সংবাদ শিরোনামঃ

জাতীয় ঐক্য! ** ন্যায়ের পক্ষে তুরস্ক সাথে আছে মজলুমের দোয়া : জাতির উদ্দেশ্যে এরদোগান ** সন্ত্রাস ও হতাশাগ্রস্ত যুব সমাজ ** জাতীয় দায়িত্ববোধ থেকে ঐক্যের ডাক দিয়েছেন খালেদা জিয়া : মির্জা ফখরুল ** জঙ্গিবাদী কার্ড ও ক্ষমতাসীনদের রাজত্বের মেয়াদ ** সুন্দরবন বাঁচিয়ে বিদ্যুৎ চায় জনগণ ** দলীয় সরকারের অধীনেই আগাম নির্বাচন! ** যারা জঙ্গিবাদের সাথে সম্পৃক্ত তারা ইসলাম ও মানবতার দুশমন ** টার্গেট না থাকায় কর্মসূচিতে স্থবিরতা ** পার্শ্ববর্তী দেশ পানি দিলে আমাদের নদীগুলো ভেসে যায়, না দিলে শুকিয়ে যায় ** জঙ্গিবাদ : মুসলমানরা আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্রের শিকার ** দল মত নির্বিশেষে বন্যার্তদের পাশে দাঁড়ান ** বন্যায় ভাসছে দেশ, খবর নেই তেনাদের ** ইসলাম শান্তি ও নিরাপত্তার ধর্ম ** আইবিসিএফ এর সভা ** বন্যায় ভাসছে শাহজাদপুর॥ পানিবন্দী লাখো মানুষের দুর্ভোগ ** কুষ্টিয়ায় আমলাতান্ত্রিক জটিলতায় আটকে আছে বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল নির্মাণের কার্যক্রম ** হরিপুরে গ্রামীণ রাস্তার বেহাল দশা ** সত্যের সৈনিক মুজাদ্দিদে আলফেসানী **

ঢাকা, শুক্রবার, ২১ শ্রাবণ ১৪২৩, ১ জিলকদ ১৪৩৭, ৫ আগস্ট ২০১৬

॥ এম গজনবী॥
আওয়ামী লীগ সরকারের অধীনেই কি আগামী বছরের প্রথম দিকে আরেকটি জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে? আওয়ামী লীগের সংসদীয় দলের সভায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দলীয় সংসদ সদস্যদের নির্বাচনের জন্য প্রস্তুতি নেয়ার আহ্বান জানান গত ২৬ জুলাই। তার এ আহ্বানের পর থেকে আগাম বা মধ্যবর্তী নির্বাচন করার বিষয়টি স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।  কিন্তু নির্ধারিত সময়ের আগেই অর্থাৎ আগামী বছরের মার্চে সরকার নির্বাচন করতে চায় বলে জল্পনা-কল্পনা শোনা যাচ্ছে। এ জন্য প্রধানমন্ত্রী দলীয় ফোরামে এ আহ্বান জানান বলে দলের একটি দায়িত্বশীল সূত্র জানিয়েছে। অবশ্য সংবিধানের বিধান অনুযায়ী আগামী ২০১৯ সালে নির্বাচন হওয়ার কথা।এদিকে দলটির গুরুত্বপূর্ণ একাধিক নেতার সঙ্গে কথা বললে তারা জানান, আগাম নির্বাচন করার বিষয়টি এখন ওঠেনি। ৫ জানুয়ারির একতরফা নির্বাচনের পরপর বিষয়টি উঠেছিল। সকল দলের অংশগ্রহণে নির্বাচন না হওয়ায় নির্বাচন নিয়ে বিতর্ক সৃষ্টি হয়। বিতর্কের অবসান ঘটাতে, আওয়ামী লীগের ভাবমূর্তি ফিরিয়ে আনতে, সর্বোপরি দেশী-বিদেশী চাপ সামলাতে নীতি নির্ধারণী পর্যায় থেকেই আগাম নির্বাচনের কথা ভাবা হয়েছে।২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি আওয়ামী লীগ একতরফাভাবে নির্বাচন করে ক্ষমতাসীন হয়েছে। দেশের অন্যতম বৃহৎ রাজনৈতিক দল বিএনপির নেতৃত্বাধীন ২০ দলীয় জোটসহ দেশের অধিকাংশ দল নির্বাচনে অংশ নেয়নি। জাতীয় পার্টিসহ হাতে গোনা কয়েকটি ক্ষুদ্র দল আওয়ামী লীগের সঙ্গে জোটবদ্ধ হয়ে ভোটারবিহীন নির্বাচনে অংশ নেয়। আওয়ামী লীগ সরকার গঠন করলেও নির্বাচনের গ্রহণযোগ্যতা পায়নি দেশে এবং বিদেশে। তখন আমেরিকা, ব্রিটেনসহ বিশ্বের বড় রাষ্ট্র, ইউরোপীয় ইউনিয়ন, জাতিসংঘসহ সকল সংস্থা থেকে নতুন করে নির্বাচন দেয়ার কথা বলা হয়। তারা চায় সকল দলের অংশগ্রহণে একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচন। নির্বাচন যে অগ্রহণযোগ্য হয়েছে এ কথা আওয়ামী লীগ কখনও স্বীকার করেনি। কিন্তু ভেতরে ভেতরে দলের মধ্যে বিশেষ করে তৃণমূল পর্যায়ে নতুন করে নির্বাচনের পক্ষে বক্তব্য আসছিল। দলটির শীর্ষ পর্যায়ের অনেক নেতাও চাচ্ছিলেন দুর্নাম ঘোচাতে নতুন নির্বাচন দেয়া যেতে পারে। এদিকে দেশের অন্যতম প্রধান বিরোধী দল বিএনপি এবং তাদের মিত্ররা শুরু থেকেই নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচনের দাবি জানিয়ে আসছে। এ দাবিতে তারা এখনও অটল রয়েছে। কিন্তু সরকার এ দাবিতে বিরোধী দলকে মাঠে নামতে দিচ্ছে না। রাজপথে সভা সমাবেশ পর্যন্ত করতে পারছে না তারা। অধিকাংশ নেতা এখন জেলে। অনেকের নামে একাধিক মামলা রয়েছে। আবার অনেকের সাজাও হয়েছে। বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে অর্থ পাচার মামলায় ৭ বছরের জেল দেয়া হয়েছে। তিনি বর্তমানে লন্ডন রয়েছেন। অর্থ পাচার মামলায় তাকে সাজা দেয়া হয়েছে। সাজাপ্রাপ্তরা নির্বাচনে অযোগ্য বলে বিবেচিত। সুতরাং আগামী বছর নির্বাচন হলে তাতে তারেক রহমান অংশ নিতে পারবেন না। নাম প্রকাশ করতে চাননি আওয়ামী লীগের একজন কেন্দ্রীয় নেতা এ প্রতিনিধিকে বলেন, তারেক রহমান, বেগম জিয়াসহ বিএনপি ও তাদের মিত্রদের শীর্ষ পর্যায়ের অনেক নেতার বিরুদ্ধে যেসব মামলা রয়েছে তাতে তাদের সাজা হয়ে যাবে। সাজাপ্রাপ্তরা নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন না। এ ক্ষেত্রে আওয়ামী লীগের জন্য সুবিধা হবে। বিরোধী দলের দাবি অনুযায়ী নির্বাচনও হবে আবার আওয়ামী লীগ ফের ক্ষমতায়ও আসবে। এক ঢিলে দুই পাখি মারা হবে নির্বাচন নিয়ে। তবে নির্বাচন নির্দলীয় সরকারে অধীনে নয়, আওয়ামী লীগের অধীনেই হবে। সুবিধাবাদীরা বিপক্ষে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জাতীয় নির্বাচনের জন্য প্রস্তুতি নেয়ার কথা বললেও দল ও সরকারের সুবিধাবাদীরা মেয়াদ পূর্তির ৫ বছর আগে কোনো অবস্থায় নির্বাচন করতে চায় না। কারণ নতুন করে নির্বাচন করতে গেলে পরিবেশ পরিস্থিতি আওয়ামী লীগের প্রতিকূলে চলে যেতে পারে। প্রতিকূল পরিস্থিতি সুবিধাবাদীদের জন্য কোনভাবে অনুকূল হবে না। এখন যেভাবে সরকারি অর্থ লুটপাট করছে তখন এটা করতে পারবে না। এই পক্ষের বক্তব্য হলো নির্বাচন করতে গেলে এবার আগের ভুল বিএনপি করবে না। তারা নির্বাচনে অংশ নেবে। সারা দেশে বিএনপির যে জনপ্রিয়তা তাতে তারা অধিক আসনে জয়ী হবে। তাদের জয় ঠেকিয়ে রাখা যাবে না। নির্বাচন করতে গেলে ২০ দলীয় জোটের অন্যতম শরীক জামায়াতে ইসলামীও সংগঠিত হবে। একপর্যায়ে যেয়ে ২০ দলীয় জোট মহাজোটের চেয়ে অধিক শক্তিশালী হয়ে যাবে। দেশের জনগণও তাদের পক্ষে চলে গেলে আওয়ামী লীগের পরাজয় নিশ্চিত হবে। সুতরাং কোনো অবস্থায় আগাম নির্বাচন দেয়া যাবে না। আগাম নির্বাচনের সিদ্ধান্ত আত্মঘাতী হবে।তবে অপর পক্ষের বক্তব্য হলো বর্তমানে বিএনপি বা ২০ দলীয় জোট নৈতিকভাবে দুর্বল। জোটের গুরুত্বপূর্ণ নেতারা জেল অথবা পলাতক রয়েছেন। দুর্নীতি, সন্ত্রাসসহ একাধিক মামলায় জর্জরিত। অনেকের আবার সাজাও হয়েছে। সাজাপ্রাপ্তরা নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন না। এ অবস্থায় নির্বাচন দিলে আমাদের জন্য সুবিধা হবে। তাছাড়া বর্তমানে যেভাবে উন্নয়ন হচ্ছে তাতে জনগণ আওয়ামী লীগকে ভোট দেবে। এবার নির্বাচন করলে ৫ জানুয়ারির মতো হবে না। দুর্বল বিরোধী দলকে জনগণ চাইবে না। উন্নয়নকে বেগবান করতে জনগণ আমাদের ভোট দেবে। যোগ-বিয়োগের এ হিসেব থেকে আগাম নির্বাচন আওয়ামী লীগের জন্য ভালো হবে। আর এ জন্য শেখ হাসিনা হিসেব-নিকেশ করেই নির্বাচনের জন্য প্রস্তুত থাকার কথা বলেছেন। জানা গেছে, আগাম নির্বাচন করা ঠিক হবে কি হবে না তা নিয়ে দলের মধ্যে জোর আলোচনা শুরু হয়েছে। একই সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর আহ্বানে সাড়া দিয়ে তৃণমূলের অনেক নেতা যারা আগামী নির্বাচনে প্রার্থী হতে চান তারা চাঙ্গা হয়ে উঠেছেন। তবে আগাম নির্বাচন হবে না- এ কথা যে সব নেতারা এতোদিন বলে আসছিলেন তারা রীতিমতো বিপাকে পড়েছেন বলে শোনা যাচ্ছে। আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের একদিন আগেও বলেছেন নির্ধারিত সময় অর্থাৎ ২০১৯ সালের আগে নির্বাচন হবে না। সেতুমন্ত্রী ওবায়েদুল কাদেরসহ সরকারের গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রীরাও বলে আসছেন জাতীয় নির্বাচন ২০১৯ সালের আগে হবে না।বিএনপি না এলেও নির্বাচন হবেবিএনপি নির্বাচনে না এলেও নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে এমনটি জানালের আওয়ামী লীগের একাধিক নেতা। তারা বলেন, প্রধানমন্ত্রী  শেখ হাসিনা আওয়ামী লীগের সভানেত্রী আবার তিনি সংসদীয় দলেরও নেতা। তিনি নির্বাচনের প্রস্তুতি নেয়ার কথা বলেছেন। আমরা তার কথামতো নির্বাচনের জন্য প্রস্তুতি নিতে শুরু করেছি। সরকার তার সিদ্ধান্তের কথা জানালে নির্বাচন কমিশন নির্বাচনের তফশিল ঘোষণা করবে। এ প্রসঙ্গে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় সংসদের একজন নেতা এ প্রতিনিধিকে জানান, বর্তমান সরকারের মেয়াদকাল অর্ধেকের একটু বেশি সময় পার হলো। ২০১৯ সালে নির্বাচন হওয়ার কথা সংবিধান অনুযায়ী। তার আগে নির্বাচন হলে বিএনপি এ সুযোগ হাতছাড়া করলে ৫ জানুয়ারির নির্বাচনের মতো হবে। তারা জনগণ থেকে আরো বিচ্ছিন্ন হয়ে যাবে। আমাদের ধারণা আগামী নির্বাচনে সব দলই অংশগ্রহণ করবে। বিএনপি একা না এলে তার জন্য নির্বাচন ঠেকে থাকবে না। আগাম নির্বাচন প্রসঙ্গে আওয়ামী ঘরনার সুপ্রিম কোর্টের একজন প্রবীণ আইনজীবী বলেন, আগাম নির্বাচন বিষয়টি সরকারের এখতিয়ারভুক্ত। তারা চাইলে নির্বাচন হতে পারে। তবে নির্বাচন যদি হয়-ই সেক্ষেত্রে সকল দলকে নিয়েই করা উচিৎ। ৫ জানুয়ারির মতো নির্বাচন করাটা ঠিক হবে না। সিপিবি এবং গণফোরামের নেতারা বলেন, আওয়ামী লীগ আগাম নির্বাচন দেবে বলে মনে হয় না। তবে কোনো কারণে নির্বাচন দিলেও তাতে সকল দলের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে হবে। ৫ জানুয়ারির মতো ফের একতরফা নির্বাচন দিয়ে আবারো ৫ বছরের জন্য ক্ষমতায় আসতে চাইলে তা হবে আত্মঘাতী। কারণ জনগণ আগের চেয়ে অনেক সচেতন। এদিকে আগাম নির্বাচন নিয়ে বিএনপির নেতাদের সঙ্গে কথা বললে তারা জানান, আমরা তো বলেই আসছি ৫ জানুয়ারির নির্বাচন অবৈধ। সুতরাং সরকারও অবৈধ। এ জন্য সরকারকে পদত্যাগ করে নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচনের দাবি জানিয়ে আসছি। এখনও এ দাবিতে অটল আছি। আওয়ামী লীগ সত্যিকার অর্থে পদত্যাগ করে নির্বাচন দিলে বিএনপি তাতে অংশ নেবে। কিন্তু প্রহসনের নির্বাচন দিলে তা আমরা মেনে নেবো না। সকল দলের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে হবে।সমমনারা সিদ্ধান্তহীনতায় আওয়ামী লীগের শরীক ১৪ দল ও জাতীয় পার্টি আগাম নির্বাচনের ব্যাপারে কিছু বলছে না। ১৪ দলভুক্ত ওয়ার্কার্স পার্টি, গণতন্ত্রী পার্টি ও জাসদের নেতাদের সঙ্গে কথা বললে তারা জানান, এ ব্যাপারে আনুষ্ঠানিকভাবে আওয়ামী লীগ আমাদের কিছু বলেনি। প্রধানমন্ত্রী তার দলের সংসদ সদস্যদের সভায় নির্বাচনের কথা বলেছেন। জোটে এ ব্যাপারে আলোচনা হলে সিদ্ধান্ত নেয়া যাবে। তারা আরো বলেন, আগাম নির্বাচনের দাবিটি বিএনপির। নির্বাচন দিলে তাদের দাবি মেনে নেয়া হয়। এটা ভালো লক্ষণ। কিন্তু এমন নির্বাচন দিতে হবে যাতে সকল দল অংশ নেয়। বিষয়টি নিশ্চিত করতে হবে। এ প্রসঙ্গে জাতীয় পার্টির একজন প্রেসিডিয়াম সদস্য এ প্রতিনিধিকে বলেন, আমরা জোটবদ্ধভাবে গত নির্বাচন করেছি। সংবিধান অনুযায়ী আগামী নির্বাচন ২০১৯ সালে হবে। এর আগে নির্বাচন হতে হলে শরীক দল বা সরকারের অংশীদার হিসেবে আমরাও জানব। কিন্তু আওয়ামী লীগ এ ব্যাপারে আমাদের কিছু বলেনি। প্রধানমন্ত্রী দলীয় ফোরামে নির্বাচনের জন্য প্রস্তুত থাকার কথা বলেছেন। এটা তিনি বলতেই পারেন। বিষয়টি সরকারের সিদ্ধান্ত হলে আমরা জানব। তখন আমরাও দলীয় সভা করে সিদ্ধান্ত নেব। তবে আমরা চাই নির্বাচন যখনই হোক সে নির্বাচনে যেন সকল দল অংশগ্রহণ করে। সকল দল নির্বাচনে গেলে তা গ্রহণযোগ্যতা পায়।

এ পাতার অন্যান্য খবর

অন্যান্য মিডিয়া bdnews24 RTNN Sheersha News barta24 Prothom Alo Daily Nayadiganta Jugantor Samakal Amardesh Kaler Kantho Daily Ittefaq Daily Inqilab Daily Sangram Daily Janakantha Amader Shomoy Bangladesh Pratidin Bhorerkagoj Daily Dinkal Manob Zamin Destiny Sangbad Deshbangla Daily Star New Age New Nation Bangladesh Today Financial Express Independent News Today Shaptahik 2000 Computer Jagat Computer Barta Budhbar Bangladesherkhela Holiday Bangladesh Monitor BBC Bangla Redio Tehran
homeabout usdeveloped by

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদকঃ মো. তাসনীম আলম।

মহীউদ্দীন আহমদ কর্তৃক জাতীয় মুদ্রণ ১০৯, ঋষিকেশ দাস রোড, ঢাকা - ১১০০ হতে মুদ্রিত ও ১৫ বাংলাবাজার, ঢাকা - ১১০০ হতে প্রকাশিত। যোগাযোগের ঠিকানাঃ ৪২৩ এলিফেন্ট রোড, বড় মগবাজার, ঢাকা - ১২১৭। ফোনঃ ৮৮ ০২ ৮৩১৯০৬৫, বার্তা - ৮৮ ০১৬৭০৮১৩২৭৬, সার্কুলেশন - ৮৮ ০১৫৫২৩৯৮১৯০, বিজ্ঞাপন - ৮৮ ০১১৯৯০৯০০৮৫, ফ্যাক্সঃ ৮৮ ০২ ৮৩১৫৫৭১, ওয়েবসাইটঃ www.weeklysonarbangla.net, ইমেইলঃ weeklysonarbangla@yahoo.com