সংবাদ শিরোনামঃ

জাতীয় ঐক্য! ** ন্যায়ের পক্ষে তুরস্ক সাথে আছে মজলুমের দোয়া : জাতির উদ্দেশ্যে এরদোগান ** সন্ত্রাস ও হতাশাগ্রস্ত যুব সমাজ ** জাতীয় দায়িত্ববোধ থেকে ঐক্যের ডাক দিয়েছেন খালেদা জিয়া : মির্জা ফখরুল ** জঙ্গিবাদী কার্ড ও ক্ষমতাসীনদের রাজত্বের মেয়াদ ** সুন্দরবন বাঁচিয়ে বিদ্যুৎ চায় জনগণ ** দলীয় সরকারের অধীনেই আগাম নির্বাচন! ** যারা জঙ্গিবাদের সাথে সম্পৃক্ত তারা ইসলাম ও মানবতার দুশমন ** টার্গেট না থাকায় কর্মসূচিতে স্থবিরতা ** পার্শ্ববর্তী দেশ পানি দিলে আমাদের নদীগুলো ভেসে যায়, না দিলে শুকিয়ে যায় ** জঙ্গিবাদ : মুসলমানরা আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্রের শিকার ** দল মত নির্বিশেষে বন্যার্তদের পাশে দাঁড়ান ** বন্যায় ভাসছে দেশ, খবর নেই তেনাদের ** ইসলাম শান্তি ও নিরাপত্তার ধর্ম ** আইবিসিএফ এর সভা ** বন্যায় ভাসছে শাহজাদপুর॥ পানিবন্দী লাখো মানুষের দুর্ভোগ ** কুষ্টিয়ায় আমলাতান্ত্রিক জটিলতায় আটকে আছে বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল নির্মাণের কার্যক্রম ** হরিপুরে গ্রামীণ রাস্তার বেহাল দশা ** সত্যের সৈনিক মুজাদ্দিদে আলফেসানী **

ঢাকা, শুক্রবার, ২১ শ্রাবণ ১৪২৩, ১ জিলকদ ১৪৩৭, ৫ আগস্ট ২০১৬

॥ হারুন ইবনে শাহাদাত॥
পৃথিবীটাকে অনেক দার্শনিক রঙ্গমঞ্চ বলেছেন। কথাটা যথার্থ কি না সেই বিতর্কে গেলে যথেষ্ট সময় নষ্ট হলেও সমাধানের আশা কম। কারণ কথায় আছে দশজন দার্শনিক এক সাথে হলে কম করে হলেও বিশটি মতবাদের জন্ম হবে। তবে এ কথা ঠিক অনেক নাটক পৃথিবীর এই মঞ্চে মঞ্চস্থ হচ্ছে প্রতিনিয়ত। নট-নটী কিংবা অভিনেতা-অভিনেত্রী হিসেবে পেশাদাররা এখানে নির্বাসিত। অভি শব্দ বাদ দিলে যে নেতা এবং নেত্রী শব্দ থাকে তারাই এই নাটকের পাত্র-পাত্রী। অবশ্য ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারির ভোটার বিহীন নির্বাচনের পর গোটা কয়েক স্টার নেতা-নেত্রী ছাড়া পাতি নেতাদের গুরুত্ব অনেক কমে গেছে। সেই শূন্যস্থান দখল করেছেন সরকারের অনুগত বরকন্দাজ ও কলমবাজরা। তাদের নতুন নতুন নাটকে অস্থির জনতা আলীর চোখে মুখে ঘুম নাই। কেন ঘুম নাই জানতে চাইলে কানের কাছে মুখ নিয়ে বলল, ‘কেন, পত্রিকা পড়েন না? টেলিভিশন দেখেন না?’ সারাদেশে বিশেষ অভিযান চলছে, ‘সে দিন দেখলাম, সারাদেশে অভিযান চালিয়ে কয়েক হাজার লোক ধরে অস্ত্র মামলায় চালান দিয়েছে, তাদের কাছে কি অস্ত্র পাইছে জানেন, দা. চাকু. বটি, টেঁটা, লাঠি ?’ ‘তার সাথে তোমার ঘুম না আসার সম্পর্ক কি?’ জানতে চাইলে আবারও কানের কাছে মুখ নিয়ে আরো নীচু গলায় বলল, ‘আমার বাসায়ও তো তরকারি কাটার জন্য বটি, গোশত কাটার চাকু, হাড্ডি কাটার দা, চাপাতি, মাছ ধরার টেঁটা, আর  বৃদ্ধ মা, বাবার চলার জন্য দুই তিনটা লাঠি আছে। কি করি বলুন, সামনে কুরবানির ঈদ দা, বটি ধার দেয়া দরকার, কিন্তু বের করলেই যদি..’ জনতা আলী আরও কাছে এসে বলল,‘ ঘরে আরবি, বাংলা হরফের কিছু  বইও আছে।  কি করে ঘুমাই বলুন?’  জনতা আলীকে বললাম, ‘তাতে তোমার ভয়ের কি আছে, দেশকে জঙ্গি সন্ত্রাসী মুক্ত করতে সারাদেশে বিশেষ অভিযান চলছে। দেশ সন্ত্রাস মুক্ত হলে তো তোমার-আমার সবার লাভ। দেশে শান্তি-শৃঙ্খলা ফিরে আসবে। সবাই শান্তিতে বসবাস করবে।’ জনতা আলী এবার গলার স্বর একটু বাড়িয়ে বলল, ‘উদ্দেশ্য লক্ষ ভালো কিন্তু শত্রুতা হাসিল করতে একজন আরেকজনকে ফাঁসাতে গৃহস্থালী কাজের অস্ত্রকে দেশী অস্ত্র, জঙ্গি, সন্ত্রাসী, ‘জিহাদী বই’ এর ধ্রুমজালে ফেলে ক্ষতি করছে। সরকার ও জনগণ সবাই ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। এই ধূম্রজাল ছিঁড়তে হবে। রাজনৈতিক হিংসা-বিদ্বেষের জাল ছিঁড়ে চোখের রঙিন চশমা খুলে সত্যিকারের সন্ত্রাসী-জঙ্গিদের ধরতে অভিযান চালাতে হবে।  তবেই আমার ঘুম আসবে।’জনতা আলীর রাজনৈতিক দর্শন চমৎকার- ঘরে আরবি হরফের বই, দা, চাপাতি, কুড়াল, বটি টেঁটা থাকলেই সে জঙ্গি না। ইসলামের নাম ভাঙ্গিয়ে কেউ মানুষ মারলে যারা প্রকৃত পক্ষে ইসলামের শান্তি নিরাপত্তার দর্শন নিয়ে কাজ করছে, ইসলামের শান্তির বাণী প্রচার করছে তাদেরকে এই খুনিদের কাতারে ফেলা ইসলামকে অপমান করার শামিল। দেশে বাম ধারার অনেক রাজনৈতিক দল আছে, সেই সব দলের অনেক প্রতিনিধিও সরকারে আছে। পূর্ব বাংলা কমিউনিস্ট পার্টি, সর্বহারা, লাল পতাকাও বামপন্থী সন্ত্রাসবাদী দল, তাই বলে কি বাম আদর্শে বিশ্বাসী সবাই সন্ত্রাসী? তারপরও কেন সরকার ইসলামপন্থী আদর্শের গণতান্ত্রিক দল এবং ইসলামের নাম ব্যবহারকারী বিভ্রান্ত সন্ত্রাসীদেরকে বার বার এক পাল্লায় ওজন করছে। কোন সন্ত্রাসী ঘটনা ঘটলেই সরকারের সর্বোচ্চ পর্যায় থেকে জামায়াতে ইসলামী ও বিএনপিকে দায়ী করে বক্তব্য দেয়া হচ্ছে। কেন সরকার এমন বক্তব্য দেয় কোন চিন্তা ভাবনা ছাড়াই এ প্রসঙ্গে আন্তর্জাতিক রাজনীতি বিশ্লেষক গৌতম দাস লিখেছেন, ‘বাংলাদেশ ইসলামি সন্ত্রাসীতে ভরে গিয়েছে যেভাবেই হোক আন্তর্জাতিকভাবে এটা প্রমাণের ওপর নির্ভর করছে ক্ষমতাসীনদের রাজত্বের মেয়াদ ...’ হাসিনা আর ভারতের গোয়েন্দা সংস্থা আর আমলারা বাংলাদেশে ক্রম গণবিচ্ছিন্ন হয়ে পড়া শেখ হাসিনার ক্ষমতাকে জোর করে ধরে রাখার জন্য “বাঘ আসার ভয় বিক্রি করার” রাজনীতি করে চলেছে। রাষ্ট্রের নিরাপত্তা নিয়ে এ ধরনের ভয় বিক্রি করার খেলা আসলে অপরাধ। আর তার চেয়েও মারাত্মক হোল, এটা আত্মঘাতি । এতে সত্যি সত্যি বাঘ আসলে অথবা কে যে বাঘের বেশে আসছে এসব হুঁশিয়ারিগুলোকে এলোমেলো করে রাখা যায়। জাতীয় নিরাপত্তার জন্য প্রস্তুতি মারাত্মকভাবে দুর্বল হয়ে পড়ে। এতে কেউ ক্ষমতার স্বাদ নেয়, তার রাষ্ট্রের নগদ স্বার্থ লাভ ঘটে। কিন্তু রাষ্ট্র ও জনগণ হেরে যায়। ঠিক যেমন ২০০৮ সালে হাসিনা ক্ষমতা পেয়েছিলেন। কিন্তু দল হিসেবে আওয়ামী লীগ আর বাংলাদেশ রাষ্ট্র ও জনগণ হেরে গিয়েছিল। এই মারাত্মক বিপদের মধ্যে আমরা সকলে আছি। একটি অভিজ্ঞ রাজনৈতিক দল হিসেবে আওয়ামী লীগের যে ভাবমূর্তি সেখানে দিল্লীর স্থানীয় বরকন্দাজ হওয়া রীতিমতো অপমান জনক। এই কলঙ্ক আওয়ামী লীগের পক্ষে ঘোচানো কঠিন।’( চিন্তা, ১ মার্চ ২০১৪)জামায়াতে ইসলামীর সাথে সন্ত্রাসের কোন সম্পর্ক নেই এ প্রসঙ্গে প্রখ্যাত আইনজ্ঞ আসিফ আরসালান লিখেছেন,‘ জামায়াতে ইসলামী এবং ইসলামী ছাত্র শিবিরের তরফ থেকে শত শত বার বলা হয়েছে এবং এখনো বলা হচ্ছে যে, জামায়াত বা শিবির জঙ্গিবাদে অর্থাৎ সন্ত্রাসী বা সশস্ত্র তৎপরতায় বিশ্বাস করে না। তারা গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে দৃঢ়ভাবে আস্থাশীল। বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর যখন থেকে দেশে ইসলামী রাজনীতি করার অনুমতি দেয়া হয়েছে তখন থেকে জামায়াতে ইসলামী মাঠে আছে। প্রায় ৪০ বছর হলো জামায়াত এবং শিবির বাংলাদেশে রাজনীতি করছে। এই ৪০ বছরে জামায়াত বা শিবির একটি দিনের জন্যও দেশের কোথাও কোনো সশস্ত্র তৎপরতায় জড়িত হয়নি। জামায়াত এবং শিবিরের বিরুদ্ধে বছরের পর বছর ধরে অবিরাম সশস্ত্র তৎপরতার অভিযোগ তোলা হয়েছে। বছরের পর বছর নয়, বরং বলা যেতে পারে যে যুগের পর যুগ ধরে এই অভিযোগ তোলা হচ্ছে। কিন্তু একটি দিনের জন্যও এবং একটি স্থানেও জামায়াত বা শিবির কোথাও কোন সশস্ত্র তৎপরতা করেছে এমন নজির কেউ দেখাতে পারেনি। এটি জামায়াতেরই দুর্ভাগ্য যে, এর পরেও বেশিরভাগ মিডিয়া কোন রকম প্রমাণ ছাড়াই তাদের বিরুদ্ধে বৈরী আচরণ করে যাচ্ছে।যেহেতু জামায়াত গণতান্ত্রিক রাজনীতিতে বিশ্বাসী তাই তারা দেশের প্রায় প্রতিটি নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেছে, সেটি সংসদ নির্বাচন হোক, সিটি করপোরেশন নির্বাচন হোক বা উপজেলা বা ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনই হোক না কেন। গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে সভা সমিতি, সেমিনার সিম্পোজিয়াম, মিছিল মিটিং প্রভৃতির মাধ্যমে জামায়াত ও শিবির তাদের মতাদর্শ জনগণের মাঝে প্রচার করে এবং সেই ভিত্তিতে জনমত গঠন করার চেষ্টা করে। কিন্তু এটি জামায়াতেরই দুর্ভাগ্য যে তাদেরকে ন্যূনতম গণতান্ত্রিক অধিকারও দেওয়া হচ্ছে না। তাই এখন জামায়াত মিছিল মিটিং তো দূরের কথা, ঘরোয়া সভা সমিতি এমনকি মানববন্ধন করার অধিকার থেকেও বঞ্চিত। আরো স্পষ্ট করে বলতে গেলে বলতে হয় যে, জামায়াতকে রাস্তায় দাঁড়াতেই দেওয়া হচ্ছে না। এমন প্রচণ্ড দমন নীতির পরেও জামায়াত ও শিবির এক মুহূর্তের জন্যও সশস্ত্র তৎপরতার দিকে ধাবিত হয়নি। এটার কারণ হলো এই যে, জামায়াত সেই পথে বিশ্বাসই করে না। অথচ তাদের ওপর সব সময় জঙ্গিবাদ এবং সন্ত্রাসবাদের অপপ্রচার চালানো হয়।যখন জামায়াতের বিরুদ্ধে জঙ্গিবাদ বা সন্ত্রাসবাদের কোন প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ প্রমাণও পাওয়া যায় না, তখন বলা হয় যে, যেসব জঙ্গিকে গ্রেফতার করা হয়েছে তাদের মধ্যে অমুক এবং অমুক এক সময় জামায়াত এবং শিবির করত। সেই অভিযোগের সত্য বা মিথ্যার মধ্যে আমরা যাচ্ছি না। কিন্তু একদা অতীতে কেউ কোন দল করত সেই পুরানা কাসুন্দি ঘেঁটে বর্তমানকে বিবেচনা করা যায় না।পাকিস্তান আন্দোলনে নেতৃত্ব দিয়েছিল মুসলিম লীগ। পাকিস্তান কায়েমের দুই বছরের মাথায় মুসলিম লীগ থেকে বেরিয়ে এসে আওয়ামী মুসলিম লীগ গঠন করা হয়। আবার আওয়ামী লীগ থেকে কিছু নেতা বেরিয়ে এসে ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি বা ন্যাপ গঠন করে। বাংলাদেশের ইতিহাস দেখুন। আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে বাংলাদেশের স্বাধীনতা অর্জিত হয়। স্বাধীনতা লাভের পর মাত্র এক বছরের মধ্যেই আওয়ামী লীগ থেকে বেরিয়ে এসে জাসদ নামক বিরোধী দল গঠন করেন জনাব আ স ম আবদুর রব, সিরাজুল আলম খান, মেজর জলিল, শাহজাহান সিরাজ প্রমুখ। জাসদ থেকে জন্ম নেয় বাসদ। এভাবেই রাজনৈতিক দল গড়ে ওঠে। এটিই হলো রাজনৈতিক প্রক্রিয়া। আওয়ামী লীগ থেকে বেরিয়ে এতগুলো দল গঠন করা হয়েছে। তারা আওয়ামী লীগ থেকে বেরিয়ে এসেছে বলেই জঙ্গিও হয়ে যায়নি, রাষ্ট্রদ্রোহীও হয়ে যায়নি। অন্যান্য দলের কথা বলে আলোচনা আর লম্বা করতে চাই না। আমরা বলতে চেষ্টা করেছি যে, একটি দল থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পর কেউ যদি অপকর্ম করে তাহলে, যে দল থেকে সে বেরিয়ে এসেছে, তার দায় দায়িত্ব সেই দলের ওপর বর্তায় না। সুতরাং এখন যদি অপরাধীদের ভেতর এমন অভিযোগ পাওয়া যায় যে একদা কোন এক সময় সে জামায়াত বা শিবির করেছিল তার জন্য কি জামায়াত ও শিবিরকে কোন অবস্থায় দায়ী করা যায়?’ (৩১ জুলাই ২০১৬, জামায়াতে ইসলামীর ওয়েব পেজ)।  বৈধ রাজনৈতিক দলগুলোকে সাথে নিয়েই সন্ত্রাস দমনে কাজ করতে হবে। এই সত্য সরকারের সর্বমহলে যত তাড়াতাড়ি প্রতিষ্ঠা হবে সন্ত্রাসবাদ ও জঙ্গিবাদ তত তাড়াতাড়ি নির্মূল হবে। সরকারের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি জনপ্রশাসনমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম। তিনি সম্প্রতি জেলা প্রশাসকদের (ডিসি) সম্মেলনে বলেন, প্রশাসনের আওতায় জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে সন্ত্রাস ও নাশকতাবিরোধী যেসব কমিটি হবে, সেখানে সব দলের জনপ্রতিনিধি থাকবেন। সম্মেলনে তার এমন বক্তব্যের সূত্র ধরে পরে সাংবাদিকরা সৈয়দ আশরাফকে প্রশ্ন করেন যে, সন্ত্রাসবিরোধী কমিটিতে নির্বাচিত বিএনপি-জামায়াতের জনপ্রতিনিধি অন্তর্ভুক্ত করা হবে কি না? জবাবে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘অবকোর্স করা হবে’। পর্যবেক্ষক মহল আশা করেন, সৈয়দ আশরাফুল ইসলামের এই বক্তব্যের প্রতিফলন শিগগিরই ঘটবে এবং ঐক্যবদ্ধ সংগ্রামের মাধ্যমে দেশ ও জাতি সন্ত্রাসবাদ ও জঙ্গিবাদ মুক্ত হবে। এ স্বপ্ন বাস্তবায়ন করতে হলে সবার আগে সন্ত্রাসকে রাজনৈতিক কার্ড হিসেবে ব্যবহার বন্ধ করতে হবে।

এ পাতার অন্যান্য খবর

অন্যান্য মিডিয়া bdnews24 RTNN Sheersha News barta24 Prothom Alo Daily Nayadiganta Jugantor Samakal Amardesh Kaler Kantho Daily Ittefaq Daily Inqilab Daily Sangram Daily Janakantha Amader Shomoy Bangladesh Pratidin Bhorerkagoj Daily Dinkal Manob Zamin Destiny Sangbad Deshbangla Daily Star New Age New Nation Bangladesh Today Financial Express Independent News Today Shaptahik 2000 Computer Jagat Computer Barta Budhbar Bangladesherkhela Holiday Bangladesh Monitor BBC Bangla Redio Tehran
homeabout usdeveloped by

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদকঃ মো. তাসনীম আলম।

মহীউদ্দীন আহমদ কর্তৃক জাতীয় মুদ্রণ ১০৯, ঋষিকেশ দাস রোড, ঢাকা - ১১০০ হতে মুদ্রিত ও ১৫ বাংলাবাজার, ঢাকা - ১১০০ হতে প্রকাশিত। যোগাযোগের ঠিকানাঃ ৪২৩ এলিফেন্ট রোড, বড় মগবাজার, ঢাকা - ১২১৭। ফোনঃ ৮৮ ০২ ৮৩১৯০৬৫, বার্তা - ৮৮ ০১৬৭০৮১৩২৭৬, সার্কুলেশন - ৮৮ ০১৫৫২৩৯৮১৯০, বিজ্ঞাপন - ৮৮ ০১১৯৯০৯০০৮৫, ফ্যাক্সঃ ৮৮ ০২ ৮৩১৫৫৭১, ওয়েবসাইটঃ www.weeklysonarbangla.net, ইমেইলঃ weeklysonarbangla@yahoo.com