। খবরে বলা হচ্ছে, পুঞ্জীভূত প্রত্যক্ষ বিদেশি বিনিয়োগ বা এফডিআই স্টক বিবেচনায় বাংলাদেশে বিনিয়োগের শীর্ষ উৎস দেশ যুক্তরাজ্য। কিন্তু দেশটি থেকে ২০২৩-২৪ অর্থবছরের তুলনায় ২০২৪-২৫ অর্থবছরে প্রত্যক্ষ বিদেশি বিনিয়োগের (এফডিআই) নিট প্রবাহ কমেছে ৪০ দশমিক ৭১ শতাংশ।
যদিও চলতি বছর মার্চে দেশটি সফর করেন বিনিয়োগ আকৃষ্ট করার কাজে নিয়োজিত সংস্থা বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা) নির্বাহী চেয়ারম্যান চৌধুরী আশিক মাহমুদ বিন হারুন। লন্ডনে অবস্থানকালে যুক্তরাজ্য সরকারের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেন তিনি। এছাড়া শীর্ষস্থানীয় ব্রিটিশ কোম্পানি ও প্রবাসী বাংলাদেশিদের সঙ্গেও একাধিক বৈঠক হয় চৌধুরী আশিকের।
প্রধান উপদেষ্টা দায়িত্ব গ্রহণের পর গত বছরের সেপ্টেম্বরে যুক্তরাষ্ট্র সফরে যান। সেখানে তিনি বাংলাদেশে ব্যবসা সহায়ক পরিবেশ সৃষ্টি, আর্থিক খাতে প্রয়োজনীয় সংস্কার বাস্তবায়নের কথা তুলে ধরেন। এছাড়া তিনি বাংলাদেশে কোনো বিদেশি ব্যবসায়িক স্বার্থ ক্ষতিগ্রস্ত হবে না বলেও আশ্বাস দেন।
এরপর বিডার নির্বাহী চেয়ারম্যান যুক্তরাষ্ট্র সফরে যান চলতি বছরের জানুয়ারিতে। সেখানে তিনি লুইজিয়ানাভিত্তিক জ্বালানি প্রতিষ্ঠান আর্জেন্ট এলএনজির সঙ্গে জ্বালানি সরবরাহবিষয়ক চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন। বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে দেশে যুক্তরাষ্ট্র থেকে যে বিনিয়োগ এসেছে তার চেয়ে বেশি প্রত্যাবাসিত হয়েছে।
‘রাজনৈতিক বিরোধ না মিটিয়ে আরপিও সংশোধন গেজেট’ সমকালের শিরোনাম। খবরে বলা হচ্ছে, জোটবদ্ধ হয়ে এক দলের প্রতীকে অন্য দলের প্রার্থীর নির্বাচনের সুযোগ বন্ধ হয়ে গেল।
এ নিয়ে রাজনৈতিক মতবিরোধ না মিটলেও উপদেষ্টা পরিষদে অনুমোদনের পর নির্বাচন-সংক্রান্ত আইন গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশের (সংশোধন) অধ্যাদেশের গেজেট জারি করা হয়েছে। ফলে আগামী সংসদ নির্বাচনে নিজ দলের প্রতীকেই নির্বাচন করতে হবে সব প্রার্থীকে।
এ ছাড়া গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও) সংশোধন করে নির্বাচনী আইনে আরও কিছু পরিবর্তন আনা হয়। একজন প্রার্থী মনোনয়নপত্র দাখিলের সাত দিন আগে থেকে এবং নির্বাচিত হয়ে পুরো পাঁচ বছরের মধ্যে ঋণখেলাপি হলে তাঁর আসন শূন্য হয়ে যাবে।
পাশাপাশি পলাতক (ফেরারি) আসামিকে প্রার্থী হওয়ার অযোগ্য এবং অনলাইনে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার সুযোগ বন্ধ করা হয়েছে। এ ছাড়া আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সংজ্ঞা পরিবর্তন করে সশস্ত্র বাহিনীকে যুক্ত করা হয়েছে, আংশিক ফিরছে ‘না’ ভোট। শুধু একক প্রার্থী থাকলেই ‘না’ ভোট দেওয়ার সুযোগ পাওয়া যাবে।
জামানতের পরিমাণ বাড়িয়ে ৫০ হাজার টাকা পুনর্নির্ধারণ, দল আচরণবিধি লঙ্ঘন করলে সর্বোচ্চ দেড় লাখ টাকা জরিমানা, আইটি সাপোর্টেড পোস্টাল ভোটিং পদ্ধতি চালু করা, অনিয়মের কারণে পুরো আসনের ভোট বাতিলের বিধান, এআইয়ের অপব্যবহারকে নির্বাচনী অপরাধ হিসেবে গণ্য করা এবং হলফনামায় অসত্য তথ্য (ভোটে অযোগ্য এমন) দিলে নির্বাচিত হওয়ার পরও ইসি ব্যবস্থা নিতে পারবে বলে সংশোধিত আরপিওতে বলা হয়েছে।
তবে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি বা সদস্য থাকলেও প্রার্থী হওয়ার অযোগ্য হবেন- এমন প্রস্তাব বাদ দেওয়া হয়েছে।
যুগান্তরের শিরোনাম ‘দেশজুড়ে নির্বাচনি দামামা’। খবরে বলা হচ্ছে, জাতীয় নির্বাচনসহ কয়েকটি ইস্যুতে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে যে শঙ্কা-সন্দেহ ও মতবিরোধ ছিল, তা ধীরে ধীরে কমতে শুরু করেছে। সরকারের আনুষ্ঠানিক ও অনানুষ্ঠানিক মধ্যস্থতায় বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী ও এনসিপি এখন ঐকমত্যের খুব কাছাকাছি অবস্থান করছে। সমাধানের পথে জাতীয় জুলাই সনদ ও গণভোট ইস্যু।
এমন পরিস্থিতিতে সোমবার ২৩৭ আসনে বিএনপি সম্ভাব্য একক প্রার্থী ঘোষণা করায় মুহূর্তে পালটে যায় মাঠের চিত্র। একই দিন এনসিপিও প্রার্থীদের একটি প্রাথমিক আংশিক তালিকার খসড়া ঘোষণা করেছে।
এর আগে জামায়াতও প্রার্থীদের একটি প্রাথমিক তালিকা ঘোষণা করে। সব দলের অধিকাংশ প্রার্থী আসনভিত্তিক প্রচারণায় ব্যস্ত সময় পার করছেন। অন্যদিকে নির্বাচন কমিশনও ভোটের জন্য প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ নিয়েছে।
অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠানের লক্ষ্যে প্রস্তুত আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। পুলিশ, র‌্যাব, বিজিবি, আনসার, নৌ ও বিমানবাহিনীর বিপুলসংখ্যক সদস্যের পাশাপাশি থাকবেন ৯০ হাজার সেনা সদস্য। সব মিলিয়ে দেশজুড়ে বেজে উঠেছে নির্বাচনি দামামা।
‘বিএনপির মনোনয়নে ভারসাম্য রক্ষার চেষ্টা, বিতর্কও আছে’ এটি প্রথম আলোর শিরোনাম। খবরে বলা হচ্ছে, ২৩৭টি আসনে ঘোষিত বিএনপির প্রার্থী তালিকাকে ‘ভারসাম্য’ রক্ষার প্রয়াস হিসেবে দেখছেন বিএনপির নীতিনির্ধারকেরা।
এতে অভিজ্ঞ নেতারা যেমন আছেন, তেমনি বিপুলসংখ্যক তরুণ মুখও রয়েছেন। তবে প্রার্থী তালিকায় এমন কিছু নামও এসেছে, যাঁদের নিয়ে আগে থেকে বিতর্ক বা প্রশ্ন রয়েছে।
সব মিলিয়ে মনোনয়ন ঘিরে নেতা-কর্মীদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়েছে। বিএনপির শীর্ষ নেতৃত্ব এখন মাঠের প্রতিক্রিয়া পর্যবেক্ষণ করছেন।
বিএনপি গত সোমবার আনুষ্ঠানিকভাবে ২৩৭ আসনে দলীয় প্রার্থীর নাম ঘোষণা করে। হিসাবে দেখা যায়, প্রার্থী তালিকার ৮৩ জন তরুণ প্রার্থী। এর মধ্য দিয়ে বিএনপি ভবিষ্যৎ রাজনীতির চিন্তার চাপ দেখানোর চেষ্টা করছে।
তবে দলের নেতারা বলছেন, তরুণ প্রার্থীদের বেশির ভাগকে প্রার্থী হিসেবে বিবেচনা করা হয়েছে বিগত আন্দোলনে ভূমিকা দেখে।
তবে প্রার্থী তালিকায় নতুনদের অনেকের পারিবারিক রাজনৈতিক পটভূমি রয়েছে-যেমন বাবা সংসদ সদস্য ছিলেন বা স্বামী জনপ্রতিনিধি ছিলেন। ২৩৭ জনের মধ্যে নারী প্রার্থী মাত্র ১০ জন, সংখ্যালঘু প্রার্থী মাত্র ৪ জন।
‘জুলাই সনদে সমঝোতা: হেলদোল নেই দলগুলোর’, এটি আজকের পত্রিকার শিরোনাম। খবরে বলা হচ্ছে, জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন আদেশ নিয়ে নিজেদের অনৈক্য – বিভেদ দূর করে সমঝোতার জন্য রাজনৈতিক দলগুলোকে এক সপ্তাহ সময় বেঁধে দিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার।
এর মধ্যে আজ বুধবার কেটে যাচ্ছে দুই দিন। কিন্তু এ সংকট নিরসনে দলগুলোর মধ্যে কোনো হেলদোল আছে বলে মনে হচ্ছে না। দলগুলোর পক্ষ থেকে গতকাল মঙ্গলবার পর্যন্ত আলোচনার কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি।
সরকারের অনুরোধের এক দিন আগে জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে অন্য দলগুলোর প্রতি আলোচনার আহ্বান জানানো হয়েছিল মুখে মুখে। কিন্তু এ আহ্বান বাস্তবায়নে গতকাল পর্যন্ত কার্যত কোনো উদ্যোগ নেয়নি দলটি। জামায়াত তবু আহ্বান জানিয়েছে।
বিএনপি নিজের দিক থেকে কোনো কথা বলেনি , উদ্যোগও নেয়নি। বরং সরকারের আহ্বানে দলটি সাড়া দিতে চাইছে না বলে দলটির সূত্র জানিয়েছে। আর সংকট সমাধানে সরকারকে উদ্যোগ নিতে হবে বলে মনে করে জাতীয় নাগরিক পার্টি ( এনসিপি ) ও গণতন্ত্র মঞ্চ।
জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন আদেশ নিয়ে সংকট কাটাতে গত সোমবার জরুরি বৈঠকে বসে উপদেষ্টা পরিষদ। সেই বৈঠকেই সিদ্ধান্ত হয় , এ নিয়ে সরকারের দিক থেকে আর কোনো উদ্যোগ নেওয়া হবে না। এখন রাজনৈতিক দলগুলো নিজেদের মধ্যে আলাপ – আলোচনা করে সমঝোতায় আসুক।
ইংরেজি দৈনিক দ্য ডেইলি স্টারের শিরোনাম ‘BNP juggles seat-sharing, internal feuds’ . খবরে বলা হচ্ছে আসন ভাগাভাগি, অভ্যন্তরীণ কোন্দল নিয়ে বিএনপি দ্বন্দ্বে জড়াচ্ছে।
আংশিকভাবে মিত্রদের সঙ্গে আসন ভাগাভাগির প্রতিশ্রুতি পালনের জন্য এবং কিছুটা শক্তিশালী প্রার্থীদের মধ্যে অভ্যন্তরীণ সংঘর্ষের আশঙ্কায় বিএনপি ৬৩টি আসনে প্রার্থী ঘোষণা করতে পিছপা হয়েছে।
সোমবার ২৩৭ জন সম্ভাব্য মনোনীত প্রার্থীর তালিকা প্রকাশ করার সময়, বিএনপির পাশাপাশি আন্দোলনে অংশগ্রহণকারী মিত্রদের জন্য প্রায় ৩০টি আসন খোলা রেখেছিল দলটি। উপযুক্ত প্রার্থী নির্বাচন করতে অসুবিধার কারণে বাকি ৩৩টি আসন খালি রাখা হয়েছিল।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে বিএনপির স্থায়ী কমিটির একজন সদস্য বলেছেন, ‌আমরা ইতিমধ্যে আমাদের মিত্রদের সাথে আসন ভাগাভাগি নিয়ে আলোচনা শুরু করেছি এবং শীঘ্রই বাকি আসনের জন্য প্রার্থী চূড়ান্ত করব। আমরা বর্তমানে তাদের সম্ভাব্য মনোনীতদের তালিকার জন্য অপেক্ষা করছি।’
এদিকে, বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর গতকাল এক ফেসবুক পোস্টে দলীয় নেতাকর্মীদের নেতৃত্বের প্রতি আস্থা রাখার আহ্বান জানিয়ে আশ্বাস দিয়েছেন, যারা মনোনয়ন পাননি তাদের যথাযথ দায়িত্ব এবং সম্মান দেওয়া হবে।
কালের কণ্ঠের শিরোনাম ‘নির্বাচনী ট্রেনে বিএনপি’। খবরে বলা হচ্ছে, অন্তর্বর্তী সরকার আগামী ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠানের কথা জানালেও এত দিন নির্বাচন নিয়ে নানা ধোঁয়াশার কথা শোনা গেছে।
কিন্তু গত সোমবার সন্ধ্যায় বিএনপি ২৩৭ আসনে ধানের শীষের সম্ভাব্য প্রার্থীদের নাম ঘোষণার পরই পরিস্থিতি সম্পূর্ণ পাল্টে যায়। এর পরই দেশজুড়ে বইতে শুরু করে নির্বাচনী হাওয়া।
সবার মধ্যে একই প্রশ্ন, তাঁর এলাকায় বিএনপির প্রার্থী কে? আর বিএনপির সম্ভাব্য প্রার্থীরাও ঘোষণা পেয়ে ছুটে গেছেন নিজ নিজ এলাকায়। শুরু করেছেন গণসংযোগ। ছুটছেন ভোটারদের সমর্থনের জন্য হাটে, মাঠে, ঘাটে।
দেশের বৃহত্তম ও জনপ্রিয় রাজনৈতিক দল হিসেবে সম্ভাব্য প্রার্থীদের নাম ঘোষণার মাধ্যমে দেশকে নির্বাচনমুখী করে তুলেছে বিএনপি। দেশজুড়ে এখন নির্বাচনী আমেজ।
দীর্ঘদিন ধরে ভোটাধিকারবঞ্চিত সাধারণ মানুষের আলোচনার বিষয়ও এখন নির্বাচন ও ভোট। এ ছাড়া বিএনপি ও জামায়াতের প্রার্থীদের নিয়ে সাধারণ ভোটারদের মধ্যে চলছে নানা বিশ্লেষণ। দলীয় মনোনয়ন পেয়ে বিএনপির অনেক সম্ভাব্য প্রার্থী প্রথমে ছুটে গেছেন মনোনয়নবঞ্চিত প্রার্থীদের বাড়ি।

 

প্রার্থী তালিকা চূড়ান্ত করেছে বিএনপি

ভোট পড়েছে ৫৯.৪৪ শতাংশ: ইসি
১৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১২:২৮

সম্পর্কিত খবর