সংবাদ শিরোনামঃ

জাতীয় ঐক্য! ** ন্যায়ের পক্ষে তুরস্ক সাথে আছে মজলুমের দোয়া : জাতির উদ্দেশ্যে এরদোগান ** সন্ত্রাস ও হতাশাগ্রস্ত যুব সমাজ ** জাতীয় দায়িত্ববোধ থেকে ঐক্যের ডাক দিয়েছেন খালেদা জিয়া : মির্জা ফখরুল ** জঙ্গিবাদী কার্ড ও ক্ষমতাসীনদের রাজত্বের মেয়াদ ** সুন্দরবন বাঁচিয়ে বিদ্যুৎ চায় জনগণ ** দলীয় সরকারের অধীনেই আগাম নির্বাচন! ** যারা জঙ্গিবাদের সাথে সম্পৃক্ত তারা ইসলাম ও মানবতার দুশমন ** টার্গেট না থাকায় কর্মসূচিতে স্থবিরতা ** পার্শ্ববর্তী দেশ পানি দিলে আমাদের নদীগুলো ভেসে যায়, না দিলে শুকিয়ে যায় ** জঙ্গিবাদ : মুসলমানরা আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্রের শিকার ** দল মত নির্বিশেষে বন্যার্তদের পাশে দাঁড়ান ** বন্যায় ভাসছে দেশ, খবর নেই তেনাদের ** ইসলাম শান্তি ও নিরাপত্তার ধর্ম ** আইবিসিএফ এর সভা ** বন্যায় ভাসছে শাহজাদপুর॥ পানিবন্দী লাখো মানুষের দুর্ভোগ ** কুষ্টিয়ায় আমলাতান্ত্রিক জটিলতায় আটকে আছে বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল নির্মাণের কার্যক্রম ** হরিপুরে গ্রামীণ রাস্তার বেহাল দশা ** সত্যের সৈনিক মুজাদ্দিদে আলফেসানী **

ঢাকা, শুক্রবার, ২১ শ্রাবণ ১৪২৩, ১ জিলকদ ১৪৩৭, ৫ আগস্ট ২০১৬

কৌশলী ভূমিকায় বিরোধী জোট

টার্গেট না থাকায় কর্মসূচিতে স্থবিরতা

॥ সৈয়দ খালিদ হোসেন॥ 
রাজনীতির মাঠে নতুন কৌশলে এগোতে চাচ্ছে বিএনপি ও তার মিত্ররা। বিএনপির সার্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম ও মিত্র দলগুলোর শীর্র্ষ নেতাদের সঙ্গে এ প্রক্রিয়ায় গত একমাসে দফায় দফায় বৈঠক করেছেন ২০ দলীয় জোট নেতা ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া। বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য, ভাইস চেয়ারম্যান, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও সিনিয়র নেতাদের সঙ্গে বৈঠকের পর পেশাজীবী সংগঠনের শীর্ষ পর্যায়ের কয়েকজন নেতার সঙ্গে একান্ত বৈঠক করেন খালেদা জিয়া। এর মধ্যে ২০ দলীয় জোট নেতাদের সঙ্গেও চলমান পরিস্থিতি নিয়ে বৈঠক করেছেন তিনি। বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ঢাকায় নিযুক্ত বিভিন্ন প্রভাবশালী দেশের রাষ্ট্রদূতদের সঙ্গে এক বিশেষ বৈঠক করেছেন। কূটনীতিকদের সঙ্গে বৈঠকের বিষয় ভিন্ন হলেও বাকি সব বৈঠক বিএনপি দলীয় ও জোটগত কৌশলী নির্ধারণেই অনুষ্ঠিত হয়েছে। টার্গেট কি : একাধিক রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ এখনো বিএনপির সামনে দাঁড়িয়ে আছে। চ্যালেঞ্জগুলো সক্ষমভাবে মোকাবেলা করতে না পারলে দলটি সামনে আরও অন্ধকার আমানিশার চাঁদে এসে দাঁড়াতে পারে বলে আশঙ্কা দলটির প্রবীণ নেতাদের। পাশপাশি বিএনপি ঘরানার বুদ্ধিজীবীরাও মনে করেন, সিদ্ধান্তহীনতা থেকে বেরিয়ে আসতে হবে বিএনপিকে। বিশ্লেষকরা বলছেন, সাধারণ মানুষ ও বিএনপির তৃণমূলের নেতাকর্মীরা বিএনপি এখন কী করবে, এমন প্রশ্নের উত্তর জানতে চায়। মাঠের নেতারাও অনেকটা দিকনির্দেশনা ছাড়াই চলছে। উদ্দেশ্যহীনতার কারণে দলীয় কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করছেন না অনেক বিএনপি নেতা। তৃণমূলে গুরুত্বপূর্ণ পদে না থাকা অনেক নেতাই ক্ষমতাসীন দলের সঙ্গে তাল মিলিয়ে আবার কোথায়ও সরাসরি আওয়ামী লীগের যোগদান করে নিজের পজিশন ও সম্পদ বাঁচিয়ে রাখার কৌশল নিয়েছে। এখনো যারা দোদুল্যমান অবস্থায় রয়েছে তারাও ঠিক কি সিদ্ধান্ত নিলে তাদের জন্যে কল্যাণ হবে সেই প্রয়োজনীয় নির্দেশনা ও পরামর্শ পাচ্ছেন না। বিশ্লেষকরা বলছেন, বিএনপির সামনে শুধুমাত্র দু’টি রাস্তা খোলা রাখা দরকার ছিল। এক. আন্দোলনের মাধ্যমে জনগণের অধিকার রক্ষায় মাঠে সক্রিয় ভূমিকা রাখা। দুই. দেশী-বিদেশী এমন একটি বলয় তৈরি করা যাতে সরকারই বিশেষ বিশেষ পরিস্থিতিতে নিজেদের পক্ষ থেকে আলোচনা বা সংলাপের জন্যে বিএনপিকে আহ্বান জানায়। কিন্তু তৃণমূলরা এই দুইয়ের একটিতেও দেখছে না বিএনপিকে। ফলে মাঠ পর্যায়ের নেতাদের মধ্যে আশার চাইতে হতাশাই বেশি কাজ করছে। জুলাইয়ে বিএনপির অর্জন! এক জুলাই গুলশানের হলিআর্টিজানে দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে ভয়াবহ ও ঘৃণিত সন্ত্রাসী হামলার ঘটনার পর বিএনপিকে বেশ তৎপর মনে হয়েছিল। সন্ত্রাস ও জঙ্গি মোকাবেলায় দলটির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া ক্ষমতাসীন দল ও দেশে বিদ্যমান রাজনৈতিক দলগুলোকে নিয়ে জাতীয় ঐক্যের ডাক দিয়েছিলেন। বিএনপির পক্ষ থেকে এখনো প্রত্যাশা করা হচ্ছে সম্ভাব্য সেই জাতীয় ঐক্য হবে বলে। কিন্তু খালেদা জিয়ার আহ্বানের পরও জনসম্পৃক্ততা রয়েছে এমন কোনো দলের সাড়া পাওয়া যায়নি। জনবিচ্ছিন্ন দু’একটি দল বিএনপির এই আহ্বানের পর অভ্যন্তরীণ আলোচনায় অংশ নিলেও দৃশ্যমান কোনো আলোচনা হয়নি। গুলশানের সন্ত্রাসী হামলার পর ২০ দলীয় জোটের যে বৈঠক হয়েছিল সেই বৈঠকে একটি জাতীয় কনভেনশন করার প্রস্তাব এসেছিল। সেই প্রস্তাব নিয়ে প্রাথমিক আলোচনা হলেও এখনো এর কার্যকর কোনো উদ্যোগ দেখা যাচ্ছে না। গত মাসে অর্থ্যাৎ ২৮ জুলাই বৃহস্পতিবারের আগে যেকোনো দিন দেশের পুরনো বেশ কয়েকটি রাজনৈতিক দলের নেতাদের নিয় চা চক্র হতে পারে বিএনপি দলীয় সূত্রের এমন ইঙ্গিত থাকলেও শেষ পর্যন্ত সেটি হয়নি। জাতীয় ঐক্যের ডাকে বিএনপি যখন আরও কয়েকটি দলকে ঐক্য প্রক্রিয়ার সঙ্গে যুক্ত করতে সক্রিয় হলো তখন সরকারও বসে থাকেনি। বিএনপির বৃহত্তর নতুন ঐক্য ঠেকাতে মরিয়া হয়ে উঠল। বিএনপি-জামায়াতের নেতৃত্বাধীন ২০ দলীয় জোটের সঙ্গে যাতে অন্য কোনো দল নতুনভাবে যুক্ত হতে না পারে সেই জন্যে প্রানান্তকর প্রচেষ্টা চালায় সরকারের হয়ে একটি পক্ষ। একই সঙ্গে ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটে তৈরি হওয়া (পূর্বের চারদলীয় জোট) ২০ দলীয় জোট ভাঙার ষড়যন্ত্র আরও শক্তিশালীভাবে শুরু হয়েছে। বিশ্লেষকরা বলছেন, জুলাইয়ের প্রথম দিন রাজধানীর গুলশানে হলিআর্টিজান বেকারি ও ৭ জুলাই (পবিত্র ঈদ উল ফিতরের দিন) কিশোরগঞ্জের শোলাকিয়ায় সন্ত্রাসী হামলার ঘটনার পর সরকার ঝড়ো হাওয়ার মুখোমুখি হয়েছিল ঠিকই কিন্তু বিএনপি এ থেকে বিশেষ কোনো রাজনৈতিক সুবিধা আদায় করতে পারেনি। তৃণমূলের প্রত্যাশা : বিএনপির তৃণমূল যারা মাঠে কাজ করছেন তারা দীর্ঘদিন ধরে চলমান রাজনৈতিক সঙ্কটের একটি শান্তিপূর্ণ সমাধান চায়। বিভিন্ন সময় সরকার বিরোধী কর্মসূচিতে ঢাকার বিএনপির চাইতে তৃণমূল বিএনপি ভূমিকা পালন করেছে বেশি। কেন্দ্র ঘোষিত সব কর্মসূচিতে এসব নেতারা বেশি সক্রিয় ছিলেন। আন্দোলন সংগ্রামের কারণে, জেল-জুলুম সহ্য করতে হয়েছে অনেক। কিন্তু ফলাফলও শূন্য। ত্যাগী এসব নেতাকর্মীদের প্রতিনিয়তই সরকারের রোষানলের শিকার হতে হচ্ছে। তৃণমূল নেতাকর্মীরা এজন্য এর দ্রুত সমাধান চান। তারা মনে করেন, বিএনপি পজিশন পুনঃরুদ্ধারে আন্দোলনের কোনো বিকল্প নেই। জনগণকে সম্পৃক্ত করে আন্দোলনে সক্রিয় ভূমিকা পালন করতে পারলে সরকার নিজেদের পক্ষ থেকেই সমাধানের পথ খুঁজবে। তারা মনে করছেন এভাবে একটি দল চলতে পারে না।  উদাহরণ দিয়ে তৃণমূলের একাধিক নেতা বলেন, ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারির বিতর্কিত নির্বাচনের আগে আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে বার বার আহ্বান জানানো হয়েছিল আলোচনায় আসার জন্যে। আওয়ামী লীগের সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নিজেও টেলিফোন করে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার সঙ্গে কথা বলেছেন। গণভবনে চায়ের দাওয়াত দিতে হয়েছে আওয়ামী লীগ নেত্রীকে। কিন্তু এখন সরকার সেই প্রয়োজনীয়তা উপলব্ধি করছেন না। নেতারা বলছেন, জাতীয় সঙ্কটগুলো সমাধানে ঐক্যবদ্ধভাবে প্রচেষ্টা আলোচনার প্ল্যাটফর্ম তৈরি করার জন্যে যেভাবে কাজ চলছে, সেই সঙ্গে একটি নতুন নির্বাচন দিতে সরকারকে বাধ্য করতে হবে আন্দোলনের প্রক্রিয়াও শুরু করতে হবে বিএনপিকে। আন্দোলনের সিদ্ধান্ত নিতে বিএনপি যতো বিলম্ব করবে ততোই পিছিয়ে পড়ে থাকতে হবে।      টার্গেট না থাকায় কর্মসূচিতে স্থবিরতা : যেহেতু ধারাবাহিক আন্দোলনের ঘোষণা নেই। কর্মসূচি পালনে সুদীর্ঘ টার্গেট নেই, সেকারণে দলীয় কর্মসূচিতে পাওয়া যাচ্ছে না বিএনপির অনেক নেতাকর্মীকে। বিশেষ করে অনেক কর্মসূচিতে কেন্দ্রীয় অনেক নেতার উপস্থিতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে না। সর্বশেষ বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানের বিরুদ্ধে আদালতের দেওয়া দণ্ড বাতিলের দাবিতে দেশব্যাপী নানা কর্মসূচি পালন করে বিএনপি ও এর অঙ্গ সংঘঠন যুবদল, ছাত্রদল ও স্বেচ্ছাসেবক দল। প্রায় প্রতিটি সংগঠনই একাধিক কর্মসূচি গ্রহণ করে এবং বাস্তবায়ন করে। গত ২৭ জুলাই বুধবার বিএনপি সারাদেশব্যাপী কর্মসূচি ঘোষণা করে। দলটির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া দলের সাবেক সংসদ সদস্য ও সম্ভাব্য সংসদ সদস্য প্রার্থীদের নিজ নিজ নির্বাচনী এলাকায় গিয়ে কর্মসূচি পালনের নির্দেশ দেন। খালেদা জিয়া আগামী নির্বাচনে দলের সম্ভাব্য এমপি প্রার্থীদের এলাকায় গিয়ে কর্মসূচি পালন ও সাধারণ মানুষের সঙ্গে সম্পৃক্ততা বাড়ানোর নির্দেশ দিলেও সেটি আমল করেনি ৯০ শতাংশেরও বেশি সম্ভাব্য প্রার্থী। খবর নিয়ে জানা গেছে, ভোলা জেলার সম্ভাব্য প্রার্থীদের কেউ এলাকায় যায়নি এ ইস্যুতে কর্মসূচি পালন করার জন্যে। ভোলা-১ আসনের বিএনপি দলীয় সম্ভাব্য প্রার্থীদের মধ্যে যারা ঢাকায় রয়েছেন তাদের কেউই এলাকায় যায়নি। ভোলা- ২ আসনের (দৌলতখান-বোরহানউদ্দিন) বিএনপি দলীয় সম্ভাব্য প্রার্থী ও দলটির মনোনয়ন নিয়ে নির্বাচিত সাবেক এমপি হাফিজ ইব্রাহীম তার নির্বাচনী এলাকায় যাননি। ভোলা-৩ আসনের (লালমোহন-তজুমদ্দিন) সম্ভাব্য এমপি প্রার্থী ও দলটি থেকে নির্বাচিত সাবেক এমপি মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ তার নির্বাচনী এলাকায় যাননি। ভোলা-৪ আসনের (চরফ্যাশন-মনপুরা) বিএনপি দলীয় সাবেক সংসদ সদস্য ও সম্ভাব্য এমপি প্রার্থী নাজিম উদ্দিন আলমও তার নির্বাচনী এলাকায় যাননি। জেলার চারটি নির্বাচনী আসনে দলটির তিনটিতেই দলটির কেন্দ্রীয় নেতারা প্রার্থী হচ্ছেন এবং এর আগেও এরা এসব আসন থেকে নির্বাচিত হয়েছেন। কিন্তু তারা দলের চেয়ারপারসনের নির্দেশনার আলোকে কর্মসূচি বাস্তবায়নে এলাকায় যাননি এমনকি এ এলাকায় দলীয় এ কর্মসূচি পালিত হওয়ার কোনো খবরও পত্র-পত্রিকায় দেখা যায়নি। ভোলা জেলার মতো দলীয় কর্মসূচি পালনের এমন চিত্র দেশের অন্য অনেক জেলায়ও রয়েছে। এ অবস্থা থেকে উত্তরণে বিএনপি একজন সিনিয়র নেতা বলেন, নেতাকর্মীদের সামনে কোনো ভালো খবরের ইঙ্গিত দিতে পারেনি দলটি। ভালো কোনো ফলাফলের আশ্বাসও দিতে পারেনি। ফলে আশাহত নেতাকর্মীরা কর্মসূচি পালেন আগ্রহ হারাচ্ছে। কেন্দ্রীয় নির্দেশনা থাকার পরও মাঠে উল্লেখযোগ্য নেতাকর্মীকে সক্রিয় দেখা যাচ্ছে না।  
আগাম নির্বাচন! কয়েকদিন আগে আওয়ামী লীগ প্রধান ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আগামী নির্বাচনের প্রস্তুতি নিতে দলের সব পর্যায়ের নেতাকর্মীদের নির্দেশনা দিয়েছেন। অবশ্য এর কয়েক মাস পূর্বে বিএনপি নেত্রী ও ২০ দলীয় জোট প্রধান বেগম খালেদা জিয়া নিজ দল ও তার রাজনৈতিক মিত্রদের জাতীয় নির্বাচনের প্রস্তুতি নিতে বলেছেন। কিন্তু এ বিষয়টি এখনো অস্পষ্টই রয়ে গেছে যে, আসলে কবে এ নির্বাচন হবে, আদৌ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে কি-না, নির্বাচন হলে সেটি কোন পদ্ধিতিতে এবং কার অধীনে হবে। এসব প্রশ্নের কোনো উত্তর নেই নেতাকর্মীদের কাছে। একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও সকলের কাছে গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের দাবিতে বিএনপি রাজপথে সোচ্চার হবে কিনা তাও অস্পষ্ট বিএনপি নেতাকর্মীদের কাছে। তবে ২০ দলীয় জোটের শরীক দলগুলোর নেতাদের সঙ্গে আলাপ করলে তারা জানান, আপাতত কৌশলী ভূমিকায় রয়েছে সরকার বিরোধী এই জোট। ২০ দল যা বলছে : ২০ দলীয় জোট শরীক বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি বাংলাদেশ ন্যাপের কেন্দ্রীয় কমিটির মহাসচিব গোলাম মোস্তফা ভূইয়া এই প্রতিবেদকের সঙ্গে আলাপকালে জানান, ২০ দল মূলত একটি বৃহত্তর প্ল্যাটফর্ম তৈরির প্রচেষ্টায় রয়েছে। এক্ষেত্রে বিএনপি ও মিত্র দলগুলোকে কৌলশী ভূমিকা পালন করতে হচ্ছে। তিনি বলেন, মাঠ পর্যায়ের কর্মীদের আন্দোলনের আগ্রহ থাকলেও এবার ২০ দলীয় জোট বুঝেশুনে পা ফেলবে। যাতে হোঁচট খেতে না হয়। তিনি বলেন ইতোমধ্যে বিএনপি ও ২০ দলের ভেতরে ভেতরে একটি বৃহত্তর প্ল্যাটফর্ম তৈরি প্রচেষ্টা জোরালোভাবে শুরু হয়েছে। জাতীয় স্বার্থ ও ভোটের হিসাব মাথায় রেখেই বিএনপি এগোবে বলে মনে করেন ২০ দলীয় জোটের এই শীর্ষ নেতা।

এ পাতার অন্যান্য খবর

অন্যান্য মিডিয়া bdnews24 RTNN Sheersha News barta24 Prothom Alo Daily Nayadiganta Jugantor Samakal Amardesh Kaler Kantho Daily Ittefaq Daily Inqilab Daily Sangram Daily Janakantha Amader Shomoy Bangladesh Pratidin Bhorerkagoj Daily Dinkal Manob Zamin Destiny Sangbad Deshbangla Daily Star New Age New Nation Bangladesh Today Financial Express Independent News Today Shaptahik 2000 Computer Jagat Computer Barta Budhbar Bangladesherkhela Holiday Bangladesh Monitor BBC Bangla Redio Tehran
homeabout usdeveloped by

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদকঃ মো. তাসনীম আলম।

মহীউদ্দীন আহমদ কর্তৃক জাতীয় মুদ্রণ ১০৯, ঋষিকেশ দাস রোড, ঢাকা - ১১০০ হতে মুদ্রিত ও ১৫ বাংলাবাজার, ঢাকা - ১১০০ হতে প্রকাশিত। যোগাযোগের ঠিকানাঃ ৪২৩ এলিফেন্ট রোড, বড় মগবাজার, ঢাকা - ১২১৭। ফোনঃ ৮৮ ০২ ৮৩১৯০৬৫, বার্তা - ৮৮ ০১৬৭০৮১৩২৭৬, সার্কুলেশন - ৮৮ ০১৫৫২৩৯৮১৯০, বিজ্ঞাপন - ৮৮ ০১১৯৯০৯০০৮৫, ফ্যাক্সঃ ৮৮ ০২ ৮৩১৫৫৭১, ওয়েবসাইটঃ www.weeklysonarbangla.net, ইমেইলঃ weeklysonarbangla@yahoo.com