অন্য জমির ফসল

আজকের পত্রিকা: ‘নতুন সংসদ সদস্যদের শপথ পড়াবেন কে?’

সোনার বাংলা অনলাইন
৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১০:১৮

আজকের পত্রিকা

আজ মঙ্গলবার ৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬। আজ ঢাকা থেকে প্রকাশিত জাতীয় দৈনিকের প্রধান সংবাদগুলো হলো:

‘নতুন সংসদ সদস্যদের শপথ পড়াবেন কে?’ সমকালের শিরোনাম। খবরটিতে বলা হচ্ছে, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ী সদস্যদের শপথ পড়াবেন কে? সংসদ সচিবালয় এর জন্য উপযুক্ত ব্যক্তির খোঁজে নেমেছে।

তবে সংবিধান অনুযায়ী, আগের সংসদের স্পিকারের এই শপথ পাঠ করানোর কথা।

অভ্যুত্থানের পর ২০২৪ সালের ২রা সেপ্টেম্বর জাতীয় সংসদের স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী পদত্যাগ করেন। বিগত সংসদের ডেপুটি স্পিকার শামসুল হক টুকু এখন কারাগারে আছেন। তিনি এখনো পদত্যাগ করেননি।

সংবিধানের ৭৪ (৬) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, নতুন স্পিকার কার্যভার গ্রহণ না করা পর্যন্ত আগের সংসদের স্পিকার বা ডেপুটি স্পিকার নিজ পদে বহাল আছেন বলে গণ্য হবেন।

এ অবস্থায় শপথ পড়ানোর জন্য সংসদ সচিবালয়ের উপযুক্ত ব্যক্তি খোঁজার উদ্যোগ আইনি প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে।

গত ২৮শে জানুয়ারি সংসদ সচিবালয় নবনির্বাচিত এমপিদের কে শপথ পাঠ করাবেন, সে বিষয়ে মতামত চেয়ে সংসদবিষয়ক উপদেষ্টা আসিফ নজরুলের কাছে নথি উত্থাপন করেছে। উপদেষ্টার সম্মতি পেলে এ-সংক্রান্ত সারসংক্ষেপ প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে পাঠানো হবে।

খবরে বলা হচ্ছে, নারী ইস্যুতে তুমুল বিতর্ক। জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে এই ইস্যু এখন এক টার্নিং পয়েন্ট হয়ে উঠেছে।

শনিবার জামায়াত আমীর শফিকুর রহমানের এক্স হ্যান্ডেল থেকে কর্মজীবী নারীদের নিয়ে একটি পোস্টে তোলপাড় চলছে সর্বত্র।

এর আগে নারীদের কর্মঘণ্টা কমিয়ে দেওয়া নিয়ে তার আরও একটি বক্তব্য বিতর্কের ঝড় তুলেছিল।

নারী ইস্যুতে দলটির নেতাদের এমন একের পর এক বক্তব্যে রাজনীতিতেও নতুন মেরূকরণ তৈরি হয়েছে।

দীর্ঘ সময় ধরে জামায়াত দেশের নারীদের টার্গেট করে নির্বাচনী প্রচারণা চালিয়েছে। নারী ভোটারদের নিয়ে বিশেষ পরিকল্পনাও নিয়েছে দলটি।

নারীদের নিয়ে ব্যাপক প্রচারণা ও দলটির প্রতিশ্রুতিতে কেউ কেউ প্রলুব্ধও হয়েছেন। কিন্তু শীর্ষ নেতাদের সাম্প্রতিক বক্তব্যে ক্ষুব্ধ বিভিন্ন নারী সংগঠন এবং সাধারণ নারী ভোটার।

আজকের দৈনিক সংগ্রামের অন্যতম প্রধান একটি খবর  ৮ বছরের গুমের বিচার চাইলেন আযমী রক্তমাখা কাপড়েই নামায পড়তে হয়েছে ছেঁড়া লুঙ্গি গিট্টু দিয়ে পরতে হয়েছিল। এতে বলা হয়েছে

ডিজিএফআইয়ের জেআইসিতে দীর্ঘ আট বছরের গুমজীবনের ভয়াবহ বর্ণনা তুলে ট্রাইব্যুনালের কাছে বিচার চেয়েছেন ভুক্তভোগী ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবদুল্লাহিল আমান আযমী। তিনি জবানবন্দীতে বলেছেন, ঘুমানোর জন্য দেওয়া তোষকে শত শত ছারপোকা ছিল। কামড়ে পুরো শরীর ও কাপড় রক্তাক্ত হয়ে যেত। রক্তমাখা কাপড় নিয়ে নামায পড়তে সমস্যার কথা জানিয়ে আলাদা লুঙ্গি চাইলেও দেওয়া হয়নি। আগে যা দিয়েছিল তা ছিল নিম্নমানের। দীর্ঘদিন ব্যবহারের ফলে ছিঁড়ে গিয়েছিল। ছেঁড়া জায়গায় সেলাই করতে করতে দর্জিও অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছিলেন। এজন্য নিজেই হাতে সেলাইয়ের জন্য সুঁই-সুতা চেয়েছিলাম। কিন্তু তারা দেননি। শেষ পর্যন্ত ছেঁড়া জায়গায় গিট্টু দিয়ে ব্যবহার করতে হয়েছিল।

গতকাল সোমবার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন দুই সদস্যের বিচারিক প্যানেলে গতকাল দ্বিতীয় দিনের মতো জবানবন্দী দেন। প্যানেলের অপর সদস্য বিচারপতি মো. শফিউল আলম মাহমুদ। জবানবন্দী সম্পন্ন হলেও আসামীপক্ষের আইনজীবীদের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে জেরার জন্য আগামী ৫ ফেব্রুয়ারি (বৃহস্পতিবার) দিনধার্য করেছেন ট্রাইব্যুনাল।

এ বিষয়ে আযমী বলেন, অপহরণকারীদের একজনকে আমি চিনতে পেরেছি বলে ট্রাইব্যুনালকে জানিয়েছি। জেআইসিতে রাখা কক্ষটিও আমি চিনতে পেরেছি। কারণ ওই সেলের দক্ষিণে ঢাকা স্টেশন অফিসার্স মেস-বি রয়েছে। অর্থাৎ আমাকে অপহরণের পরদিন ভোরের আলোয় ভেন্টিলেটর দিয়ে সেই পুরাতন মেস দেখতে পেয়েছি। এছাড়া ওখানে কয়েকজন আমাকে নিশ্চিত করেছেন এটা ডিজিএফআইয়ের কয়েদখানা, যা আয়নাঘর নামে পরিচিত।
জবানবন্দীতে আযমী বলেন, ঘুমানোর জন্য দেওয়া তোষকে শত শত ছারপোকা ছিল। কামড়ে পুরো শরীর ও কাপড় রক্তাক্ত হয়ে যেত। রক্তমাখা কাপড় নিয়ে নামায পড়তে সমস্যার কথা জানিয়ে আলাদা লুঙ্গি চাইলেও দেওয়া হয়নি। আগে যা দিয়েছিল তা ছিল নিম্নমানের। দীর্ঘদিন ব্যবহারের ফলে ছিঁড়ে গিয়েছিল। ছেঁড়া জায়গায় সেলাই করতে করতে দর্জিও অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছিলেন। এজন্য নিজেই হাতে সেলাইয়ের জন্য সুঁই-সুতা চেয়েছিলাম। কিন্তু তারা দেননি। শেষ পর্যন্ত ছেঁড়া জায়গায় গিট্টু দিয়ে ব্যবহার করতে হয়েছিল।
তিনি বলেন, আমাকে অপহরণের এক মাস পর ২০১৬ সালের ২১ সেপ্টেম্বর রাত ১১টা ৫০ মিনিটে একজন কর্মকর্তা বলেন- একটি অঘটন ঘটার আশঙ্কায় আপনাকে নিয়ে আসা হয়েছিল। সেই শঙ্কা কেটে গেছে। এখন আপনাকে মুক্তি দেওয়ার সময় এসেছে। তার কাছে জানতে চাইলাম- আমি কি মুক্তির জন্য ঘণ্টা নাকি দিন গুনবো। ওই কর্মকর্তা জবাব দিলেন- আপনি একজন জেনারেল। আপনি নিশ্চয়ই বুঝতে পারেন যে, আপনার ব্যাপারে সিদ্ধান্ত রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ পর্যায় থেকে আসতে হবে। এ ব্যাপারে আমি কিছু বলতে পারবো না।
এর এক মাস পর ১৯ অক্টোবর প্রথমবারের মতো আযমীকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। একই বছরের ২২ অক্টোবর ও ৭ ডিসেম্বর আরও দুবার জিজ্ঞাসাবাদ করেন তারা।
জিজ্ঞাসাবাদ প্রসঙ্গে ট্রাইব্যুনালে এই ভুক্তভোগী বলেন, তারা বিভিন্ন কর্মকর্তার সঙ্গে আমার কথাবার্তা, পরিচয়, সম্পর্ক ইত্যাদি নিয়ে প্রশ্ন করতেন। তবে সবচেয়ে বেশি জানতে চাইতেন জামায়াতের সঙ্গে সম্পর্ক আছে কিনা। এছাড়া ভারতের বিরুদ্ধে ফেসবুকে এত লেখালেখি করি কেন, তা নিয়েও প্রশ্ন করা হতো। জামায়াত প্রসঙ্গে আমি বলি- আমাকে সেনাবাহিনী থেকে বরখাস্ত করার সাত বছর দুই মাস পর আপনারা অপহরণ করেছেন। এই দীর্ঘদিন আপনাদের গোয়েন্দা বাহিনী আমার পেছনে ঘুরেছেন। জামায়াতের সঙ্গে আমার ন্যূনতম সম্পর্কের রিপোর্ট কি আপনাদের কাছে আছে? জিজ্ঞাসাবাদে আরও বলেছি- অন্যান্য দলের মতো জামায়াতে উত্তরাধিকারী সূত্রে কেউ নেতা হন না। আপনারা তো রাজনীতি নিয়ে অনেক গবেষণা করেন। একটি উদাহরণ দেখান, যেখানে জামায়াতের কোনো নেতা উত্তরাধিকার সূত্রে নেতৃত্ব পেয়েছে।

এসব বলার পরও তারা চাপাচাপি করতে থাকেন স্বীকার করার জন্য যে, আমি জামায়াতের আমীর হতে যাচ্ছিলাম। এতে আমি জবাব দেই- আমার বাবা জামায়াতের প্রতিষ্ঠাতা আমীর বটে। তবে ওই দলের সঙ্গে আমার কোনো সম্পর্ক নেই। যেহেতু সম্পর্কই নেই, সেহেতু দলের আমীর হওয়ার প্রশ্ন হাস্যকর। এরপর তারা ভারতের বিরুদ্ধে আমার লেখালেখি নিয়ে অত্যন্ত ক্ষুব্ধ হয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করেন।
তখন কর্মকর্তাদের উদ্দেশে আযমী বলেছিলেন, ভারতের বিরুদ্ধে যদি লেখালেখি দণ্ডনীয় অপরাধ হয়, তাহলে সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা না দিয়ে আদালতে সোপর্দ না করে এখানে অবৈধভাবে আটক রেখেছেন কেন। এছাড়া সেনাবাহিনীর ৩০ বছর চাকরিতে আমাকে শিখিয়েছে যে, ভারত আমাদের প্রধান শত্রু। এটা যদি অপরাধ হয় তাহলে এ সময়জুড়ে সেনাপ্রধানসহ যেসব জেনারেল আমাকে শিখিয়েছেন তারা একই অপরাধে অপরাধী। এমনকি স্বাধীনোত্তর বাংলাদেশে ভারতকে কখনও বন্ধুসুলভ আচরণ করতে দেখিনি আমি।
পরে কর্মকর্তা আমাকে বলেন, আমরা আপনাকে নিয়ে তদন্ত করছি। তদন্ত চলমান পর্যন্ত আপনাকে এখানে থাকতে হবে। জবাবে আমি বলি- কীসের তদন্ত। কোনো অঘটন সংঘটিত হওয়ার পর তদন্ত হয়। তাহলে আপনারা কীসের তদন্ত করছেন? জবাবে কর্মকর্তা বলেন- আপনি লুকিয়ে লুকিয়ে কিছু করেছিলেন কিনা তা তদন্ত করা হচ্ছে। এ কথার পরিপ্রেক্ষিতে তদন্ত কেয়ামত পর্যন্ত শেষ হবে না বলতেই তারা ক্ষুব্ধ আচরণ শুরু করেন।
ওই সময় তাদের কাছে জানতে চাই যে, আপনারা কি আমাকে মেরে ফেলবেন নাকি। জবাবে ক্ষুব্ধ হয়ে বলেন, মেরে ফেলতে চাইলে তো আরও আগেই খাল-বিলে নিয়ে মেরে ফেলতাম।
তিন নম্বর সাক্ষী হিসেবে টানা দুদিন সাক্ষ্য দিয়েছেন আযমী। প্রথম দিনের জবানবন্দীতে সেনাবাহিনী থেকে বরখাস্ত করাসহ কীভাবে, কোথা থেকে গুম করা হয়, তা তুলে ধরেন তিনি। দ্বিতীয় দিনে অবশিষ্ট জবানবন্দী শেষে এ ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের বিচার চেয়ে ট্রাইব্যুনালের কাছে আর্জি জানানো হয়। এছাড়া তার জেরার জন্য আগামী ৫ ফেব্রুয়ারি দিন ধার্য করেছেন আদালত।
চব্বিশের ৫ আগস্টের পর সেনাপ্রধান দেখা করেছিলেন জানিয়ে তিনি বলেন, উনি প্রথমে আমার সঙ্গে হাসপাতালে দেখা করেছেন। এরপর লেফটেন্যান্ট জেনারেল শাহিনের নেতৃত্বে পাঁচ সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেন। তদন্ত প্রতিবেদনের ভিত্তিতে সেনাপ্রধান নিশ্চিত করেন যে, ডিজিএফআই-ই আমাকে অপহরণ করেছিল। শাহিনের উপস্থিতিতে তিনি আমাকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। এছাড়া এটার ওপর ভিত্তি করে তখন কর্মরত তিনজন জেনারেলকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানো হয়েছে। বাকি দুজন আগেই অবসর নিয়েছিলেন।
জেআইসি বা আয়নাঘর পরিদর্শনের বিষয়টিও ট্রাইব্যুনালে বর্ণনা দিয়েছেন আযমী। তিনি বলেন, সেলের যেখানে ভেন্টিলেটর ছিল না, সেখানে দেয়াল ভেঙে ভেন্টিলেটর করা হয়েছে। জানালাগুলো সব কালো রঙ দিয়ে বন্ধ করে রাখা হয়েছিল, যেন বাইরে কিছু দেখা না যায়। ছোট ছোট কক্ষের মধ্যে যেসব দেয়াল ছিল, সেসব ভেঙে বড় দেখানো হয়েছে। লোহার গ্রিলের দরজা ভেঙে কাঠের লাগানো হয়েছে। কক্ষের মান অনেক ভালো দেখানো হয়েছে, যেসব ওরকম ছিল না। ট্রাইব্যুনালে চাওয়া বিচার নিয়ে এই সেনা কর্মকর্তা বলেন, আমাকে অবৈধভাবে অপহরণ করে আট বছর মানবেতর জীবনযাপনে বাধ্য করা হয়েছে। আমার অসুস্থ বিধবা মা, যার দেখাশোনা করতাম, অপহরণের তিন বছর পর তাকেও ধুঁকে ধুঁকে মরতে হয়েছে। স্ত্রী-সন্তানরাও কষ্টে দিন কাটিয়েছেন। আমি এ সবকিছুর জন্য সুবিচার প্রার্থনা করেছি।
২০১৬ সালের ২২ আগস্ট গুমের শিকার হন অবসরপ্রাপ্ত এই ব্রিগেডিয়ার জেনারেল। ২০২৪ সালের ৬ আগস্ট মুক্তি মেলে তার। তবে ২০১৬ সালের ৭ ডিসেম্বরের পর মুক্তির আগ পর্যন্ত আর জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়নি বলে জবানবন্দেিত জানিয়েছেন আযমী।

‘শেষ সময়ে যেনতেন শিক্ষা আইনের চেষ্টা’ প্রথম আলোর শিরোনাম।

খবরে বলা হচ্ছে, অন্তর্বর্তী সরকার মেয়াদের একেবারে শেষ পর্যায়ে এসে হঠাৎ করেই শিক্ষা আইন প্রণয়নের উদ্যোগ নিয়েছে।

মাধ্যমিক শিক্ষা সর্বজনীন করার জোর দাবি থাকলেও, প্রস্তাবিত আইনের খসড়ায় প্রাথমিক শিক্ষাকে পঞ্চম শ্রেণিতেই সীমাবদ্ধ রেখে বাধ্যতামূলক করার কথা হয়েছে।

এটি মূলত ১৯৯০ সালের বিদ্যমান আইনেরই পুনরাবৃত্তি, যা শিক্ষাব্যবস্থা এগিয়ে নেওয়ার ক্ষেত্রে বাধাগ্রস্ত করবে।

শিক্ষাবিদ ও শিক্ষাসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, শিক্ষা আইন করার বিষয়ে আলোচনা চলছে দেড় দশক ধরে। কিন্তু এখন অংশীজনদের সঙ্গে পরামর্শ না করেই যেনতেনভাবে আইনের খসড়া তৈরি করা হয়েছে।

মাত্র ৯ দিন পর ১২ই ফেব্রুয়ারি জাতীয় সংসদ নির্বাচন। এরপর গঠিত হবে নতুন সরকার। এমন পরিস্থিতিতে মতামত নেওয়ার জন্য পহেলা ফেব্রুয়ারি (রোববার) আইনের খসড়াটি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়েছে।

আইনের খসড়ার বিষয়ে মতামত দেওয়ার সময় রাখা হয়েছে মাত্র ছয় দিন, ৭ই ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। এর মধ্যে শুক্র ও শনিবার মিলিয়ে তিন দিনই সরকারি ছুটি।

খবরে বলা হচ্ছে, গণ-অভ্যুত্থান-পরবর্তী শ্রীলংকা ছিল রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা, অর্থনৈতিক ক্ষত ও আস্থাহীনতার এক কঠিন পর্বে দাঁড়িয়ে থাকা দেশ।

অর্থনৈতিক বিপর্যয়, সামাজিক ক্ষোভ ও পুরনো রাজনৈতিক অভিজাতদের প্রতি অনাস্থার মতো পরিস্থিতিতে দাঁড়িয়ে শ্রীলংকার নির্বাচন কমিশন গণ-অভ্যুত্থান-পরবর্তী গণতন্ত্রে ফেরার পরীক্ষায় দারুণভাবে সফল হয়েছে।

নির্বাচনের তফসিলের পর ইলেকশন কমিশন অব শ্রীলংকা (ইসিএসএল) সরকারি প্রভাবমুক্ত নির্বাচন নিশ্চিতে প্রশাসন ও পুলিশকে সরকারের নিয়ন্ত্রণ থেকে নিউট্রালাইজ করে।

সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের রাজনৈতিক কার্যক্রমে অংশগ্রহণ নিষিদ্ধ করা হয়। ক্ষমতাসীন প্রার্থীর প্রশাসনিক সুবিধা ব্যবহারের বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে আপত্তি জানায়।

এমনকি তৎকালীন ক্ষমতাসীন প্রেসিডেন্ট রণিল বিক্রমাসিংহের জমি বণ্টন কর্মসূচি স্থগিতের নির্দেশ দেয় এবং সরকারি কর্মচারীদের বেতন বাড়ানোর ঘোষণাকে নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন হিসেবে প্রকাশ্যে সমালোচনা করে।

পর্যবেক্ষক ও বিশ্লেষকদের মতে, শান্তিপূর্ণ, প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন আয়োজনের এ সক্ষমতা দক্ষিণ এশিয়ার রাজনৈতিক ইতিহাসে ব্যতিক্রমী দৃষ্টান্ত।

খবরে বলা হচ্ছে, চব্বিশের গণ-অভ্যুত্থানের পর গঠিত অন্তর্বর্তী সরকারের সাফল্যের চেয়ে ঘাটতির পাল্লা ভারী বলে জানিয়েছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)।

সংস্থাটি মনে করে, জুলাই আন্দোলন থেকে দেশের রাজনীতিবিদ ও আমলাতন্ত্র কোনো শিক্ষা গ্রহণ করেনি। ফলে দেশের সার্বিক সংস্কারপ্রক্রিয়ায় কাঙ্ক্ষিত অগ্রগতি অর্জন সম্ভব হয়নি।

চব্বিশের ৫ই আগস্ট-পরবর্তী সময়ে মব সন্ত্রাসের কারণে সহিংসতা বেড়েছে।

গত ১৭ মাসে ৬০০টি রাজনৈতিক সহিংসতার ঘটনা ঘটে। এসব সংঘর্ষে ১৫৮ জন রাজনৈতিক কর্মী প্রাণ হারিয়েছেন এবং সাত হাজার ৮২ জন আহত হয়েছেন।

আর নির্বাচনী তফসিল ঘোষণার পর ৩৬ দিনে ১৫ জনের প্রাণহানি ঘটেছে। এই অবস্থায় মব নিয়ন্ত্রণ না করলে আসন্ন নির্বাচনে সহিংসতার আশঙ্কা প্রকাশ করেছে সংস্থাটি।

‘পুলিশও নজরদারিতে’ দেশ রূপান্তরের শিরোনাম।

খবরে বলা হচ্ছে, দুয়ারে কড়া নাড়ছে জাতীয় সংসদ নির্বাচন। সরকার এবং নির্বাচন কমিশনে চলছে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি। ঢেলে সাজানো হয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে।

ঝুঁকিপূর্ণ ভোটকেন্দ্র চিহ্নিত করতে পুলিশের অনুসন্ধান কাজ অব্যাহত থাকলেও তালিকা প্রায় চূড়ান্ত করে আনা হয়েছে। মোট কেন্দ্রের ৬৫ ভাগের মতোই ঝুঁকিপূর্ণ বলে পুলিশের প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।

দেশের বিভিন্ন স্থানে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি অবনতির আশঙ্কা নিয়েও পুলিশ আছে বিশাল দুশ্চিন্তায়। এ নিয়ে কর্মকর্তাদের মধ্যে চলছে চুলচেরা বিশ্লেষণ।

ভোটের দিন দায়িত্ব পালন করবেন যেসব পুলিশ কর্মকর্তা ও সদস্য, তাদের নামের তালিকাও চূড়ান্ত করা হয়েছে। একই সঙ্গে তাদের আনা হচ্ছে নজরদারিতে। পেছনে লাগানো হয়েছে গোয়েন্দা।

‘পুলিশও নজরদারিতে’ দেশ রূপান্তরের শিরোনাম।

খবরে বলা হচ্ছে, দুয়ারে কড়া নাড়ছে জাতীয় সংসদ নির্বাচন। সরকার এবং নির্বাচন কমিশনে চলছে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি। ঢেলে সাজানো হয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে।

ঝুঁকিপূর্ণ ভোটকেন্দ্র চিহ্নিত করতে পুলিশের অনুসন্ধান কাজ অব্যাহত থাকলেও তালিকা প্রায় চূড়ান্ত করে আনা হয়েছে। মোট কেন্দ্রের ৬৫ ভাগের মতোই ঝুঁকিপূর্ণ বলে পুলিশের প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।

দেশের বিভিন্ন স্থানে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি অবনতির আশঙ্কা নিয়েও পুলিশ আছে বিশাল দুশ্চিন্তায়। এ নিয়ে কর্মকর্তাদের মধ্যে চলছে চুলচেরা বিশ্লেষণ।

ভোটের দিন দায়িত্ব পালন করবেন যেসব পুলিশ কর্মকর্তা ও সদস্য, তাদের নামের তালিকাও চূড়ান্ত করা হয়েছে। একই সঙ্গে তাদের আনা হচ্ছে নজরদারিতে। পেছনে লাগানো হয়েছে গোয়েন্দা।

খবরে বলা হচ্ছে, একটি রাজনৈতিক দল দেশের নারীদের অবমাননা ও অপমানিত করছে বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান।

এর বিপরীতে নিজেদের দলের অবস্থান তুলে ধরে তিনি বলেছেন, বিএনপি সরকার গঠন করলে প্রতিটি পরিবারের কাছে, প্রত্যেক মায়ের কাছে ফ্যামিলি কার্ড পৌঁছে দেবে। এর মাধ্যমে আমরা দেশের নারীসমাজকে ধীরে ধীরে স্বাবলম্বী করে গড়ে তোলা হবে, যাতে করে কারও মুখাপেক্ষী হয়ে থাকতে না হয়।

গতকাল সোমবার দুপুরে খুলনার নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তারেক রহমান । পরে তিনি যশোরে জনসভায় বক্তব্য দেন।

খুলনার খালিশপুর প্রভাতি স্কুল মাঠে জনসভায় তারেক রহমান বলেন, “আজকে বাংলাদেশের মা-বোনদেরকে বলব — যারা আপনাদেরকে এভাবে অপমানিত করে, তাদেরকে আপনারা কীভাবে জবাব দেবেন, আজ সে সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় এসেছে”।

নিউ এইজের শিরোনাম ‘Hasina, Tulip, Rouponti, Bobby jailed in two cases’ অর্থাৎ ‘হাসিনা, টিউলিপ, রূপন্তী, ববিকে দুটি মামলায় কারাদণ্ড’।

খবরে বলা হচ্ছে, পূর্বাচলে প্লট বরাদ্দে অনিয়মের দুটি মামলায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, তার ভাগ্নী ও ব্রিটিশ এমপি টিউলিপ সিদ্দিক, ভাগনে রাদওয়ান মুজিব সিদ্দিক ববি এবং আরেক ভাগ্নী আজমিনা হক সিদ্দিক রূপন্তীকে সাজা দিয়েছেন আদালত। সোমবার ঢাকার চতুর্থ বিশেষ জজ আদালত এ আদেশ দেন।

আদালতের বিচারক রবিউল আলম রায়ে, আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ হাসিনাকে প্রতিটি মামলায় পাঁচ বছরের কারাদণ্ড এবং টিউলিপ সিদ্দিককে প্রতিটি মামলায় দুই বছরের কারাদণ্ড দেন।

দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) খান মোহাম্মদ মঈনুল হাসান জানান, পৃথক মামলায় রাদওয়ান ও আজমিনাকে সাত বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

পাশাপাশি আদালত আসামিদরে এক লাখ টাকা করে জরিমানা করেছেন, অনাদায়ে আরও ছয় মাসের কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে। পূর্বাচলে রাদওয়ান ও আজমিনার নামে বরাদ্দকৃত ১০ কাঠার দুটি প্লট বাতিলেরও নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

ইংরেজি দৈনিক দ্য ডেইলি স্টারের শিরোনাম ‘CYBER MERCENARIES go into overdrive’.

খবরে বলা হচ্ছে, গত ২০ ডিসেম্বর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন ছাত্রী ও অ্যাকটিভিস্ট তার সহকর্মীর বিরুদ্ধে সহিংসতার ঘটনা জানিয়ে দেওয়া একটি ফেসবুক পোস্টের স্ক্রিনশট শেয়ার করেন।

শঙ্কিত হয়ে তিনি লিখেছিলেন, “… (নাম গোপন রাখা হয়েছে) ভাইয়ের সুস্থতা নিয়ে আমি সত্যিই চিন্তিত। বিশেষ করে এই কঠিন সময়ে, তার নিরাপত্তার জন্য উদ্বিগ্ন হওয়ার জন্য আপনার মতামত তার মতামতের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ হওয়ার প্রয়োজন নেই। যদি আপনি স্ক্রিনশটে এই ব্যক্তিকে চিনতে পারেন, অথবা তার সাথে যোগাযোগ করার কোনো উপায় থাকে, তাহলে দয়া করে এগিয়ে আসুন এবং আইনি ব্যবস্থা নিন”।

এই প্রতিবেদনটি জমা দেওয়ার সময় বাংলা বা ইংরেজিতে কিছু প্রোফাইল দেখা যায়। যেসব অ্যাকাউন্টের কোনো ছবি বা ব্যক্তিগত বিবরণ পাওয়া যায়নি।

এর মধ্যে টোগোর কোকো খেলিওস ও মাদাগাস্কারের অলিভিয়ের মতো অ্যাকাউন্টের নাম ছিল। পোস্টের সাথে যাদের কোনো সম্ভাব্য সংযোগ ছিল না।

ডেইলি স্টারের অনুসন্ধানে দেখা গেছে, এ ধরনের একজন বাংলাদেশি ছাত্রের পোস্ট কাকতালীয়। এগুলো বট প্রোফাইল যা সহজেই অনলাইনে কেনা যায় বিরোধীদের আক্রমণ করার জন্য বা সমর্থন তৈরি করার জন্য।

ডেইলি স্টার তাদের তদন্তের অংশ হিসেবে, দুই দিনে পাঁচটি ডামি ফেসবুক প্রোফাইল ব্যবহার করে নয়টি মিম পোস্ট থেকে প্রায় ৩০,০০০ প্রতিক্রিয়া সংগ্রহ করে এবং চারটি পৃথক ‘ক্লিক ফার্ম” থেকে সেগুলি সংগ্রহ করা হয়।

পোস্টগুলোতে যেসব প্রোফাইল থেকে ভুয়া প্রতিক্রিয়া দেওয়া হয়ে, তার অনেকগুলোই ডজন ডজন রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব এবং ১২ই ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারী কমপক্ষে ছয়জন প্রার্থীর পেজগুলোতেও সক্রিয় ছিল––এক পক্ষকে সমর্থন করা অথবা অন্য পক্ষকে ট্রোল করার জন্য।

বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে দিয়েছেন যে এই ধরনের বট কার্যকলাপ নির্বাচনের আগে একটি গুরুতর ঝুঁকি তৈরি করে, কারণ এটি প্রায়শই বাস্তবতা থেকে অনেক দূরে ধারণা তৈরি করার জন্য ব্যবহার করা হয়।

এটি মেটার নীতিও লঙ্ঘন করে।

‘প্রবাসী টাকার অদৃশ্য রুট’ নয়াদিগন্তের শিরোনাম।

খবরে বলা হচ্ছে, বাংলাদেশের অর্থনীতির ‘লাইফলাইন’ বলা হয় রেমিট্যান্সকে। কিন্তু সেই রেমিটেন্স্যার বড় একটি অংশ এখন ব্যাংকের কাউন্টার দিয়ে নয়– অলিগলি, মোবাইল ফোন আর গোপন এজেন্ট নেটওয়ার্কের মাধ্যমে প্রবাহিত হচ্ছে।

সৌদি আরব, কুয়েত, কাতার, ওমান, মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুর– প্রবাসী অধ্যুষিত প্রায় সব দেশেই সক্রিয় একটি শক্তিশালী হুন্ডি সিন্ডিকেট। অনুসন্ধানে জানা যায়– এই নেটওয়ার্কের কেন্দ্র দুবাই এবং নিয়ন্ত্রণে রয়েছে ভারতীয় বংশোদ্ভূত সংগঠিত অপরাধচক্র।

হাজার হাজার সাব-এজেন্ট, মানি ট্রান্সফার হাউজ, স্বর্ণ ব্যবসা ও খুচরা বাণিজ্যের আড়ালে চলছে সমান্তরাল অর্থনীতি। ফলে সরকার যেখানে বৈধ পথে রেমিট্যান্স বাড়াতে প্রণোদনা দিচ্ছে, সেখানে বিপুল অঙ্কের ডলার হারিয়ে যাচ্ছে অদৃশ্য রুটে।

মধ্যপ্রাচ্য থেকে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া– বিশ্বজুড়ে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কষ্টার্জিত অর্থ ঘিরে সক্রিয় হয়ে উঠেছে এই শক্তিশালী হুন্ডি সিন্ডিকেট।

আজকের পত্রিকা:

বাংলা সাহিত্যে রোজা
১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১১:০৬

আল মাহমুদের গল্পে প্রেম ও প্রকৃতি
১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১১:০৫

প্রেরণার বাতিঘর : আল মাহমুদ
১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১১:০৪

বাবারা এমনই হয়
১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১১:০৩

সম্পর্কিত খবর